সৌদিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত শাহেদের মরদেহ পৌঁছালো গ্রামের বাড়িতে

আপলোড সময় : ২৩-১০-২০২৬ ০৩:৫৮:৩২ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৩-১০-২০২৬ ০৩:৫৮:৩২ অপরাহ্ন
সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত প্রবাসী শাহেদ আহমেদ আশিকের (৩৫) মরদেহ দেশে পৌঁছানোর পর শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার দিকে বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার মাদলা গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হয়েছে। তার মরদেহ বাড়িতে পৌঁছালে স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্যকে হারিয়ে শোকের পাশাপাশি অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখে পড়েছে তার স্ত্রী ও দুই সন্তান।

শাহেদের দাফনের জন্য বাড়ির উঠানে তার দাদার কবরের পাশে জায়গা প্রস্তুত করা হয়েছে। শুক্রবার বিকাল ৫টায় স্থানীয় উচ্চবিদ্যালয় মাঠে জানাজা শেষে সেখানেই তাকে দাফন করার কথা রয়েছে।

এর আগে শুক্রবার সকালে শাহেদের মরদেহ গ্রহণ করতে ঢাকায় যান তার স্ত্রী কাকলী বেগম ও দুই সন্তান। প্রিয়জনের মরদেহ নিয়ে বাড়িতে ফেরার পর স্বজনেরা কান্নায় ভেঙে পড়েন।

শাহেদের ভাই মাসুম রানা জানান, গত ১০ অক্টোবর সৌদি আরবের স্থানীয় সময় বিকাল ৫টার দিকে রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে স্ত্রী কাকলী বেগমের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলেন সাহেদ। এর কিছুক্ষণ পর বিমানবন্দরের টার্মিনাল-৩ এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত লাগে। ওই ঘটনায় অন্যদের সঙ্গে প্রাণ হারান শাহেদ।

মাসুম রানা বলেন, শুক্রবার সকালে ঢাকায় শাহেদের মরদেহ পৌঁছানোর পর তারা সেটি নিয়ে গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন। দুপুর আড়াইটার দিকে মরদেহ বাড়িতে পৌঁছায়। স্থানীয় উচ্চবিদ্যালয় মাঠে জানাজা শেষে বাড়ির উঠানে দাদার কবরের পাশে তাকে দাফন করা হবে।

শাহেদের বাবা রফিকুল ইসলামও জীবিকার তাগিদে সৌদি আরবে থাকেন। পরিবারের এমন কঠিন সময়ে মা-বাবা দুজনই দেশের বাইরে থাকায় স্বজনদের মধ্যে শোক আরও গভীর হয়েছে।

শাহেদের মৃত্যুতে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্ত্রী ও দুই সন্তানকে রেখে তার এমন আকস্মিক বিদায় মেনে নিতে পারছেন না কেউ। একদিকে প্রিয়জন হারানোর বেদনা, অন্যদিকে পরিবারের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা সব মিলিয়ে কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন স্বজনেরা।
 
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন 

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :

মোঃ কামাল হোসেন

অফিস :

অফিস : ৬/২২, ইস্টার্ণ প্লাাজা (৬ তলা), কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স, হাতিরপুল, ঢাকা।

ইমেইল :