ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেছেন, ‘আজ শুধু ফুটপাত উচ্ছেদের অভিযান নয়। আমি বারবার বলেছি, ঢাকা শহরের যেসব জায়গায় এ ধরনের জঞ্জাল রয়েছে এবং যেগুলো আমার প্রিয় নগরবাসীর হাঁটাচলায় বাধা সৃষ্টি করছে, প্রতিটি জায়গায় উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে। প্রতিটি জায়গার ফুটপাত দখলমুক্ত করা হবে।’
বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাজধানীর মিরপুর ১ নম্বর এলাকার ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানে এসে তিনি এসব কথা বলেন।
শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেন, ‘ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হিসেবে আমার কাছে মনে হয়েছে, জনগণের হাঁটাচলার রাস্তা তাদের বুঝিয়ে দেওয়া আমার নৈতিক দায়িত্ব। আমরা যেখানে দাঁড়িয়ে কথা বলছি, এর আশপাশে অনেকগুলো মার্কেট রয়েছে। এসব মার্কেটের অনেক কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ জনগণ ব্যক্তিগতভাবে আমাকে এ বিষয়ে বহুবার অভিযোগ করেছেন।’
ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ‘আমি সকাল ১১টায় অভিযান শুরু করেছি, এখন বাজে সাড়ে ১২টা। অভিযান এখনও চলমান রয়েছে। আমরা রাস্তায় নামার পর এ এলাকার সাধারণ মানুষ, মার্কেট কমিটির কর্মকর্তা এবং অনেক দোকানি ভাই আমাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। আমি বারবার বলেছি, যত দিন দায়িত্ব পালন করবো, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ক্লিন ঢাকা, গ্রিন ঢাকা নির্মাণের অঙ্গীকার নিয়ে কাজ করবো। আমি ঢাকা শহরকে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ করতে চাই।’
তিনি বলেন, ‘এখানে আমাদের অনেক স্থানীয় নেতৃবৃন্দ সহযোগিতা করছেন। সাধারণ মানুষও আছেন, যারা উচ্ছেদের পর বিষয়টি তদারকি করবেন। পুলিশের ডিসি সাহেব নিজে উপস্থিত আছেন। তার পুলিশ সদস্যরা বিষয়টি তদারকি করবেন। কেউ আবার বসার চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাজধানীর মিরপুর ১ নম্বর এলাকার ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানে এসে তিনি এসব কথা বলেন।
শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেন, ‘ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হিসেবে আমার কাছে মনে হয়েছে, জনগণের হাঁটাচলার রাস্তা তাদের বুঝিয়ে দেওয়া আমার নৈতিক দায়িত্ব। আমরা যেখানে দাঁড়িয়ে কথা বলছি, এর আশপাশে অনেকগুলো মার্কেট রয়েছে। এসব মার্কেটের অনেক কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ জনগণ ব্যক্তিগতভাবে আমাকে এ বিষয়ে বহুবার অভিযোগ করেছেন।’
ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ‘আমি সকাল ১১টায় অভিযান শুরু করেছি, এখন বাজে সাড়ে ১২টা। অভিযান এখনও চলমান রয়েছে। আমরা রাস্তায় নামার পর এ এলাকার সাধারণ মানুষ, মার্কেট কমিটির কর্মকর্তা এবং অনেক দোকানি ভাই আমাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। আমি বারবার বলেছি, যত দিন দায়িত্ব পালন করবো, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ক্লিন ঢাকা, গ্রিন ঢাকা নির্মাণের অঙ্গীকার নিয়ে কাজ করবো। আমি ঢাকা শহরকে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ করতে চাই।’
তিনি বলেন, ‘এখানে আমাদের অনেক স্থানীয় নেতৃবৃন্দ সহযোগিতা করছেন। সাধারণ মানুষও আছেন, যারা উচ্ছেদের পর বিষয়টি তদারকি করবেন। পুলিশের ডিসি সাহেব নিজে উপস্থিত আছেন। তার পুলিশ সদস্যরা বিষয়টি তদারকি করবেন। কেউ আবার বসার চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে