মাকসুদা বেগম হত্যার প্রতিবাদে আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার ও শাস্তির আওতায় আনার জন্য প্রতিবাদ ও মানববন্ধন করা হয়। এসময় তাঁর পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ১০টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
বক্তব্য রাখেন নিহতের ছেলে আহত রাসেল ইসলাম, মোঃ জজ মিয়া, মেয়ে শারমিন আক্তার, বোন মোসাঃ নাসরিন সুলাতানা, আনোয়ারা বেগম, ছানোয়ারা বেগম অন্যান্য প্রমুখ। আসামীরা গত ১৩/১০/২০২৬ইং তারিখে রাত আনুমানিক ৮:৩০ ঘটিকার সময় মাহমুদ নগর (ইনসি সিমেন্ট ফ্যাক্টরীর সামনে), ২০ নং ওয়ার্ড, নারায়নগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন, বন্দর নারায়নগঞ্জ জেলায় পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে ৬-৮ জন মিলে এলোপাথারীভাবে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে নৃশংশভাবে হত্যা করে।
এ ব্যাপারে নারায়নগঞ্জে বন্দর থানা একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-২৬, ১৩/১০/২০২৬ইং। আসামীরা হলেন (১) সাদ্দাম হোসেন, পিতা- খোকন মিয়ার ওরফে তুরগ আলী, ২) সামাউন হাবিব, পিতা-হাবিবুল্লাহ মাদবর, ৩) তায়েম হাবিব, পিতা-ওয়ালিদ মুন্সী, ৪) ওয়ালিদ মুন্সী, পিতা-হাবিবুল্লাহ মাদবর, ৫) খোকন মিয়া ওরফে তুরগ আলী, পিতা-হবিবুল্লাহ মাদবর, ৬) মোঃ সিয়াম, পিতা- মোঃ সেলিম, আরো অজ্ঞাত নাম আছে -২-৪ জন, সর্বসাং- মাহমুদ নগর, ২০নং ওয়ার্ড, নারায়নগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন, নারয়নগঞ্জ।
আসামীদের নিকট থেকে ভাঙারির ব্যবসায়িক টাকা লেন-দেন কে কেন্দ্র করে পাওনা টাকা চাইতে গেলে তারা টাকা দিতে অস্বীকার করলে এক পর্যায়ে তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে গেলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে ১নং আসামী সাদ্দাম হোসেন ও ৩নং আসামী তায়েম হাবিব ভিক্টিম মাকসুদা বেগম কে কুপিয়ে নৃশংশভাবে হত্যা করে এবং তার ছোট ছেলে রাসেল ইসলাম মায়ের চিৎকার শুনে এগিয়ে আসলে তাকেও কুপিয়ে আহত করে। এই হত্যা কান্ডের নেতৃত্ব দেন ২নং আসামী সামাউন হাবিব। বক্তারা বলেন, আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি এবং এ ব্যাপারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
বক্তব্য রাখেন নিহতের ছেলে আহত রাসেল ইসলাম, মোঃ জজ মিয়া, মেয়ে শারমিন আক্তার, বোন মোসাঃ নাসরিন সুলাতানা, আনোয়ারা বেগম, ছানোয়ারা বেগম অন্যান্য প্রমুখ। আসামীরা গত ১৩/১০/২০২৬ইং তারিখে রাত আনুমানিক ৮:৩০ ঘটিকার সময় মাহমুদ নগর (ইনসি সিমেন্ট ফ্যাক্টরীর সামনে), ২০ নং ওয়ার্ড, নারায়নগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন, বন্দর নারায়নগঞ্জ জেলায় পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে ৬-৮ জন মিলে এলোপাথারীভাবে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে নৃশংশভাবে হত্যা করে।
এ ব্যাপারে নারায়নগঞ্জে বন্দর থানা একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-২৬, ১৩/১০/২০২৬ইং। আসামীরা হলেন (১) সাদ্দাম হোসেন, পিতা- খোকন মিয়ার ওরফে তুরগ আলী, ২) সামাউন হাবিব, পিতা-হাবিবুল্লাহ মাদবর, ৩) তায়েম হাবিব, পিতা-ওয়ালিদ মুন্সী, ৪) ওয়ালিদ মুন্সী, পিতা-হাবিবুল্লাহ মাদবর, ৫) খোকন মিয়া ওরফে তুরগ আলী, পিতা-হবিবুল্লাহ মাদবর, ৬) মোঃ সিয়াম, পিতা- মোঃ সেলিম, আরো অজ্ঞাত নাম আছে -২-৪ জন, সর্বসাং- মাহমুদ নগর, ২০নং ওয়ার্ড, নারায়নগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন, নারয়নগঞ্জ।
আসামীদের নিকট থেকে ভাঙারির ব্যবসায়িক টাকা লেন-দেন কে কেন্দ্র করে পাওনা টাকা চাইতে গেলে তারা টাকা দিতে অস্বীকার করলে এক পর্যায়ে তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে গেলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে ১নং আসামী সাদ্দাম হোসেন ও ৩নং আসামী তায়েম হাবিব ভিক্টিম মাকসুদা বেগম কে কুপিয়ে নৃশংশভাবে হত্যা করে এবং তার ছোট ছেলে রাসেল ইসলাম মায়ের চিৎকার শুনে এগিয়ে আসলে তাকেও কুপিয়ে আহত করে। এই হত্যা কান্ডের নেতৃত্ব দেন ২নং আসামী সামাউন হাবিব। বক্তারা বলেন, আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি এবং এ ব্যাপারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন