ক্যারিয়ারের তৃতীয় টেস্টেই ব্যাট হাতে ইতিহাস গড়লেন তাওহিদ হৃদয়। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে একের পর এক রেকর্ড নিজের করে নিচ্ছেন বাংলাদেশের এই তরুণ ব্যাটসম্যান। প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিকে রূপ দিয়েছেন ক্যারিয়ারসেরা ইনিংসে। ছাড়িয়ে গেছেন বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের আগের রেকর্ডও। এর পর করলেন ডাবল সেঞ্চুরির।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংসে করা ৩৫৬ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় দিনের চা-বিরতি পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৯৬ ওভারে ৮ উইকেটে ৩১৮ রান। দলের বাকি ব্যাটসম্যানরা যখন একের পর এক উইকেট হারিয়ে ফিরেছেন, তখন এক প্রান্ত আগলে রেখে প্রতিপক্ষের বোলারদের শাসন করছেন হৃদয়।
চা-বিরতিতে যাওয়ার সময় ২৮৯ বলে ১৮ চার ও ৭ ছক্কায় ১৯০ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ৭ ছক্কা মারার রেকর্ডে তামিম ইকবালের পাশে বসেছেন হৃদয়। তবে ব্যক্তিগত অর্জনের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে দলের জন্য তাঁর লড়াই। একসময় বড় ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ার শঙ্কায় থাকা বাংলাদেশকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছাকাছি নিয়ে এসেছেন তিনি।
চা-বিরতিতে দুই দলের রানের ব্যবধান মাত্র ৩৮। হৃদয়ের এই ইনিংসের মাহাত্ম্য আরও বেশি। বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের রেকর্ডটি এত দিন ছিল মুমিনুল হকের দখলে। ২০১৩ সালে চট্টগ্রামে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে নিজের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিতে ১৮১ রান করেছিলেন তিনি। সেই রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন হৃদয়।
চা-বিরতির আগে জোমেল ওয়ারিক্যানকে পরপর দুই বলে ছক্কা ও চার মেরে মুমিনুলকে ছাড়িয়ে যান এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান। এর আগে সিলেটের মাঠে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের রেকর্ডও নিজের করে নেন তিনি। গত বছর আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে মাহমুদুল হাসান জয়ের করা ১৭১ রান ছিল আগের সর্বোচ্চ।
শুধু তাই নয়, বাংলাদেশের হয়ে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ডেও ভাগ বসিয়েছেন হৃদয়। ২০১৫ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে ২০৬ রানের ইনিংস খেলার পথে সাতটি ছক্কা মেরেছিলেন তামিম ইকবাল। এবার সেই কীর্তিতে নাম লেখালেন হৃদয়।
হৃদয়ের এই লড়াইয়ে বড় অবদান রেখেছেন তাইজুল ইসলামও। সপ্তম উইকেটে দুজন মিলে গড়েন ১৬৭ বলে ১১৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি। ৫৬ বলে তিন চারে ২২ রান করে জোমেল ওয়ারিক্যানের বলে স্টাম্পড হয়ে ফিরেছেন তাইজুল। তাতেই ভাঙে বাংলাদেশের প্রতিরোধের এই জুটি।
তবে তাইজুলের বিদায়ের পরও থামেনি হৃদয়ের লড়াই। ক্রিজে তাঁর নতুন সঙ্গী তাসকিন আহমেদ। আগের দিন ফিল্ডিংয়ের সময় চোট পাওয়ায় প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নামবেন না সাদমান ইসলাম। ফলে বাংলাদেশের হাতে কার্যত এটিই শেষ জুটি।
এই ইনিংসের পেছনে রয়েছে আরেকটি বিশেষ প্রেক্ষাপট। কনকাশনের কারণে এই ম্যাচে খেলতে পারছেন না মুমিনুল হক। তাঁর অনুপস্থিতিতেই একাদশে সুযোগ পেয়েছেন হৃদয়। আগের ম্যাচে বাজে শটে আউট হয়ে সমালোচনার মুখে পড়া এই ব্যাটসম্যান এবার ব্যাট হাতেই দিয়েছেন জবাব।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংসে করা ৩৫৬ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় দিনের চা-বিরতি পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৯৬ ওভারে ৮ উইকেটে ৩১৮ রান। দলের বাকি ব্যাটসম্যানরা যখন একের পর এক উইকেট হারিয়ে ফিরেছেন, তখন এক প্রান্ত আগলে রেখে প্রতিপক্ষের বোলারদের শাসন করছেন হৃদয়।
চা-বিরতিতে যাওয়ার সময় ২৮৯ বলে ১৮ চার ও ৭ ছক্কায় ১৯০ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ৭ ছক্কা মারার রেকর্ডে তামিম ইকবালের পাশে বসেছেন হৃদয়। তবে ব্যক্তিগত অর্জনের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে দলের জন্য তাঁর লড়াই। একসময় বড় ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ার শঙ্কায় থাকা বাংলাদেশকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছাকাছি নিয়ে এসেছেন তিনি।
চা-বিরতিতে দুই দলের রানের ব্যবধান মাত্র ৩৮। হৃদয়ের এই ইনিংসের মাহাত্ম্য আরও বেশি। বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের রেকর্ডটি এত দিন ছিল মুমিনুল হকের দখলে। ২০১৩ সালে চট্টগ্রামে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে নিজের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিতে ১৮১ রান করেছিলেন তিনি। সেই রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন হৃদয়।
চা-বিরতির আগে জোমেল ওয়ারিক্যানকে পরপর দুই বলে ছক্কা ও চার মেরে মুমিনুলকে ছাড়িয়ে যান এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান। এর আগে সিলেটের মাঠে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের রেকর্ডও নিজের করে নেন তিনি। গত বছর আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে মাহমুদুল হাসান জয়ের করা ১৭১ রান ছিল আগের সর্বোচ্চ।
শুধু তাই নয়, বাংলাদেশের হয়ে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ডেও ভাগ বসিয়েছেন হৃদয়। ২০১৫ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে ২০৬ রানের ইনিংস খেলার পথে সাতটি ছক্কা মেরেছিলেন তামিম ইকবাল। এবার সেই কীর্তিতে নাম লেখালেন হৃদয়।
হৃদয়ের এই লড়াইয়ে বড় অবদান রেখেছেন তাইজুল ইসলামও। সপ্তম উইকেটে দুজন মিলে গড়েন ১৬৭ বলে ১১৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি। ৫৬ বলে তিন চারে ২২ রান করে জোমেল ওয়ারিক্যানের বলে স্টাম্পড হয়ে ফিরেছেন তাইজুল। তাতেই ভাঙে বাংলাদেশের প্রতিরোধের এই জুটি।
তবে তাইজুলের বিদায়ের পরও থামেনি হৃদয়ের লড়াই। ক্রিজে তাঁর নতুন সঙ্গী তাসকিন আহমেদ। আগের দিন ফিল্ডিংয়ের সময় চোট পাওয়ায় প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নামবেন না সাদমান ইসলাম। ফলে বাংলাদেশের হাতে কার্যত এটিই শেষ জুটি।
এই ইনিংসের পেছনে রয়েছে আরেকটি বিশেষ প্রেক্ষাপট। কনকাশনের কারণে এই ম্যাচে খেলতে পারছেন না মুমিনুল হক। তাঁর অনুপস্থিতিতেই একাদশে সুযোগ পেয়েছেন হৃদয়। আগের ম্যাচে বাজে শটে আউট হয়ে সমালোচনার মুখে পড়া এই ব্যাটসম্যান এবার ব্যাট হাতেই দিয়েছেন জবাব।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে