জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে মাদ্রাসাছাত্র আরিফ হোসেন হত্যা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য উপদেষ্টা ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ডিবিসির চেয়ারম্যান ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হক এ আদেশ দেন। এ সময় কারাগারে তাঁর বয়স বিবেচনায় সুচিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করার আবেদন জানান আসামিপক্ষের আইনজীবীরা।
শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা বয়সের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে কারাগারে চিকিৎসার ব্যবস্থা করার আবেদন করেন। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষ তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানোর পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর অভিযোগ, জুলাই আন্দোলন দমনের পাশাপাশি আসামি ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছেন।
উভয়পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। একই সঙ্গে কারাগারে ডিভিশন ও সুচিকিৎসার বিষয়ে জেল কোড অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
এর আগে বুধবার (৪ নভেম্বর) বেলা সাড়ে তিনটার দিকে রাজধানীর মহাখালীতে ডিবিসি কার্যালয় থেকে ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে নেওয়া হয়।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকেলে যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী এলাকার বউবাজার রোডে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়া মোহাম্মদ আরিফ হোসেন (১৮) গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাঁকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় আরিফের বাবা মোহাম্মদ ইউসুফ ২০২৪ সালের ২৬ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৩৩ জনের বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা করেন।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হক এ আদেশ দেন। এ সময় কারাগারে তাঁর বয়স বিবেচনায় সুচিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করার আবেদন জানান আসামিপক্ষের আইনজীবীরা।
শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা বয়সের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে কারাগারে চিকিৎসার ব্যবস্থা করার আবেদন করেন। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষ তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানোর পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর অভিযোগ, জুলাই আন্দোলন দমনের পাশাপাশি আসামি ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছেন।
উভয়পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। একই সঙ্গে কারাগারে ডিভিশন ও সুচিকিৎসার বিষয়ে জেল কোড অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
এর আগে বুধবার (৪ নভেম্বর) বেলা সাড়ে তিনটার দিকে রাজধানীর মহাখালীতে ডিবিসি কার্যালয় থেকে ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে নেওয়া হয়।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকেলে যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী এলাকার বউবাজার রোডে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়া মোহাম্মদ আরিফ হোসেন (১৮) গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাঁকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় আরিফের বাবা মোহাম্মদ ইউসুফ ২০২৪ সালের ২৬ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৩৩ জনের বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা করেন।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে