জুলাই সনদের ভিত্তিতে গণভোটের রায় মেনে সংবিধান সংস্কার না করলে জনগণ সরকারকে চিরবিদায় দিয়ে দেবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার নাওডোবা এলাকায় পদ্মা সেতু এক্সপ্রেসওয়েতে ১১ দলীয় জোটের পথসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।
তিনি বলেন, জুলাই সনদের ভিত্তিতে গণভোট হবে। জনগণ যে রায় দেবে, সেই রায় মেনে সংবিধান সংস্কার করতে হবে। জনগণের রায় উপেক্ষা করে সংবিধান সংস্কার না করলে এই জনগণই সরকারকে চিরবিদায় দিয়ে দেবে।
গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সারের সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ এবং দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারি বন্ধের দাবিতে এ পথসভার আয়োজন করা হয়।
পথসভাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই নাওডোবা এলাকায় ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা জড়ো হতে থাকেন। পরে সেখানে বক্তব্য দেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ জোটের অন্য নেতারা।
সংক্ষিপ্ত বক্তব্য শেষে ১১ দলীয় জোটের নেতারা খুলনার উদ্দেশে রওনা হন।
উল্লেখ্য, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নসহ সাত দফা দাবি আদায়ে শনিবার সকাল ৭টায় ঢাকা থেকে কুষ্টিয়ামুখী লংমার্চ শুরু করেছে ১১ দলীয় ঐক্য। রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে উদ্বোধনী সমাবেশের মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচি শুরু হয়। সমাবেশ শেষে সকাল ৮টার দিকে লংমার্চের বহর খুলনা-ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া অভিমুখে যাত্রা করে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার নাওডোবা এলাকায় পদ্মা সেতু এক্সপ্রেসওয়েতে ১১ দলীয় জোটের পথসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।
তিনি বলেন, জুলাই সনদের ভিত্তিতে গণভোট হবে। জনগণ যে রায় দেবে, সেই রায় মেনে সংবিধান সংস্কার করতে হবে। জনগণের রায় উপেক্ষা করে সংবিধান সংস্কার না করলে এই জনগণই সরকারকে চিরবিদায় দিয়ে দেবে।
গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সারের সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ এবং দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারি বন্ধের দাবিতে এ পথসভার আয়োজন করা হয়।
পথসভাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই নাওডোবা এলাকায় ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা জড়ো হতে থাকেন। পরে সেখানে বক্তব্য দেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ জোটের অন্য নেতারা।
সংক্ষিপ্ত বক্তব্য শেষে ১১ দলীয় জোটের নেতারা খুলনার উদ্দেশে রওনা হন।
উল্লেখ্য, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নসহ সাত দফা দাবি আদায়ে শনিবার সকাল ৭টায় ঢাকা থেকে কুষ্টিয়ামুখী লংমার্চ শুরু করেছে ১১ দলীয় ঐক্য। রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে উদ্বোধনী সমাবেশের মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচি শুরু হয়। সমাবেশ শেষে সকাল ৮টার দিকে লংমার্চের বহর খুলনা-ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া অভিমুখে যাত্রা করে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন