রাঙামাটির সাজেকে ইউপিডিএফ সমর্থিত দুই সংগঠনের ডাকা অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধের ১২তম দিন অতিবাহিত হচ্ছে। রবিবার ১২ ঘণ্টার জন্য অবরোধ শিথিল করা হলেও আজ সোমবার সকাল থেকে পুনরায় সড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে ও আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করছেন অবরোধকারীরা।
টানা ১২ দিন ধরে চলা এই অবরোধের ফলে পুরো সাজেকজুড়ে চরম দুর্ভোগ নেমে এসেছে, দেখা দিয়েছে তীব্র খাদ্যসংকট। গত ১১ দিনে ‘সাজেক গণ-অধিকার রক্ষা কমিটি’ ও ‘কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন’-এর পাঁচ দফা দাবি আদায় না হওয়ায় সংকট নিরসন হয়নি।
এদিকে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন সাজেক গণ-অধিকার রক্ষা কমিটির সভাপতি বাবুধন চাকমা। রবিবার সন্ধ্যা ৭টায় ফেসবুক লাইভে এসে তিনি এই কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।
অবরোধের পাশাপাশি আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গত দুই দিনে সাজেকের কলাবুনিয়া ও দূরদুরিছড়ায় জেএসএস এবং ইউপিডিএফের মধ্যে দুই দফায় তীব্র বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন গোলাগুলির বিষয়টি নিশ্চিত করলেও এলাকাটি পাহাড়ি দুর্গম অঞ্চল হওয়ায় হতাহতের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য জানাতে পারেননি।
স্থানীয়রা জানান, টানা অবরোধ ও গোলাগুলির ঘটনায় সাজেকে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সংঘাত ও অবরোধের কারণে সাজেকের রিসোর্ট ও কটেজ মালিকদের পাশাপাশি চরম বিপাকে পড়েছেন সাধারণ বাসিন্দারাও।
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও ওষুধের তীব্র ঘাটতি দেখা দেওয়ায় সাজেকে বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন তারা।
তারা আরো জানান, পাহাড়ি উৎপাদিত ফলমূল পরিবহন ও বাজারজাত করতে না পারায় সেসব পচে যাচ্ছে। অসুস্থ রোগীদের হাসপাতালে নেওয়ার মতো কোনো সুব্যবস্থা না থাকায় চরম অনিশ্চয়তা ও আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন তারা।
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ও পর্যটকদের সুরক্ষায় ইতিপূর্বেই সাজেক পর্যটনকেন্দ্রে পর্যটক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে জেলা প্রশাসন। সাধারণ মানুষের জান-মালের নিরাপত্তায় তারা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন বলেন, সাজেকের অবরোধের ১২তম দিন অতিবাহিত হচ্ছে। বেশ কয়েকটি স্থানে গাছের গুঁড়ি ফেলেছে। তবে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। প্রশাসন সর্বাত্মক সতর্ক রয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
টানা ১২ দিন ধরে চলা এই অবরোধের ফলে পুরো সাজেকজুড়ে চরম দুর্ভোগ নেমে এসেছে, দেখা দিয়েছে তীব্র খাদ্যসংকট। গত ১১ দিনে ‘সাজেক গণ-অধিকার রক্ষা কমিটি’ ও ‘কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন’-এর পাঁচ দফা দাবি আদায় না হওয়ায় সংকট নিরসন হয়নি।
এদিকে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন সাজেক গণ-অধিকার রক্ষা কমিটির সভাপতি বাবুধন চাকমা। রবিবার সন্ধ্যা ৭টায় ফেসবুক লাইভে এসে তিনি এই কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।
অবরোধের পাশাপাশি আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গত দুই দিনে সাজেকের কলাবুনিয়া ও দূরদুরিছড়ায় জেএসএস এবং ইউপিডিএফের মধ্যে দুই দফায় তীব্র বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন গোলাগুলির বিষয়টি নিশ্চিত করলেও এলাকাটি পাহাড়ি দুর্গম অঞ্চল হওয়ায় হতাহতের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য জানাতে পারেননি।
স্থানীয়রা জানান, টানা অবরোধ ও গোলাগুলির ঘটনায় সাজেকে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সংঘাত ও অবরোধের কারণে সাজেকের রিসোর্ট ও কটেজ মালিকদের পাশাপাশি চরম বিপাকে পড়েছেন সাধারণ বাসিন্দারাও।
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও ওষুধের তীব্র ঘাটতি দেখা দেওয়ায় সাজেকে বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন তারা।
তারা আরো জানান, পাহাড়ি উৎপাদিত ফলমূল পরিবহন ও বাজারজাত করতে না পারায় সেসব পচে যাচ্ছে। অসুস্থ রোগীদের হাসপাতালে নেওয়ার মতো কোনো সুব্যবস্থা না থাকায় চরম অনিশ্চয়তা ও আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন তারা।
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ও পর্যটকদের সুরক্ষায় ইতিপূর্বেই সাজেক পর্যটনকেন্দ্রে পর্যটক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে জেলা প্রশাসন। সাধারণ মানুষের জান-মালের নিরাপত্তায় তারা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন বলেন, সাজেকের অবরোধের ১২তম দিন অতিবাহিত হচ্ছে। বেশ কয়েকটি স্থানে গাছের গুঁড়ি ফেলেছে। তবে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। প্রশাসন সর্বাত্মক সতর্ক রয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন