বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা কে এম তাহসিফ সাউরির (২৮) মরদেহ তুরাগ নদ থেকে উদ্ধারের ঘটনায় এখনো কোনো মামলা করেনি তার পরিবার। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ মামলা না করলে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করবে বলে জানিয়েছেন নৌ পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মো. রেজাউল করিম। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকালে চ্যানেল 24-কে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি।
নৌ পুলিশ প্রধান জানান, এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের বিষয়টি এখনো প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তবে পরিবার মামলা না করলে মামলা দায়ের করবে পুলিশ।
এর আগে সকালে টঙ্গীর মাজার বস্তি এলাকা থেকে একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া মোটরসাইকেলটি বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা কে এম তাহসিফ সাউরির (২৮) কি না, তা যাচাই-বাছাই করছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) সদর দপ্তর।
গত মঙ্গলবার রাত থেকে নিখোঁজ ছিলেন তাহসিফ সাউরি। পরদিন বুধবার জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বর থেকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় নৌ-পুলিশ। এরপর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উত্তরখানে তুরাগ নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, তাহসিফের পরনে সাদা পাজামা ও কালো জামা ছিল। তার হাতে একটি ঘড়ি এবং পকেটে একটি আইফোন পাওয়া যায়। ওই ফোনের মাধ্যমে তার পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
তাহসিফের বাবা জানান, গত ২৭ অক্টোবর সারাদিন পরিবারের সদস্যদের জন্য শপিং করেছিলেন তাহসিফ। সন্ধ্যার পর দ্বীপ নামের এক জুনিয়রের ডাকে বাসা থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি তিনি।
অপরদিকে তাহসিফ সাউরির মৃত্যুর আগে তার গতিবিধি নিয়ে একটি সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে এসেছে। ফুটেজে দেখা যায়, বন্ধু দ্বীপের সঙ্গে হাত মেলান তাহসিফ। এরপর আলাদা মোটরসাইকেলে বাসা থেকে বের হন তারা দুইজন। তার মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে নানা প্রশ্নের মধ্যে ফুটেজটি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
নৌ পুলিশ প্রধান জানান, এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের বিষয়টি এখনো প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তবে পরিবার মামলা না করলে মামলা দায়ের করবে পুলিশ।
এর আগে সকালে টঙ্গীর মাজার বস্তি এলাকা থেকে একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া মোটরসাইকেলটি বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা কে এম তাহসিফ সাউরির (২৮) কি না, তা যাচাই-বাছাই করছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) সদর দপ্তর।
গত মঙ্গলবার রাত থেকে নিখোঁজ ছিলেন তাহসিফ সাউরি। পরদিন বুধবার জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বর থেকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় নৌ-পুলিশ। এরপর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উত্তরখানে তুরাগ নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, তাহসিফের পরনে সাদা পাজামা ও কালো জামা ছিল। তার হাতে একটি ঘড়ি এবং পকেটে একটি আইফোন পাওয়া যায়। ওই ফোনের মাধ্যমে তার পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
তাহসিফের বাবা জানান, গত ২৭ অক্টোবর সারাদিন পরিবারের সদস্যদের জন্য শপিং করেছিলেন তাহসিফ। সন্ধ্যার পর দ্বীপ নামের এক জুনিয়রের ডাকে বাসা থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি তিনি।
অপরদিকে তাহসিফ সাউরির মৃত্যুর আগে তার গতিবিধি নিয়ে একটি সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে এসেছে। ফুটেজে দেখা যায়, বন্ধু দ্বীপের সঙ্গে হাত মেলান তাহসিফ। এরপর আলাদা মোটরসাইকেলে বাসা থেকে বের হন তারা দুইজন। তার মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে নানা প্রশ্নের মধ্যে ফুটেজটি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন