এলপিজির চড়া দামে প্রশ্নের মুখে পাকিস্তানের ভোক্তা সুরক্ষা ব্যবস্থা

আপলোড সময় : ০১-১১-২০২৬ ১১:২২:৩৯ পূর্বাহ্ন , আপডেট সময় : ০১-১১-২০২৬ ১১:২২:৩৯ পূর্বাহ্ন
পাকিস্তানের করাচিতে এলপিজির বাজারদর সরকারি নির্ধারিত মূল্যের প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছেছে। এতে একদিকে যেমন সাধারণ মানুষের পারিবারিক ব্যয়ে চাপ বাড়ছে, অন্যদিকে প্রশ্ন উঠেছে ভোক্তা অধিকার সুরক্ষায় সরকারের কার্যকর ভূমিকা নিয়েও।

সরকারি মূল্যতালিকা থাকলেও বাজারে তার প্রতিফলন না থাকায় বাড়তি দামে জ্বালানি কিনতে বাধ্য হচ্ছেন ক্রেতারা।
এএনআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে করাচির বাজারে প্রতি কেজি এলপিজির দাম ৫০ রুপি বেড়ে ৫৫০ রুপিতে পৌঁছেছে। এই দাম সরকারিভাবে নির্ধারিত হারের প্রায় দ্বিগুণ। ফলে সরকারি নিয়মকানুন ও বাজারের বাস্তব পরিস্থিতির মধ্যে বড় ধরনের ব্যবধান তৈরি হয়েছে।
 
পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রাকৃতিক গ্যাসের সংযোগ নেই, এমন পরিবারগুলোর জন্য এলপিজি কেনার বিকল্পও সীমিত। তাই চড়া দাম সত্ত্বেও বাধ্য হয়ে গ্যাস কিনতে হচ্ছে তাদের। বাজার পর্যবেক্ষকদের মতে, ইরান থেকে এলপিজির সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে এবং কর্তৃপক্ষ কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করতে না পারলে পরিস্থিতির আরো অবনতি হতে পারে।

হঠাৎ এই মূল্যবৃদ্ধিতে সংকটে পড়েছেন খুচরা বিক্রেতারাও।

দোকানদারদের দাবি, পাইকারি পর্যায়ে দাম বেড়ে যাওয়া এবং অন্যান্য খরচ সামাল দিতে গিয়ে তাদের বিক্রি ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে। ফলে বিক্রেতা ও ক্রেতা—উভয় পক্ষই পড়েছেন চাপে।

জ্বালানির এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব শুধু গ্যাস কেনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকার আশঙ্কা নেই। বিশেষজ্ঞদের মতে, এলপিজির দাম বাড়লে পরিবহন ভাড়া, তন্দুর ও বেকারি পণ্যের উৎপাদন খরচও বাড়তে পারে। এতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে সাধারণ মানুষের ওপর আরো অর্থনৈতিক চাপ তৈরি হবে।

বাজার পর্যবেক্ষকদের আশঙ্কা, কার্যকর নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপের অভাবে বিপণন সংস্থাগুলো অতিরিক্ত দাম নেওয়ার সুযোগ পেতে পারে। এতে ভোক্তা অধিকার আরো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন 
 

সম্পাদক ও প্রকাশক :

মোঃ কামাল হোসেন

অফিস :

অফিস : ৬/২২, ইস্টার্ণ প্লাাজা (৬ তলা), কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স, হাতিরপুল, ঢাকা।

ইমেইল :