একদিকে মশাবাহিত ডেঙ্গুর বিস্তার, অন্যদিকে শিশুদের মধ্যে হামের সংক্রমণ ও মৃত্যু- জনস্বাস্থ্যে বাড়ছে চাপ। প্রতিদিনই নতুন রোগী শনাক্ত হচ্ছে, হাসপাতালে রোগীর চাপ, আর মৃত্যুর খবর উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলছে। বছরের শেষভাগে এসে দুই রোগে মোট আক্রান্ত ও প্রাণহানির সংখ্যা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে, তা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। শুধু গত ২৪ ঘণ্টাতেই হাম এবং ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তের হারও বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে গত ২৪ ঘণ্টায় (রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) সারাদেশে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে নতুন আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৯৭০ জন।
এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৪৩৩ জনে। অন্যদিকে একই সময়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা হয়ে গেল ১ লাখ ৩ হাজার ৯৩৪ জন।
এদিকে মাস হিসেবে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছে অক্টোবরে। সদ্য বিদায়ী এ মাসে এডিস মশাবাহিত রোগটিতে প্রাণ গেছে ১৭৪ জনের। গত সেপ্টেম্বরে সর্বোচ্চ ১৪৮ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
এর আগে গত বছর সারাদেশে ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন। মারা যান ৪১৩ জন। তার আগে ২০২৪ সালে আক্রান্ত হন ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং মারা যান ৫৭৫ জন।
অন্যদিকে হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় (রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) সারাদেশে তিনজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও এর উপসর্গ মিলেছে ১ হাজার ৫৪৮ জনের শরীরে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৫৭ জনে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে মারা গেছে ১০৫ জন এবং উপসর্গে ১ হাজার ১৫২ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরও বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগী হিসেবে ১ হাজার ৪৯২ জন শনাক্ত হয়েছে। নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ৫৬ জনের। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট হাম শনাক্ত হয়েছে ২৩ হাজার ৯৯১ জনের এবং হামের উপসর্গ মিলেছে ২ লাখ ৩১ হাজার ৫০৫ জনের শরীরে।
এদিকে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ২ লাখ ৬ হাজার ১৬৮ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৪৮ জন।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে গত ২৪ ঘণ্টায় (রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) সারাদেশে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে নতুন আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৯৭০ জন।
এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৪৩৩ জনে। অন্যদিকে একই সময়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা হয়ে গেল ১ লাখ ৩ হাজার ৯৩৪ জন।
এদিকে মাস হিসেবে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছে অক্টোবরে। সদ্য বিদায়ী এ মাসে এডিস মশাবাহিত রোগটিতে প্রাণ গেছে ১৭৪ জনের। গত সেপ্টেম্বরে সর্বোচ্চ ১৪৮ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
এর আগে গত বছর সারাদেশে ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন। মারা যান ৪১৩ জন। তার আগে ২০২৪ সালে আক্রান্ত হন ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং মারা যান ৫৭৫ জন।
অন্যদিকে হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় (রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) সারাদেশে তিনজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও এর উপসর্গ মিলেছে ১ হাজার ৫৪৮ জনের শরীরে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৫৭ জনে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে মারা গেছে ১০৫ জন এবং উপসর্গে ১ হাজার ১৫২ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরও বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগী হিসেবে ১ হাজার ৪৯২ জন শনাক্ত হয়েছে। নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ৫৬ জনের। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট হাম শনাক্ত হয়েছে ২৩ হাজার ৯৯১ জনের এবং হামের উপসর্গ মিলেছে ২ লাখ ৩১ হাজার ৫০৫ জনের শরীরে।
এদিকে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ২ লাখ ৬ হাজার ১৬৮ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৪৮ জন।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে