ভারতের সবচেয়ে বড় রাষ্ট্রায়ত্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠান স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ায় (এসবিআই) সাইবার হামলা চালিয়েছে হ্যাকাররা। এতে ব্যাংকটির প্রায় ৩ লাখ ৮০ হাজার গ্রাহকের অত্যন্ত সংবেদনশীল তথ্য চুরি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এমনকি ডার্ক ওয়েবেও এসব গোপনীয় তথ্য ফাঁস করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় দেশজুড়ে চাঞ্চল্য তৈরি হলেও ব্যাংক কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, সাইবার হামলা ও তথ্য ফাঁসের ঘটনায় ব্যাংকের মূল কার্যক্রমে কোনো প্রভাব পড়েনি।
বুধবার (২১ অক্টোবর) স্টক এক্সচেঞ্জে দাখিল করা এক নথিতে সাইবার হামলার শিকার হওয়ার ঘটনা প্রকাশ করেছে স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া। এর আগে গত ১৬ অক্টোবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে এ তথ্য জানায় সাইবার নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ‘সাইবারপালস৫৬’।
সংস্থাটির দাবি, এসবিআইয়ের প্রায় ৩ লাখ ৮০ হাজার গ্রাহকের তথ্য ডার্ক ওয়েবে ফাঁস হয়ে গেছে। ফাঁস হওয়া তথ্যের মধ্যে রয়েছে গ্রাহকদের ব্যক্তিগত তথ্য, বাড়ির ঠিকানা, ঋণের আবেদন, প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও আবেদন সংক্রান্ত অন্যান্য রেকর্ড। ‘সিরিয়াসিম’ নামে একটি হ্যাকার গোষ্ঠী এই সাইবার হামলা চালিয়েছে বলেও দাবি করেছে সাইবারপালস৫৬।
সাইবার নিরাপত্তা সংস্থাটি আরও দাবি করেছে, এই সংবেদনশীল তথ্যগুলো কমা-সেপারেটেড ভ্যালু বা সিএসভি ফরম্যাটে হ্যাকারদের কাছে রয়েছে। পাশাপাশি তাদের কাছে রয়েছে ২ হাজার ৭২২টি পিডিএফ। এগুলোর মধ্যে রয়েছে গ্রাহকদের নাম, লিঙ্গ, নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর, জন্ম তারিখ, ইমেইল ঠিকানা ও বাড়ির ঠিকানা। এ ছাড়া রেকর্ডগুলোতে ব্যাংকের শাখার তথ্য, কাস্টমার ইনফরমেশন ফাইল (সিআইএফ) শনাক্তকারী নম্বর, লিড আইডি এবং ঋণ ও লিড সংক্রান্ত নথির মেটাডেটা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তবে ‘সাইবারপালস৫৬’-এর এমন দাবির প্রায় ১০০ ঘণ্টা পর বিষয়টি স্বীকার করেছে স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষ। তারা জানিয়েছে, বড়সড় সাইবার হামলার মাধ্যমে হ্যাকাররা ব্যাংকের গ্রাহকদের তথ্যভাণ্ডারে প্রবেশ করে সংবেদনশীল বিপুল তথ্য হাতিয়ে নিয়েছে। ডার্ক ওয়েবে ফাঁসের বিষয়টিও স্বীকার করে নিয়েছে ভারতের সর্ববৃহৎ রাষ্ট্রায়ত্ত এই ব্যাংক।
ডার্ক ওয়েবে থাকা প্রায় ৩ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি রেকর্ডের প্রাথমিক পর্যালোচনায় ৩ হাজার ৮৯৭টি রেকর্ড শনাক্ত হয়েছে। এসব রেকর্ডে গ্রাহকদের ব্যক্তিগতভাবে শনাক্তযোগ্য তথ্য রয়েছে। সম্পূর্ণ ঘটনায় পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করা হবে বলেও জানিয়েছে এসবিআই।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যাংকের তথ্যভাণ্ডারে প্রবেশ করে গ্রাহকদের কেওয়াইসি (নো ইওর কাস্টমার) তথ্য হাতিয়ে নিয়ে থাকতে পারে সাইবার অপরাধীরা। সে ক্ষেত্রে গ্রাহকদের আধার কার্ড নম্বর, বাড়ির ঠিকানার মতো সংবেদনশীল তথ্য ফাঁস হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। শুধু তাই নয়, সেগুলোকে হাতিয়ার করে ভয় দেখিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকাও হাতিয়ে নেওয়া হতে পারে সতর্ক করেছেন তারা।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
এ ঘটনায় দেশজুড়ে চাঞ্চল্য তৈরি হলেও ব্যাংক কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, সাইবার হামলা ও তথ্য ফাঁসের ঘটনায় ব্যাংকের মূল কার্যক্রমে কোনো প্রভাব পড়েনি।
বুধবার (২১ অক্টোবর) স্টক এক্সচেঞ্জে দাখিল করা এক নথিতে সাইবার হামলার শিকার হওয়ার ঘটনা প্রকাশ করেছে স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া। এর আগে গত ১৬ অক্টোবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে এ তথ্য জানায় সাইবার নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ‘সাইবারপালস৫৬’।
সংস্থাটির দাবি, এসবিআইয়ের প্রায় ৩ লাখ ৮০ হাজার গ্রাহকের তথ্য ডার্ক ওয়েবে ফাঁস হয়ে গেছে। ফাঁস হওয়া তথ্যের মধ্যে রয়েছে গ্রাহকদের ব্যক্তিগত তথ্য, বাড়ির ঠিকানা, ঋণের আবেদন, প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও আবেদন সংক্রান্ত অন্যান্য রেকর্ড। ‘সিরিয়াসিম’ নামে একটি হ্যাকার গোষ্ঠী এই সাইবার হামলা চালিয়েছে বলেও দাবি করেছে সাইবারপালস৫৬।
সাইবার নিরাপত্তা সংস্থাটি আরও দাবি করেছে, এই সংবেদনশীল তথ্যগুলো কমা-সেপারেটেড ভ্যালু বা সিএসভি ফরম্যাটে হ্যাকারদের কাছে রয়েছে। পাশাপাশি তাদের কাছে রয়েছে ২ হাজার ৭২২টি পিডিএফ। এগুলোর মধ্যে রয়েছে গ্রাহকদের নাম, লিঙ্গ, নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর, জন্ম তারিখ, ইমেইল ঠিকানা ও বাড়ির ঠিকানা। এ ছাড়া রেকর্ডগুলোতে ব্যাংকের শাখার তথ্য, কাস্টমার ইনফরমেশন ফাইল (সিআইএফ) শনাক্তকারী নম্বর, লিড আইডি এবং ঋণ ও লিড সংক্রান্ত নথির মেটাডেটা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তবে ‘সাইবারপালস৫৬’-এর এমন দাবির প্রায় ১০০ ঘণ্টা পর বিষয়টি স্বীকার করেছে স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষ। তারা জানিয়েছে, বড়সড় সাইবার হামলার মাধ্যমে হ্যাকাররা ব্যাংকের গ্রাহকদের তথ্যভাণ্ডারে প্রবেশ করে সংবেদনশীল বিপুল তথ্য হাতিয়ে নিয়েছে। ডার্ক ওয়েবে ফাঁসের বিষয়টিও স্বীকার করে নিয়েছে ভারতের সর্ববৃহৎ রাষ্ট্রায়ত্ত এই ব্যাংক।
ডার্ক ওয়েবে থাকা প্রায় ৩ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি রেকর্ডের প্রাথমিক পর্যালোচনায় ৩ হাজার ৮৯৭টি রেকর্ড শনাক্ত হয়েছে। এসব রেকর্ডে গ্রাহকদের ব্যক্তিগতভাবে শনাক্তযোগ্য তথ্য রয়েছে। সম্পূর্ণ ঘটনায় পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করা হবে বলেও জানিয়েছে এসবিআই।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যাংকের তথ্যভাণ্ডারে প্রবেশ করে গ্রাহকদের কেওয়াইসি (নো ইওর কাস্টমার) তথ্য হাতিয়ে নিয়ে থাকতে পারে সাইবার অপরাধীরা। সে ক্ষেত্রে গ্রাহকদের আধার কার্ড নম্বর, বাড়ির ঠিকানার মতো সংবেদনশীল তথ্য ফাঁস হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। শুধু তাই নয়, সেগুলোকে হাতিয়ার করে ভয় দেখিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকাও হাতিয়ে নেওয়া হতে পারে সতর্ক করেছেন তারা।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে