সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত বড়শি ফেলে অপেক্ষা করেছেন। দীর্ঘ সময়েও ধরা পড়েনি কোনও মাছ। তবে শেষ বিকেলে বড়শিতে ধরা পড়ে প্রায় সাত কেজি ওজনের একটি কাতলা। আর সেই এক মাছ ধরেই দুই লাখ টাকা পুরস্কার জিতে নিয়েছেন শৌখিন মৎস্যশিকারি মো. নাছির মিয়া (৫০)।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার কালীকচ্ছ ইউনিয়নের দত্তপাড়া গ্রামের বীরেশ দিঘিতে আয়োজিত মাছ ধরার প্রতিযোগিতায় এ ঘটনা ঘটে। বিকেল চারটার দিকে নাছিরের বড়শিতে ধরা পড়ে ৬ কেজি ৮৮৫ গ্রাম ওজনের কাতলাটি।
প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে ২৬ হাজার টাকা দিয়ে টিকিট কেটেছিলেন নাছির। দিনভর অপেক্ষার পর একটি মাছ ধরেই তিনি প্রথম স্থান অর্জন করেন। পুরস্কার হিসেবে পান দুই লাখ টাকা।
আয়োজক সূত্রে জানা যায়, সকাল সোয়া ছয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত চলে এ প্রতিযোগিতা। এতে ২৬ হাজার টাকা করে টিকিট কিনে অংশ নেন ২৪ জন শৌখিন মৎস্যশিকারি। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন এলাকা ছাড়াও ঢাকা, কিশোরগঞ্জ ও হবিগঞ্জ থেকে প্রতিযোগীরা আসেন। লটারির মাধ্যমে নির্ধারণ করা হয় তাদের মাছ ধরার স্থান।
প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জন করেন হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার মনতালা গ্রামের মোফাজ্জল হোসেন। তিনি ৬ কেজি ৭৪০ গ্রাম ও ৬ কেজি ৪৮৫ গ্রাম ওজনের দুটি কাতলা ধরে যথাক্রমে এক লাখ ও ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার পান।
একই এলাকার কাউছার মিয়া ৫ কেজি ৫২০ গ্রাম ও ৫ কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের দুটি কাতলা ধরে চতুর্থ ও পঞ্চম হন। পুরস্কার হিসেবে তিনি পান যথাক্রমে ৪৫ হাজার ও ৪০ হাজার টাকা।
প্রথম পুরস্কারজয়ী নাছির মিয়া বলেন, সারাদিন আর কোনো মাছ শিকার করতে পারেননি তিনি। শেষ মুহূর্তে একটি মাছ ধরেই প্রথম পুরস্কার পাওয়ায় তার ভালো লাগছে। এর আগে গত ১৬ অক্টোবর একই দিঘিতে বড় একটি কাতলা ধরেও শেষ পর্যন্ত সেটি জালবন্দী করতে পারেননি। এবার সেই আক্ষেপ ঘুচেছে।
প্রায় পৌনে তিন একর আয়তনের বীরেশ দিঘিতে সরাইল মৎস্য চাষ প্রকল্প নামের একটি সমিতি প্রতিবছর কয়েকবার মাছ ধরার প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। এটি চলতি বছরের সপ্তম আয়োজন। প্রতিযোগিতা ঘিরে দিঘির চারপাশে দর্শনার্থীদেরও ব্যাপক সমাগম ঘটে।
সরাইল মৎস্য চাষ প্রকল্পের সভাপতি আলী মিয়া জানান, দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে শৌখিন মৎস্যশিকারিরা এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। প্রতিবছরই এমন আয়োজন করা হয়।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার কালীকচ্ছ ইউনিয়নের দত্তপাড়া গ্রামের বীরেশ দিঘিতে আয়োজিত মাছ ধরার প্রতিযোগিতায় এ ঘটনা ঘটে। বিকেল চারটার দিকে নাছিরের বড়শিতে ধরা পড়ে ৬ কেজি ৮৮৫ গ্রাম ওজনের কাতলাটি।
প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে ২৬ হাজার টাকা দিয়ে টিকিট কেটেছিলেন নাছির। দিনভর অপেক্ষার পর একটি মাছ ধরেই তিনি প্রথম স্থান অর্জন করেন। পুরস্কার হিসেবে পান দুই লাখ টাকা।
আয়োজক সূত্রে জানা যায়, সকাল সোয়া ছয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত চলে এ প্রতিযোগিতা। এতে ২৬ হাজার টাকা করে টিকিট কিনে অংশ নেন ২৪ জন শৌখিন মৎস্যশিকারি। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন এলাকা ছাড়াও ঢাকা, কিশোরগঞ্জ ও হবিগঞ্জ থেকে প্রতিযোগীরা আসেন। লটারির মাধ্যমে নির্ধারণ করা হয় তাদের মাছ ধরার স্থান।
প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জন করেন হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার মনতালা গ্রামের মোফাজ্জল হোসেন। তিনি ৬ কেজি ৭৪০ গ্রাম ও ৬ কেজি ৪৮৫ গ্রাম ওজনের দুটি কাতলা ধরে যথাক্রমে এক লাখ ও ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার পান।
একই এলাকার কাউছার মিয়া ৫ কেজি ৫২০ গ্রাম ও ৫ কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের দুটি কাতলা ধরে চতুর্থ ও পঞ্চম হন। পুরস্কার হিসেবে তিনি পান যথাক্রমে ৪৫ হাজার ও ৪০ হাজার টাকা।
প্রথম পুরস্কারজয়ী নাছির মিয়া বলেন, সারাদিন আর কোনো মাছ শিকার করতে পারেননি তিনি। শেষ মুহূর্তে একটি মাছ ধরেই প্রথম পুরস্কার পাওয়ায় তার ভালো লাগছে। এর আগে গত ১৬ অক্টোবর একই দিঘিতে বড় একটি কাতলা ধরেও শেষ পর্যন্ত সেটি জালবন্দী করতে পারেননি। এবার সেই আক্ষেপ ঘুচেছে।
প্রায় পৌনে তিন একর আয়তনের বীরেশ দিঘিতে সরাইল মৎস্য চাষ প্রকল্প নামের একটি সমিতি প্রতিবছর কয়েকবার মাছ ধরার প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। এটি চলতি বছরের সপ্তম আয়োজন। প্রতিযোগিতা ঘিরে দিঘির চারপাশে দর্শনার্থীদেরও ব্যাপক সমাগম ঘটে।
সরাইল মৎস্য চাষ প্রকল্পের সভাপতি আলী মিয়া জানান, দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে শৌখিন মৎস্যশিকারিরা এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। প্রতিবছরই এমন আয়োজন করা হয়।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন