মিরপুর টেস্টে সাদমান ইসলামের দুর্দান্ত সেঞ্চুরির পরও বড় সংগ্রহ গড়তে পারল না বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্পিনার জোমেল ওয়ারিক্যানের ঘূর্ণিতে এক সেশনেই শেষ ৭ উইকেট হারিয়ে প্রথম ইনিংসে ২৭২ রানে অলআউট হয়েছে স্বাগতিকরা।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করেছিল আগের দিনের ৩ উইকেটে ২১৩ রান নিয়ে। দিনের শুরুতে বড় সংগ্রহের আশা জাগালেও শেষ পর্যন্ত সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। লাঞ্চের আগেই গুটিয়ে যায় দলের প্রথম ইনিংস।
এক প্রান্তে উইকেট আগলে রেখে ৮৮ বলে চারটি চারের সাহায্যে ৩৪ রানে অপরাজিত থাকেন লিটন দাস। তবে অন্য প্রান্তে একের পর এক ব্যাটার ফিরে যাওয়ায় বড় সংগ্রহের স্বপ্ন ভেঙে যায় বাংলাদেশের।
দিনের শুরুতে সেঞ্চুরি পূর্ণ করা সাদমান ইসলাম ১০৫ রান করে সাজঘরে ফেরেন। তাঁর বিদায়ের পর ব্যাটিংয়ে ধস নামে। তাওহীদ হৃদয় করেন ৪২ রান। মেহেদী হাসান মিরাজের ব্যাট থেকে আসে ১৫ রান। নাঈম হাসান করেন ৫ এবং হাসান মাহমুদ করেন ৬ রান।
ইনিংসের শেষদিকে পরপর দুই বলে তাইজুল ইসলাম ও শরিফুল ইসলামকে ফিরিয়ে বাংলাদেশের ইনিংস গুটিয়ে দেন ওয়ারিক্যান। অফ স্টাম্পের বাইরের বল খেলতে গিয়ে ব্যাটের কানায় লাগিয়ে আমির জাঙ্গুর হাতে ক্যাচ দেন তাইজুল। ৪ বলে ১ রান করে ফেরেন তিনি। পরের বলেই এলবিডব্লিউ হয়ে গোল্ডেন ডাকের তেতো স্বাদ পান শরিফুল। রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি তিনি।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ওয়ারিক্যান। ৫৩ রান খরচায় পাঁচটি উইকেট নেন তিনি। কেমার রোচের পরিবর্তে একাদশে থাকা অন্য বোলারদের মধ্যে আলজারি জোসেফ দুটি এবং জেডেন সিলস একটি উইকেট নেন।
সাদমানের সেঞ্চুরিতে ভালো অবস্থানে থেকেও শেষ পর্যন্ত ৩০০ রানের গণ্ডি পেরোতে না পারা বাংলাদেশের জন্য বড় হতাশার। এখন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিংয়ের বিপক্ষে বোলারদের পারফরম্যান্সের ওপর নির্ভর করবে ম্যাচে স্বাগতিকদের অবস্থান।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করেছিল আগের দিনের ৩ উইকেটে ২১৩ রান নিয়ে। দিনের শুরুতে বড় সংগ্রহের আশা জাগালেও শেষ পর্যন্ত সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। লাঞ্চের আগেই গুটিয়ে যায় দলের প্রথম ইনিংস।
এক প্রান্তে উইকেট আগলে রেখে ৮৮ বলে চারটি চারের সাহায্যে ৩৪ রানে অপরাজিত থাকেন লিটন দাস। তবে অন্য প্রান্তে একের পর এক ব্যাটার ফিরে যাওয়ায় বড় সংগ্রহের স্বপ্ন ভেঙে যায় বাংলাদেশের।
দিনের শুরুতে সেঞ্চুরি পূর্ণ করা সাদমান ইসলাম ১০৫ রান করে সাজঘরে ফেরেন। তাঁর বিদায়ের পর ব্যাটিংয়ে ধস নামে। তাওহীদ হৃদয় করেন ৪২ রান। মেহেদী হাসান মিরাজের ব্যাট থেকে আসে ১৫ রান। নাঈম হাসান করেন ৫ এবং হাসান মাহমুদ করেন ৬ রান।
ইনিংসের শেষদিকে পরপর দুই বলে তাইজুল ইসলাম ও শরিফুল ইসলামকে ফিরিয়ে বাংলাদেশের ইনিংস গুটিয়ে দেন ওয়ারিক্যান। অফ স্টাম্পের বাইরের বল খেলতে গিয়ে ব্যাটের কানায় লাগিয়ে আমির জাঙ্গুর হাতে ক্যাচ দেন তাইজুল। ৪ বলে ১ রান করে ফেরেন তিনি। পরের বলেই এলবিডব্লিউ হয়ে গোল্ডেন ডাকের তেতো স্বাদ পান শরিফুল। রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি তিনি।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ওয়ারিক্যান। ৫৩ রান খরচায় পাঁচটি উইকেট নেন তিনি। কেমার রোচের পরিবর্তে একাদশে থাকা অন্য বোলারদের মধ্যে আলজারি জোসেফ দুটি এবং জেডেন সিলস একটি উইকেট নেন।
সাদমানের সেঞ্চুরিতে ভালো অবস্থানে থেকেও শেষ পর্যন্ত ৩০০ রানের গণ্ডি পেরোতে না পারা বাংলাদেশের জন্য বড় হতাশার। এখন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিংয়ের বিপক্ষে বোলারদের পারফরম্যান্সের ওপর নির্ভর করবে ম্যাচে স্বাগতিকদের অবস্থান।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে