ফ্লোরিডায় বিমান বিধ্বস্ত, শেষ মুহূর্তে যে বার্তা দেন পাইলট

আপলোড সময় : ০২-১১-২০২৬ ১০:৫৪:৫০ পূর্বাহ্ন , আপডেট সময় : ০২-১১-২০২৬ ১০:৫৪:৫০ পূর্বাহ্ন
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার পাম বিচে একটি ছোট বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। এ ঘটনায় পাইলটসহ সবাই নিহত হয়েছেন। বিমানে আরোহী ছিলেন ৯ জন। বিধ্বস্তস্থলের পাশ দিয়ে যাওয়া একটি গাড়ির ড্যাশক্যামে বিমানটি মাটিতে আছড়ে পড়ার মুহূর্তটি ধরা পড়েছে।

স্থানীয় সময় রোববার (১ নভেম্বর) দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে ক্রেস্টহেভেন এলাকার কাছে বিমানাটি বিধ্বস্ত হয়।

এতে দেখা গেছে, বিমানটি মাটিতে অনেকটা মিসাইলের বেগে বিধ্বস্ত হচ্ছে। আর বিধ্বস্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরো বিমানটিকে আগুনের গোলা গ্রাস করে।

ভয়াবহ এ দুর্ঘটনায় কবলিত হওয়ার আগে পাইলট কন্ট্রোল টাওয়ারের সঙ্গে কথা বলেন। এতে ওঠে এসেছে বিমানটি কীভাবে বিধ্বস্ত হচ্ছিল।

জানা গেছে, বিমানটি ৩৫ হাজার ফুট উঁচু দিয়ে দিয়ে পূর্বাঞ্চলের দিকে যাচ্ছিল। ওই সময় পাইলট কন্ট্রোল টাওয়ারকে জানান বিমানটি তীব্র ঝাঁকুনির শিকার হয়েছে। এছাড়া বিমানে পাতলা বরফ জমে যাওয়া এবং শক্ত বরফ পড়ার কথাও জানান তিনি। আর বরফ জমা ঠেকাতে পাইলট বিমানটি আরও দুই হাজার ফুট উঁচুতে নেওয়ার অনুমতি চান।

এর ঠিক কয়েক মুহূর্ত পরই বিমানটি হঠাৎ করে খাড়াখাড়ি নিচে নামা শুরু করে। ওই সময় পাইলট ভীত হয়ে যান। তিনি ভয়ার্ত কণ্ঠে কন্ট্রোল টাওয়ারকে জানান, প্রতি মিনিটে তার বিমান ১০ হাজার ফুট নিচে নেমে আসছে। এরপর মিনিটে ২০ হাজার ও ৩০ হাজার ফুট নেমে যাওয়ার কথা বলেন তিনি। যা বিমানটির নিচে নামার নির্দিষ্ট গতির অনেক বাইরে ছিল।

ওই সময়ই পাইলট ‘মে ডে’ ঘোষণা করে বলেন তার বিমানটি বিধ্বস্ত হতে যাচ্ছে। এর ঠিক পরপরই অস্বাভাবিক গতিতে বিমানটি খাড়াখাটিভাবে আছড়ে পড়ে।

বিমানটি যে মহাসড়কে আছড়ে পড়েছে সেখান থেকে সামান্য দূরে বসতঘর অবস্থিত। যদি এটি বাড়িগুলোর ওপর পড়ত তাহলে হতাহতের সংখ্যা অনেক বেশি হতো। এছাড়া গাড়ির ওপর পড়েও আরও মানুষ প্রাণ হারাতে পারতেন।

বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন 
 

সম্পাদক ও প্রকাশক :

মোঃ কামাল হোসেন

অফিস :

অফিস : ৬/২২, ইস্টার্ণ প্লাাজা (৬ তলা), কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স, হাতিরপুল, ঢাকা।

ইমেইল :