দেশের ভূ-স্বর্গ হিসেবে পরিচিত পর্যটনকেন্দ্র সাজেকে এখনও কাটেনি সংকট। টানা তিন দিন ধরে অবরুদ্ধ রয়েছে পর্যটনকেন্দ্রটি। এর মধ্যে পাঁচ দফা দাবিতে আধাবেলা অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছে ইউপিডিএফ সমর্থিত ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদ। কর্মসূচির কারণে খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি জেলায় সড়ক ও নৌ যোগাযোগ বন্ধ ছিল। অবরোধ চলাকালে খাগড়াছড়ির মাটিরাঙায় সড়কে প্রকাশ্যে অস্ত্র হাতে মহড়া দিতে দেখা গেছে সন্ত্রাসীদের।
এ ছাড়া কয়েকটি স্থানে গাছ ফেলে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা চালায় অবরোধকারীরা। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় তা ব্যর্থ হয়। এদিকে, অবরোধের কারণে যান চলাচল সীমিত হয়ে পড়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকেরা। সংকট নিরসনে বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে আলোচনা চালানোর চেষ্টা চলছে।
আধাবেলা অবরোধ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটির বিভিন্ন এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। কর্মসূচির সমর্থনে সড়কে পিকেটিং করেন আন্দোলনকারীরা। অবরোধ চলাকালে মাটিরাঙায় সড়কে অস্ত্র হাতে একদল ব্যক্তিকে মহড়া দিতে দেখা যায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, অস্ত্রধারীরা সবাই ইউপিডিএফের সদস্য। এ ছাড়া সাত থেকে আটটি স্থানে সড়কে গাছ ফেলে যান চলাচল বন্ধ করার চেষ্টা চালানো হয়। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় এসব চেষ্টা সফল হয়নি।
এ বিষয়ে খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কায় কিসলু বলেন, এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলার খবর পাওয়া যায়নি। সদর এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশের টহল অব্যাহত রয়েছে।
অবরোধের কারণে দুই জেলায় সড়কে যান চলাচল ছিল সীমিত। খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি থেকে দূরপাল্লার কোনো গাড়ি ছেড়ে যায়নি। এতে যাতায়াতে ভোগান্তিতে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। একই সঙ্গে বিপাকে পড়েন পর্যটকেরাও।
পাঁচ দফা দাবিতে আধাবেলা অবরোধের ডাক দেয় ইউপিডিএফ সমর্থিত ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদ। সংগঠনটির দাবি, লাঠিপেটা, গুলিবর্ষণ, দোকানপাট ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনার প্রতিবাদে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি উষাতন চাকমা বলেন, এসব ঘটনার প্রতিবাদেই আধাবেলা অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
তবে ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদের কর্মসূচির বিরোধিতা করেছে জনসংহতি সমিতি (জেএসএস)। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির তথ্য ও প্রচার সম্পাদক সজীব চাকমা বলেন, এ কর্মসূচির কোনো ভিত্তি নেই। এটি সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ষড়যন্ত্রমূলক।
অন্যদিকে, অনির্দিষ্টকালের অবরোধের কারণে কার্যত বন্ধ রয়েছে সাজেক পর্যটনকেন্দ্র। এতে পর্যটননির্ভর ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সংকট নিরসনে বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আলোচনা চালানোর চেষ্টা করছেন ব্যবসায়ী ও পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তাদের প্রত্যাশা, আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতির সমাধান হবে এবং পর্যটনকেন্দ্রটির কার্যক্রম স্বাভাবিক হবে।
খাগড়াছড়ির ব্যবসায়ী নেতা জাহেদুল আলম বলেন, আলোচনা চলতে পারে, তবে ব্যবসা বন্ধ করে দেয়া উচিত নয়। অবরোধের কারণে সাজেকের পর্যটন ব্যবসা যেন বন্ধ হয়ে না যায়, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেন তিনি।
একইভাবে সংকট সমাধানে আলোচনার উদ্যোগ নেয়ার কথা জানিয়েছেন ই-ট্যুরিজম অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য উজ্জল দেব। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট পক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বসার চেষ্টা করছেন তারা। আশা করছেন, তাদের প্রস্তাব গ্রহণ করে সংশ্লিষ্টরা সঠিক ও যৌক্তিক আলোচনায় অংশ নেবেন।
সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য অনুযায়ী, সাজেকে ইউপিডিএফ ও জেএসএসের আধিপত্য বিস্তারের লড়াইকে কেন্দ্র করেই মূলত এ সংকটের সৃষ্টি হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
এ ছাড়া কয়েকটি স্থানে গাছ ফেলে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা চালায় অবরোধকারীরা। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় তা ব্যর্থ হয়। এদিকে, অবরোধের কারণে যান চলাচল সীমিত হয়ে পড়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকেরা। সংকট নিরসনে বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে আলোচনা চালানোর চেষ্টা চলছে।
আধাবেলা অবরোধ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটির বিভিন্ন এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। কর্মসূচির সমর্থনে সড়কে পিকেটিং করেন আন্দোলনকারীরা। অবরোধ চলাকালে মাটিরাঙায় সড়কে অস্ত্র হাতে একদল ব্যক্তিকে মহড়া দিতে দেখা যায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, অস্ত্রধারীরা সবাই ইউপিডিএফের সদস্য। এ ছাড়া সাত থেকে আটটি স্থানে সড়কে গাছ ফেলে যান চলাচল বন্ধ করার চেষ্টা চালানো হয়। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় এসব চেষ্টা সফল হয়নি।
এ বিষয়ে খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কায় কিসলু বলেন, এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলার খবর পাওয়া যায়নি। সদর এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশের টহল অব্যাহত রয়েছে।
অবরোধের কারণে দুই জেলায় সড়কে যান চলাচল ছিল সীমিত। খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি থেকে দূরপাল্লার কোনো গাড়ি ছেড়ে যায়নি। এতে যাতায়াতে ভোগান্তিতে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। একই সঙ্গে বিপাকে পড়েন পর্যটকেরাও।
পাঁচ দফা দাবিতে আধাবেলা অবরোধের ডাক দেয় ইউপিডিএফ সমর্থিত ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদ। সংগঠনটির দাবি, লাঠিপেটা, গুলিবর্ষণ, দোকানপাট ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনার প্রতিবাদে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি উষাতন চাকমা বলেন, এসব ঘটনার প্রতিবাদেই আধাবেলা অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
তবে ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদের কর্মসূচির বিরোধিতা করেছে জনসংহতি সমিতি (জেএসএস)। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির তথ্য ও প্রচার সম্পাদক সজীব চাকমা বলেন, এ কর্মসূচির কোনো ভিত্তি নেই। এটি সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ষড়যন্ত্রমূলক।
অন্যদিকে, অনির্দিষ্টকালের অবরোধের কারণে কার্যত বন্ধ রয়েছে সাজেক পর্যটনকেন্দ্র। এতে পর্যটননির্ভর ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সংকট নিরসনে বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আলোচনা চালানোর চেষ্টা করছেন ব্যবসায়ী ও পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তাদের প্রত্যাশা, আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতির সমাধান হবে এবং পর্যটনকেন্দ্রটির কার্যক্রম স্বাভাবিক হবে।
খাগড়াছড়ির ব্যবসায়ী নেতা জাহেদুল আলম বলেন, আলোচনা চলতে পারে, তবে ব্যবসা বন্ধ করে দেয়া উচিত নয়। অবরোধের কারণে সাজেকের পর্যটন ব্যবসা যেন বন্ধ হয়ে না যায়, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেন তিনি।
একইভাবে সংকট সমাধানে আলোচনার উদ্যোগ নেয়ার কথা জানিয়েছেন ই-ট্যুরিজম অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য উজ্জল দেব। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট পক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বসার চেষ্টা করছেন তারা। আশা করছেন, তাদের প্রস্তাব গ্রহণ করে সংশ্লিষ্টরা সঠিক ও যৌক্তিক আলোচনায় অংশ নেবেন।
সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য অনুযায়ী, সাজেকে ইউপিডিএফ ও জেএসএসের আধিপত্য বিস্তারের লড়াইকে কেন্দ্র করেই মূলত এ সংকটের সৃষ্টি হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন