চুপিসারে এসে গেছে হেমন্ত ঋতু। শরতের শেষের দিক থেকে দেশের উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় দেখা যাচ্ছে কুয়াশা। কিছুদিন থেকে ভোরের আলো ফুটতেই ঘন কুয়াশায় ঢেকে যাচ্ছে চারপাশ। ঘাস ও গাছের পাতায় জমছে শিশিরবিন্দু। হিমেল বাতাসে বাড়ছে শীতের অনুভূতি। কুড়িগ্রামের রাজারহাটসহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় কয়েক দিন ধরে ভোরে কুয়াশা জানান দিচ্ছে শীত চলে এসেছে।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) সকাল ৮টা পর্যন্ত কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার বিভিন্ন গ্রামীণ সড়ক ও ফসলের মাঠ ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা ছিল। তবে বেলা বাড়তেই কুয়াশা কেটে গিয়ে উঁকি দেয় সূর্য। সারা দিন সূর্যের তাপপ্রবাহ থাকলেও বিকেল গড়াতেই আবারও শীত পড়তে শুরু করে। সন্ধ্যার পর থেকে বাড়তে থাকে শীতের অনুভূতি।
কৃষক আবু বক্কর বলেন, ‘এক সপ্তাহ ধরে সকালে ঠাণ্ডা অনুভূত হচ্ছে। তবে শনিবার সকালে অন্য দিনের তুলনায় কুয়াশা ও ঠাণ্ডা বেশি ছিল। ভোর ৬টার দিকে ধানখেতে কীটনাশক দিতে গিয়ে কুয়াশায় শরীর ভিজে যায়। গত এক সপ্তাহ ধরে রাতে কম্বল ব্যবহার করছি।’
অটোরিকশাচালক মমিন বলেন, ‘শীত আসার আগেই এভাবে ঘন কুয়াশা নামবে, তা কল্পনা করিনি।
সকাল ৭টার দিকে কুয়াশা এত ঘন থাকে যে হেডলাইট জ্বালিয়ে গাড়ি চালাতে হয়।’
রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, ‘রবিবার সকাল ৬টায় রাজারহাটে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাত ও সকালের তাপমাত্রার পার্থক্য, আবহাওয়ার পরিবর্তন এবং বাতাসের আর্দ্রতার কারণে ভোরে কুয়াশা দেখা যাচ্ছে। আবহাওয়ার পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে আগামী দিনগুলোতে তাপমাত্রার পরিবর্তন হতে পারে। উত্তরাঞ্চলের মানুষের কাছে ভোরের কুয়াশা ও দিনের বেলায় রোদের তীব্রতা ও গরমের অনুভূতি থাকায় শীতের স্থায়ী প্রভাব পড়তে আরো কিছুটা সময় লাগতে পারে।’
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
রবিবার (১৮ অক্টোবর) সকাল ৮টা পর্যন্ত কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার বিভিন্ন গ্রামীণ সড়ক ও ফসলের মাঠ ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা ছিল। তবে বেলা বাড়তেই কুয়াশা কেটে গিয়ে উঁকি দেয় সূর্য। সারা দিন সূর্যের তাপপ্রবাহ থাকলেও বিকেল গড়াতেই আবারও শীত পড়তে শুরু করে। সন্ধ্যার পর থেকে বাড়তে থাকে শীতের অনুভূতি।
কৃষক আবু বক্কর বলেন, ‘এক সপ্তাহ ধরে সকালে ঠাণ্ডা অনুভূত হচ্ছে। তবে শনিবার সকালে অন্য দিনের তুলনায় কুয়াশা ও ঠাণ্ডা বেশি ছিল। ভোর ৬টার দিকে ধানখেতে কীটনাশক দিতে গিয়ে কুয়াশায় শরীর ভিজে যায়। গত এক সপ্তাহ ধরে রাতে কম্বল ব্যবহার করছি।’
অটোরিকশাচালক মমিন বলেন, ‘শীত আসার আগেই এভাবে ঘন কুয়াশা নামবে, তা কল্পনা করিনি।
সকাল ৭টার দিকে কুয়াশা এত ঘন থাকে যে হেডলাইট জ্বালিয়ে গাড়ি চালাতে হয়।’
রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, ‘রবিবার সকাল ৬টায় রাজারহাটে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাত ও সকালের তাপমাত্রার পার্থক্য, আবহাওয়ার পরিবর্তন এবং বাতাসের আর্দ্রতার কারণে ভোরে কুয়াশা দেখা যাচ্ছে। আবহাওয়ার পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে আগামী দিনগুলোতে তাপমাত্রার পরিবর্তন হতে পারে। উত্তরাঞ্চলের মানুষের কাছে ভোরের কুয়াশা ও দিনের বেলায় রোদের তীব্রতা ও গরমের অনুভূতি থাকায় শীতের স্থায়ী প্রভাব পড়তে আরো কিছুটা সময় লাগতে পারে।’
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন