টঙ্গীতে মাদরাসার এক শিশু শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগের ঘটনায় আলোচনায় আসা শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমি দেশেই রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে মারধর, হত্যাচেষ্টা ও চুরির অভিযোগে করা মামলায় হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রুমির আইনজীবী এইচ. এম. রুহুল আমীন মোল্লা (হাসান) বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, আইনি সহায়তা নিতে সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাতে রুমি তাঁর চেম্বারে দীর্ঘ সময় অবস্থান করেন। রুমির বিরুদ্ধে টঙ্গী পশ্চিম থানায় একটি মামলা হয়েছে। ওই মামলায় আগাম জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়েছে। তবে আবেদনের শুনানির দিন এখনো নির্ধারিত হয়নি।
গত ২১ অক্টোবর টঙ্গীর আউচপাড়া এলাকার ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল ক্যাডেট মাদরাসায় সাত বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় মাদরাসার শিক্ষক মো. মোসলেম উদ্দিনকে মারধর করেন শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমি।
পরে অভিযুক্ত শিক্ষককে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। শিক্ষককে মারধরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। ঘটনার পর শাহজালাল রুমি যৌন নিপীড়নের অভিযোগে টঙ্গী পশ্চিম থানায় একটি মামলা করেন।
এরপর মাদরাসার অধ্যক্ষের পক্ষ থেকে রুমির বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করা হয়। ওই মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে ১৭ লাখ টাকা চুরি, মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ আনা হয়।
পাল্টা মামলা হওয়ার পর থেকে শাহজালাল রুমি আড়ালে চলে যান। সোমবার রাতে সাংবাদিকদের কাছে তিনি দাবি করেন, ‘আমি এই দেশে আর নেই। এগুলো নিয়ে আর ভাবছি না, যা হয় হোক, আপনারা ভালো থাকেন।’ তবে তাঁর আইনজীবী জানিয়েছেন, রুমি দেশেই আছেন এবং আগাম জামিনের আবেদন করেছেন।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রুমির আইনজীবী এইচ. এম. রুহুল আমীন মোল্লা (হাসান) বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, আইনি সহায়তা নিতে সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাতে রুমি তাঁর চেম্বারে দীর্ঘ সময় অবস্থান করেন। রুমির বিরুদ্ধে টঙ্গী পশ্চিম থানায় একটি মামলা হয়েছে। ওই মামলায় আগাম জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়েছে। তবে আবেদনের শুনানির দিন এখনো নির্ধারিত হয়নি।
গত ২১ অক্টোবর টঙ্গীর আউচপাড়া এলাকার ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল ক্যাডেট মাদরাসায় সাত বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় মাদরাসার শিক্ষক মো. মোসলেম উদ্দিনকে মারধর করেন শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমি।
পরে অভিযুক্ত শিক্ষককে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। শিক্ষককে মারধরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। ঘটনার পর শাহজালাল রুমি যৌন নিপীড়নের অভিযোগে টঙ্গী পশ্চিম থানায় একটি মামলা করেন।
এরপর মাদরাসার অধ্যক্ষের পক্ষ থেকে রুমির বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করা হয়। ওই মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে ১৭ লাখ টাকা চুরি, মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ আনা হয়।
পাল্টা মামলা হওয়ার পর থেকে শাহজালাল রুমি আড়ালে চলে যান। সোমবার রাতে সাংবাদিকদের কাছে তিনি দাবি করেন, ‘আমি এই দেশে আর নেই। এগুলো নিয়ে আর ভাবছি না, যা হয় হোক, আপনারা ভালো থাকেন।’ তবে তাঁর আইনজীবী জানিয়েছেন, রুমি দেশেই আছেন এবং আগাম জামিনের আবেদন করেছেন।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে