মেট্রো রেলের বন্ধ থাকা তিনটি স্টেশন আবার চালু হয়েছে। ফলে মেট্রো রেলের সব স্টেশনে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
রবিবার (১ নভেম্বর) এমআরটি পুলিশ কন্ট্রোলরুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের কারণে রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী, মিরপুর-১১ ও মিরপুর-১০ স্টেশন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।
মাসিক ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে আজ সকাল নয়টার দিকে বিভিন্ন পোশাক কারখানার কয়েক’শ শ্রমিক রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ শুরু করেন। এতে মিরপুর এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
একপর্যায়ে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
পরে সকাল ১১টার দিকে মিরপুর-১০ এলাকায় বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিপেটা করে পুলিশ। এ সময় কাঁদানে গ্যাসের শেলও নিক্ষেপ করা হয়। অন্যদিকে শ্রমিকদের ইটপাটকেল ছুড়তে দেখা যায়।
প্রায় ৪০ মিনিট ধরে সংঘর্ষ চলার পর মিরপুর এলাকার নিয়ন্ত্রণ নেয় পুলিশ।
সংঘর্ষের পর নিরাপত্তার কারণে মেট্রো রেলের পল্লবী, মিরপুর-১১ ও মিরপুর-১০ স্টেশনের কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছিল। পরে স্টেশন তিনটি আবার চালু করা হয়।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
রবিবার (১ নভেম্বর) এমআরটি পুলিশ কন্ট্রোলরুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের কারণে রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী, মিরপুর-১১ ও মিরপুর-১০ স্টেশন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।
মাসিক ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে আজ সকাল নয়টার দিকে বিভিন্ন পোশাক কারখানার কয়েক’শ শ্রমিক রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ শুরু করেন। এতে মিরপুর এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
একপর্যায়ে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
পরে সকাল ১১টার দিকে মিরপুর-১০ এলাকায় বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিপেটা করে পুলিশ। এ সময় কাঁদানে গ্যাসের শেলও নিক্ষেপ করা হয়। অন্যদিকে শ্রমিকদের ইটপাটকেল ছুড়তে দেখা যায়।
প্রায় ৪০ মিনিট ধরে সংঘর্ষ চলার পর মিরপুর এলাকার নিয়ন্ত্রণ নেয় পুলিশ।
সংঘর্ষের পর নিরাপত্তার কারণে মেট্রো রেলের পল্লবী, মিরপুর-১১ ও মিরপুর-১০ স্টেশনের কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছিল। পরে স্টেশন তিনটি আবার চালু করা হয়।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন