সিলেট টেস্টে চতুর্থ দিনটা পুরোপুরিই নিজেদের করে নিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ব্যাট হাতে বাংলাদেশের বোলারদের ওপর রীতিমতো ছড়ি ঘুরিয়েছে ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যানরা। দিন শেষে ৭৯ ওভার ব্যাট করে মাত্র তিন উইকেট হারিয়ে ৩৪৫ রান তুলেছে তারা। প্রথম ইনিংসের লিড মিলিয়ে বাংলাদেশের সামনে এখন লক্ষ্য ৩১৬ রান। টেস্টের শেষ দিনে এই রান তাড়া করে জিততে হলে নিজেদের ইতিহাসই নতুন করে লিখতে হবে বাংলাদেশকে।
যদিও এখন ওয়েস্ট ইন্ডিজ তাদের দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করেনি। সোমবার (৯ নভেম্বর) সকালে আরও দশ থেকে পনের ওভার ব্যাট করে দ্রুত আরও কিছু রান তুলে ঘোষণা করতে পারে।
তবে রোববার (৮ নভেম্বর) চতুর্থ দিনের খেলা শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের লিড দাঁড়িয়েছে ৩১৫ রান। হাতে রয়েছে আরও সাত উইকেট। ক্রিজে দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে অপরাজিত আছেন সেঞ্চুরিয়ান কাভেম হজ। ১৪০ রানে ব্যাট করছেন তিনি। অন্য প্রান্তে আমির জাঙ্গু অপরাজিত ২০ রানে।
দিনের শুরু থেকেই রান তুলতে তেমন বেগ পেতে হয়নি ক্যারিবীয়দের। বাংলাদেশের বোলাররা কয়েকটি উইকেটের সুযোগ তৈরি করলেও তা কাজে লাগাতে পারেননি। জেসন কিং ৬১ রান করে ফিরলেও এরপর প্রতিরোধ গড়ে তোলেন কেভিন উইকহ্যাম ও হজ। উইকহ্যাম ৭৮ রানের ইনিংস খেলে আউট হন। অন্যদিকে হজ নিজের সেঞ্চুরি পূর্ণ করে দিন শেষ করেন ১৪০ রানে অপরাজিত থেকে।
বাংলাদেশের হয়ে দুটি উইকেট নিয়েছেন তাইজুল ইসলাম। একটি উইকেট পেয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তবে ৩ উইকেট নিতে খরচ হয়েছে বোলারদের ১৭৬ রান।
রেকর্ডের সামনে বাংলাদেশ
টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড ২১৫ রান। ২০০৯ সালে এই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষেই তাদের মাঠে চতুর্থ ইনিংসে ২১৫ রান করে জিতেছিল বাংলাদেশ।
এর বাইরে টেস্টে ২০০ রানের বেশি লক্ষ্য তাড়া করে জয়ের নজির নেই বাংলাদেশের। ফলে সিলেটে জয় পেতে হলে নিজেদের সর্বোচ্চ রান তাড়ার রেকর্ড ভাঙার পাশাপাশি নতুন ইতিহাস গড়তে হবে মুশফিক-হৃদয়দের।
এই টেস্টে অবশ্য ব্যাট হাতে অসাধারণ এক ইতিহাস গড়েছেন তাওহিদ হৃদয়। প্রথম ইনিংসে তার অপরাজিত ২৪২ রানের ইনিংসে ভর করে ৩৮৬ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংসের ৩৫৬ রানের জবাবে ৩০ রানের লিডও পেয়েছিল স্বাগতিকরা।
কিন্তু চতুর্থ দিনের ব্যাটিংয়ে সেই স্বস্তি উড়ে গেছে। এখন শেষ দিনের লড়াইয়ে ব্যাটসম্যানদের সামনে কঠিন পরীক্ষা। যদিও চতূর্থ দিনে পিচের আচরণ অনেক ভালো ছিল- ব্যাটিং উপযোগী; ছিল না কোন অস্বাভাবিক বাউন্ড বা টার্ন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
• ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম ইনিংস: ৩৫৬।
• বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ৩৮৬ (তাওহিদ হৃদয় ২৪২*, মুশফিকুর রহিম ৩৪; ওয়ারিক্যান ৪/১০৪)।
• ওয়েস্ট ইন্ডিজ দ্বিতীয় ইনিংস: ৩৪৫/৩ (কাভেম হজ ১৪০*, কেভিন উইকহ্যাম ৭৮, জেসন কিং ৬১; তাইজুল ২/১১৮, মিরাজ ১/৫৮)।
• ওয়েস্ট ইন্ডিজ এগিয়ে: ৩১৫ রানে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
যদিও এখন ওয়েস্ট ইন্ডিজ তাদের দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করেনি। সোমবার (৯ নভেম্বর) সকালে আরও দশ থেকে পনের ওভার ব্যাট করে দ্রুত আরও কিছু রান তুলে ঘোষণা করতে পারে।
তবে রোববার (৮ নভেম্বর) চতুর্থ দিনের খেলা শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের লিড দাঁড়িয়েছে ৩১৫ রান। হাতে রয়েছে আরও সাত উইকেট। ক্রিজে দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে অপরাজিত আছেন সেঞ্চুরিয়ান কাভেম হজ। ১৪০ রানে ব্যাট করছেন তিনি। অন্য প্রান্তে আমির জাঙ্গু অপরাজিত ২০ রানে।
দিনের শুরু থেকেই রান তুলতে তেমন বেগ পেতে হয়নি ক্যারিবীয়দের। বাংলাদেশের বোলাররা কয়েকটি উইকেটের সুযোগ তৈরি করলেও তা কাজে লাগাতে পারেননি। জেসন কিং ৬১ রান করে ফিরলেও এরপর প্রতিরোধ গড়ে তোলেন কেভিন উইকহ্যাম ও হজ। উইকহ্যাম ৭৮ রানের ইনিংস খেলে আউট হন। অন্যদিকে হজ নিজের সেঞ্চুরি পূর্ণ করে দিন শেষ করেন ১৪০ রানে অপরাজিত থেকে।
বাংলাদেশের হয়ে দুটি উইকেট নিয়েছেন তাইজুল ইসলাম। একটি উইকেট পেয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তবে ৩ উইকেট নিতে খরচ হয়েছে বোলারদের ১৭৬ রান।
রেকর্ডের সামনে বাংলাদেশ
টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড ২১৫ রান। ২০০৯ সালে এই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষেই তাদের মাঠে চতুর্থ ইনিংসে ২১৫ রান করে জিতেছিল বাংলাদেশ।
এর বাইরে টেস্টে ২০০ রানের বেশি লক্ষ্য তাড়া করে জয়ের নজির নেই বাংলাদেশের। ফলে সিলেটে জয় পেতে হলে নিজেদের সর্বোচ্চ রান তাড়ার রেকর্ড ভাঙার পাশাপাশি নতুন ইতিহাস গড়তে হবে মুশফিক-হৃদয়দের।
এই টেস্টে অবশ্য ব্যাট হাতে অসাধারণ এক ইতিহাস গড়েছেন তাওহিদ হৃদয়। প্রথম ইনিংসে তার অপরাজিত ২৪২ রানের ইনিংসে ভর করে ৩৮৬ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংসের ৩৫৬ রানের জবাবে ৩০ রানের লিডও পেয়েছিল স্বাগতিকরা।
কিন্তু চতুর্থ দিনের ব্যাটিংয়ে সেই স্বস্তি উড়ে গেছে। এখন শেষ দিনের লড়াইয়ে ব্যাটসম্যানদের সামনে কঠিন পরীক্ষা। যদিও চতূর্থ দিনে পিচের আচরণ অনেক ভালো ছিল- ব্যাটিং উপযোগী; ছিল না কোন অস্বাভাবিক বাউন্ড বা টার্ন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
• ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম ইনিংস: ৩৫৬।
• বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ৩৮৬ (তাওহিদ হৃদয় ২৪২*, মুশফিকুর রহিম ৩৪; ওয়ারিক্যান ৪/১০৪)।
• ওয়েস্ট ইন্ডিজ দ্বিতীয় ইনিংস: ৩৪৫/৩ (কাভেম হজ ১৪০*, কেভিন উইকহ্যাম ৭৮, জেসন কিং ৬১; তাইজুল ২/১১৮, মিরাজ ১/৫৮)।
• ওয়েস্ট ইন্ডিজ এগিয়ে: ৩১৫ রানে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে