প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফর কার্যকর ও ফলপ্রসূ হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি। হুমায়ুনি কবির বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও জাপান সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।
এর আগে তিনি বলেছিলেন-পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তার সফরের দ্বিতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার অত্যন্ত ব্যস্ততার মধ্য দিয়ে কাটিয়েছেন। এদিন জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে দেশটির প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দ্বিপক্ষীয় আনুষ্ঠানিক সামিট বৈঠক, গার্ড অব অনার গ্রহণ, যৌথ প্রেস ব্রিফিং এবং মধ্যাহ্নভোজসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি সম্পন্ন হয়েছে।
সামিট বৈঠকের প্রধান অর্জন ও আলোচনা তুলে ধরে হুমায়ূন কবির বলেন, জাপানের প্রাইভেট সেক্টর থেকে বাংলাদেশে প্রায় ৬.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে, যার মাধ্যমে প্রায় ২ লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি তথা বাংলাদেশ-জাপান ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট (ইপিএ) দ্রুত বাস্তবায়ন ও কার্যকর করার বিষয়ে দুই শীর্ষ নেতা একমত হয়েছেন।
তিনি বলেন, কোভিড মহামারি ও বৈশ্বিক সংকটের নেতিবাচক প্রভাব এবং বিগত সরকারের ১৫ বছরের দুর্নীতির বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশ এলডিসি (স্বল্পোন্নত দেশ) থেকে উত্তরণের ক্ষেত্রে ৩ বছরের অতিরিক্ত সময়সীমা বা এক্সটেনশন চেয়েছে, যা জাপান সরকার ইতিবাচকভাবে অনুধাবন করছে।
তিনি আরও বলেন, জাপানি অর্থায়নে অবকাঠামো উন্নয়ন, বিশেষ করে এনার্জি বা জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি সিটি (টেক সিটি) গড়ে তোলা এবং এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবস্থাপনার মতো প্রকল্পগুলোতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে যৌথ মিনিস্ট্রিয়াল কমিটি ও নিয়মিত প্রোগ্রেস রিভিউ মেকানিজম চালুর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
এর আগে তিনি বলেছিলেন-পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তার সফরের দ্বিতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার অত্যন্ত ব্যস্ততার মধ্য দিয়ে কাটিয়েছেন। এদিন জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে দেশটির প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দ্বিপক্ষীয় আনুষ্ঠানিক সামিট বৈঠক, গার্ড অব অনার গ্রহণ, যৌথ প্রেস ব্রিফিং এবং মধ্যাহ্নভোজসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি সম্পন্ন হয়েছে।
সামিট বৈঠকের প্রধান অর্জন ও আলোচনা তুলে ধরে হুমায়ূন কবির বলেন, জাপানের প্রাইভেট সেক্টর থেকে বাংলাদেশে প্রায় ৬.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে, যার মাধ্যমে প্রায় ২ লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি তথা বাংলাদেশ-জাপান ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট (ইপিএ) দ্রুত বাস্তবায়ন ও কার্যকর করার বিষয়ে দুই শীর্ষ নেতা একমত হয়েছেন।
তিনি বলেন, কোভিড মহামারি ও বৈশ্বিক সংকটের নেতিবাচক প্রভাব এবং বিগত সরকারের ১৫ বছরের দুর্নীতির বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশ এলডিসি (স্বল্পোন্নত দেশ) থেকে উত্তরণের ক্ষেত্রে ৩ বছরের অতিরিক্ত সময়সীমা বা এক্সটেনশন চেয়েছে, যা জাপান সরকার ইতিবাচকভাবে অনুধাবন করছে।
তিনি আরও বলেন, জাপানি অর্থায়নে অবকাঠামো উন্নয়ন, বিশেষ করে এনার্জি বা জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি সিটি (টেক সিটি) গড়ে তোলা এবং এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবস্থাপনার মতো প্রকল্পগুলোতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে যৌথ মিনিস্ট্রিয়াল কমিটি ও নিয়মিত প্রোগ্রেস রিভিউ মেকানিজম চালুর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন