রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ডাম্প ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহী বাসের ভয়াবহ ধাক্কায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে চারজনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় নারীসহ অন্তত ১৪ জন বাসযাত্রী আহত হয়েছেন।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) ভোর ৬টার দিকে উপজেলার বৈরাগীগঞ্জ এলাকায় শাহ আমানত পেট্রোল পাম্পের কাছে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বুধবার ফজরের নামাজের পর মহাসড়কের পাশে মাজার মসজিদের সামনে মাটিবোঝাই একটি ডাম্প ট্রাক দাঁড়িয়ে ছিল। এ সময় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীগামী ‘খান এন্টারপ্রাইজ’-এর একটি দ্রুতগতির বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাকটির পেছনে সজোরে ধাক্কা দেয়।
এতে ঘটনাস্থলেই বাসের এক যাত্রীর মৃত্যু হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও তিনজনের মৃত্যু হয়।
নিহতদের মধ্যে তিনজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। তাঁরা হলেন, কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার মোজাফফর রহমান (৩৫) ও গোলাপী বেগম (৪৮) এবং উলিপুর উপজেলার বাসিন্দা বাসের সহকারী আপেল মাহমুদ (২৫)। নিহত অপর এক ব্যক্তির পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি।
বড়দরগাহ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোয়াজ্জেম উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আহতদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিবিড়ভাবে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। তবে আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে
বুধবার (২৮ অক্টোবর) ভোর ৬টার দিকে উপজেলার বৈরাগীগঞ্জ এলাকায় শাহ আমানত পেট্রোল পাম্পের কাছে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বুধবার ফজরের নামাজের পর মহাসড়কের পাশে মাজার মসজিদের সামনে মাটিবোঝাই একটি ডাম্প ট্রাক দাঁড়িয়ে ছিল। এ সময় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীগামী ‘খান এন্টারপ্রাইজ’-এর একটি দ্রুতগতির বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাকটির পেছনে সজোরে ধাক্কা দেয়।
এতে ঘটনাস্থলেই বাসের এক যাত্রীর মৃত্যু হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও তিনজনের মৃত্যু হয়।
নিহতদের মধ্যে তিনজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। তাঁরা হলেন, কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার মোজাফফর রহমান (৩৫) ও গোলাপী বেগম (৪৮) এবং উলিপুর উপজেলার বাসিন্দা বাসের সহকারী আপেল মাহমুদ (২৫)। নিহত অপর এক ব্যক্তির পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি।
বড়দরগাহ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোয়াজ্জেম উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আহতদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিবিড়ভাবে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। তবে আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে