রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) গবেষণা মাঠে (পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠ) সচিবালয় নির্মাণের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে টানা তৃতীয় দিনের মতো সড়ক অবরোধ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে চীন-মৈত্রী সিগন্যালে অবস্থান নিয়ে তারা এ কর্মসূচি পালন করেন। গবেষণা মাঠ রক্ষা ও সেখানে সচিবালয় নির্মাণের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে এ আন্দোলন করছেন তারা।
প্রায় ১৫ মিনিট সড়ক অবরোধের পর শিক্ষার্থীরা পাশের গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ের সামনে গিয়ে বিক্ষোভ করেন। এ সময় ‘গবেষণায় গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’, ‘কথায় কথায় ঢাকা ছাড়, ঢাকা কি তোর বাপ-দাদার’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন তাঁরা। পরে বিক্ষোভ শেষে ক্যাম্পাসে ফিরে যান শিক্ষার্থীরা।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী মো. আব্দুল নূর বলেন, আজ এখানে সচিবালয় হওয়া মানে পাঁচ বছর পর শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজার উচ্ছেদ হওয়া। পরবর্তী কোনো সরকার এসে হয়তো জিয়া উদ্যান থেকেও কিছু জমি নিতে চাইবে সচিবালয়ের বিস্তৃতি ঘটানোর জন্য। সে ক্ষেত্রে জিয়া উদ্যানও হুমকির মুখে পড়তে পারে। তাই সবচেয়ে ভালো হয় এখানে সচিবালয় নির্মাণ না করা।
শিক্ষার্থীদের দাবি, গবেষণা মাঠটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কৃষি গবেষণার জন্য ব্যবহৃত এ মাঠে সচিবালয় নির্মাণ করা হলে গবেষণার পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। পাশাপাশি রাজধানীর পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার বিষয়টিও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা তাঁদের।
তারা আরও বলেন, কৃষি গবেষণার জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই মাঠের পরিবর্তে সচিবালয় নির্মাণের জন্য বিকল্প স্থান বিবেচনা করা উচিত। মাঠের সুরক্ষা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথাও জানান তারা।
এর আগে একই দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন শেকৃবি শিক্ষার্থীরা। গবেষণা মাঠ রক্ষায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে চীন-মৈত্রী সিগন্যালে অবস্থান নিয়ে তারা এ কর্মসূচি পালন করেন। গবেষণা মাঠ রক্ষা ও সেখানে সচিবালয় নির্মাণের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে এ আন্দোলন করছেন তারা।
প্রায় ১৫ মিনিট সড়ক অবরোধের পর শিক্ষার্থীরা পাশের গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ের সামনে গিয়ে বিক্ষোভ করেন। এ সময় ‘গবেষণায় গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’, ‘কথায় কথায় ঢাকা ছাড়, ঢাকা কি তোর বাপ-দাদার’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন তাঁরা। পরে বিক্ষোভ শেষে ক্যাম্পাসে ফিরে যান শিক্ষার্থীরা।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী মো. আব্দুল নূর বলেন, আজ এখানে সচিবালয় হওয়া মানে পাঁচ বছর পর শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজার উচ্ছেদ হওয়া। পরবর্তী কোনো সরকার এসে হয়তো জিয়া উদ্যান থেকেও কিছু জমি নিতে চাইবে সচিবালয়ের বিস্তৃতি ঘটানোর জন্য। সে ক্ষেত্রে জিয়া উদ্যানও হুমকির মুখে পড়তে পারে। তাই সবচেয়ে ভালো হয় এখানে সচিবালয় নির্মাণ না করা।
শিক্ষার্থীদের দাবি, গবেষণা মাঠটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কৃষি গবেষণার জন্য ব্যবহৃত এ মাঠে সচিবালয় নির্মাণ করা হলে গবেষণার পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। পাশাপাশি রাজধানীর পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার বিষয়টিও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা তাঁদের।
তারা আরও বলেন, কৃষি গবেষণার জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই মাঠের পরিবর্তে সচিবালয় নির্মাণের জন্য বিকল্প স্থান বিবেচনা করা উচিত। মাঠের সুরক্ষা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথাও জানান তারা।
এর আগে একই দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন শেকৃবি শিক্ষার্থীরা। গবেষণা মাঠ রক্ষায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে