গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গীতে একটি বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডে একই পরিবারের তিনজন গুরুতর দগ্ধ হন। তাদের মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার রাতে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দম্পতির মৃত্যু হয়।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. সুলতান মাহমুদ সিকদার।
এ ঘটনায় তাদের ১৬ বছর বয়সী মেয়ে তানিশা দগ্ধ হয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছে।
নিহতরা হলেন ময়মনসিংহ জেলার ফুলপুর থানার কুড়িপাড়া এলাকার মান্নাছ আলীর ছেলে লাল চাঁন মিয়া (৬০) ও তার স্ত্রী নাসিমা (৫০)। তারা টঙ্গী পশ্চিম থানার ৫২ নম্বর ওয়ার্ডের মুদাফা এলাকার মাস্টারবাড়ি সংলগ্ন ফখরুল হাসানের বাসায় ভাড়া থাকতেন এবং একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন।
গাজীপুর মহানগর পুলিশের (জিএমপি) টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মহানগরীর টঙ্গী পশ্চিম থানার চেরাগ আলী মার্কেট সংলগ্ন মুদাফা এলাকার মাস্টারবাড়ি রোডের একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন ওই পরিবারের সদস্যরা। বুধবার সকাল ৬টার দিকে রান্না করতে তারা রান্নাঘরে যান। এ সময় আগুন জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গে ঘরের ভেতরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এতে পরিবারের তিনজনই দগ্ধ হন।
পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একই দিন রাতে ওই দম্পতির মৃত্যু হয়।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. সুলতান মাহমুদ সিকদার গণমাধ্যমকে জানান, গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় লাল চাঁন মিয়ার শরীরের প্রায় ৯৫ শতাংশ এবং নাসিমার শরীরের প্রায় ৮৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। তাদের শরীরের অধিকাংশ পুড়ে যাওয়ায় মৃত্যু হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. সুলতান মাহমুদ সিকদার।
এ ঘটনায় তাদের ১৬ বছর বয়সী মেয়ে তানিশা দগ্ধ হয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছে।
নিহতরা হলেন ময়মনসিংহ জেলার ফুলপুর থানার কুড়িপাড়া এলাকার মান্নাছ আলীর ছেলে লাল চাঁন মিয়া (৬০) ও তার স্ত্রী নাসিমা (৫০)। তারা টঙ্গী পশ্চিম থানার ৫২ নম্বর ওয়ার্ডের মুদাফা এলাকার মাস্টারবাড়ি সংলগ্ন ফখরুল হাসানের বাসায় ভাড়া থাকতেন এবং একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন।
গাজীপুর মহানগর পুলিশের (জিএমপি) টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মহানগরীর টঙ্গী পশ্চিম থানার চেরাগ আলী মার্কেট সংলগ্ন মুদাফা এলাকার মাস্টারবাড়ি রোডের একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন ওই পরিবারের সদস্যরা। বুধবার সকাল ৬টার দিকে রান্না করতে তারা রান্নাঘরে যান। এ সময় আগুন জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গে ঘরের ভেতরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এতে পরিবারের তিনজনই দগ্ধ হন।
পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একই দিন রাতে ওই দম্পতির মৃত্যু হয়।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. সুলতান মাহমুদ সিকদার গণমাধ্যমকে জানান, গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় লাল চাঁন মিয়ার শরীরের প্রায় ৯৫ শতাংশ এবং নাসিমার শরীরের প্রায় ৮৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। তাদের শরীরের অধিকাংশ পুড়ে যাওয়ায় মৃত্যু হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন