যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির ভরাডুবির পর এবার নিজের মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা করছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কংগ্রেসের উভয় কক্ষেই দলটির পরাজয়ের পর প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে রদবদলের ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। এমনকি কয়েকজন মন্ত্রীকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে কথা বলেন ট্রাম্প। তবে কাদের সরানো হবে, সে বিষয়ে কিছু জানাননি তিনি।
মন্ত্রিসভার কাউকে বরখাস্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, আছে। অল্প কয়েকজনকে নিয়ে এমন পরিকল্পনা রয়েছে।’
তবে মন্ত্রিসভার সদস্যদের প্রতি নিজের সন্তুষ্টির কথাও তুলে ধরেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘আমি আমার মন্ত্রিসভাকে ভালোবাসি। আমার মনে হয়, তারা ভালো কাজ করছেন। তবে আমি কিছু পরিবর্তন আনতে পারি।’
এদিকে ট্রাম্পের এই বক্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন হোয়াইট হাউসের শীর্ষ প্রশাসনিক পদেও পরিবর্তনের ঘোষণা এসেছে। সুসি ওয়াইলসের স্থলাভিষিক্ত হয়ে হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন ডেপুটি চিফ অব স্টাফ স্টিফেন মিলার।
অন্যদিকে, এত দিন ট্রাম্পের চিফ অব স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করা সুসি ওয়াইলস এবার প্রেসিডেন্টের রাজনৈতিক কার্যক্রমে যুক্ত হবেন। ফলে প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে একাধিক পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
মধ্যবর্তী নির্বাচনে বড় ধরনের বিপর্যয়ের পর ট্রাম্পের এই রদবদলের পরিকল্পনাকে মার্কিন প্রশাসনে নতুন করে সাজানোর উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে মন্ত্রিসভার কোন কোন সদস্যকে সরানো হতে পারে, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।
সূত্র: আনাদোলু
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে কথা বলেন ট্রাম্প। তবে কাদের সরানো হবে, সে বিষয়ে কিছু জানাননি তিনি।
মন্ত্রিসভার কাউকে বরখাস্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, আছে। অল্প কয়েকজনকে নিয়ে এমন পরিকল্পনা রয়েছে।’
তবে মন্ত্রিসভার সদস্যদের প্রতি নিজের সন্তুষ্টির কথাও তুলে ধরেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘আমি আমার মন্ত্রিসভাকে ভালোবাসি। আমার মনে হয়, তারা ভালো কাজ করছেন। তবে আমি কিছু পরিবর্তন আনতে পারি।’
এদিকে ট্রাম্পের এই বক্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন হোয়াইট হাউসের শীর্ষ প্রশাসনিক পদেও পরিবর্তনের ঘোষণা এসেছে। সুসি ওয়াইলসের স্থলাভিষিক্ত হয়ে হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন ডেপুটি চিফ অব স্টাফ স্টিফেন মিলার।
অন্যদিকে, এত দিন ট্রাম্পের চিফ অব স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করা সুসি ওয়াইলস এবার প্রেসিডেন্টের রাজনৈতিক কার্যক্রমে যুক্ত হবেন। ফলে প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে একাধিক পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
মধ্যবর্তী নির্বাচনে বড় ধরনের বিপর্যয়ের পর ট্রাম্পের এই রদবদলের পরিকল্পনাকে মার্কিন প্রশাসনে নতুন করে সাজানোর উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে মন্ত্রিসভার কোন কোন সদস্যকে সরানো হতে পারে, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।
সূত্র: আনাদোলু
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে