ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’-এর ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার আগেই ভারতের পূর্ব উপকূলে আরেকটি ঘূর্ণিঝড় (মুরাসু) আঘাত হানার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সোমবার (২ নভেম্বর) উপকূলীয় এলাকা থেকে মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ।
ভারতীয় আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি) জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট এই ঘূর্ণিঝড়টি মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ভোরে ভারতের স্থলভাগে আঘাত হানতে পারে।
রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এর সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলবর্তী রাজ্য তামিলনাড়ু ও অন্ধ্র প্রদেশে। তবে এই ঝড়ের তীব্রতা গত সপ্তাহের ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’-এর চেয়ে কিছুটা কম হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, অর্ণবের আঘাতে ছয়জন নিহত হওয়ার পাশাপাশি বহু ঘরবাড়ি ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল।
অন্ধ্রপ্রদেশ রাজ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রখর জৈন জানান, সোমবার পর্যন্ত প্রায় দুই হাজার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে নেওয়া হয়েছে এবং এই প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। পরিস্থিতি বিচারে সব মিলিয়ে প্রায় ৩০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে ভারতের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলের তামিলনাড়ু ও অন্ধ্র প্রদেশ রাজ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছে আবহাওয়া বিভাগ। পরিস্থিতি মোকাবিলায় উপকূলীয় এলাকায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
ভারতীয় আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি) জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট এই ঘূর্ণিঝড়টি মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ভোরে ভারতের স্থলভাগে আঘাত হানতে পারে।
রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এর সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলবর্তী রাজ্য তামিলনাড়ু ও অন্ধ্র প্রদেশে। তবে এই ঝড়ের তীব্রতা গত সপ্তাহের ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’-এর চেয়ে কিছুটা কম হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, অর্ণবের আঘাতে ছয়জন নিহত হওয়ার পাশাপাশি বহু ঘরবাড়ি ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল।
অন্ধ্রপ্রদেশ রাজ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রখর জৈন জানান, সোমবার পর্যন্ত প্রায় দুই হাজার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে নেওয়া হয়েছে এবং এই প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। পরিস্থিতি বিচারে সব মিলিয়ে প্রায় ৩০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে ভারতের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলের তামিলনাড়ু ও অন্ধ্র প্রদেশ রাজ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছে আবহাওয়া বিভাগ। পরিস্থিতি মোকাবিলায় উপকূলীয় এলাকায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন