পাকিস্তানের পেশোয়ারে একটি বেসরকারি স্কুলের ছাদ ধসে অন্তত ১৭ শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। নিহত শিক্ষার্থীদের সবার বয়স ১৩ বছরের নিচে। এ ঘটনায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীসহ বেশ কয়েকজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) পেশোয়ারের দির কলোনি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। শহরটির লেডি রিডিং হাসপাতালের মুখপাত্র মুহাম্মদ আসিম ১৭ শিক্ষার্থীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় হাসপাতালটিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। খবর দ্য ডনের।
উদ্ধারকারী সংস্থা রেসকিউ ১১২২-এর মুখপাত্র বিলাল আহমেদ ফাইজি জানান, দুর্ঘটনার পর শিক্ষার্থী ও শিক্ষকসহ প্রায় ২০ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। এর আগে হাসপাতালের বরাত দিয়ে তিনি চারজনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছিলেন।
দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। উদ্ধারকারী সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, ১০ জনের বেশি শিশুকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ সময় ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও কয়েকজন শিশু আটকা পড়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছিল।
পাকিস্তানে ভবন নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার এবং নিরাপত্তাব্যবস্থার ঘাটতির কারণে ছাদ ও ভবনধসের ঘটনা প্রায়ই ঘটে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতেও দেশটির বিভিন্ন এলাকায় এ ধরনের দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।
গত জুলাইয়ে উমরকোটের কাছে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাইরের দেয়ালের একাংশ ধসে তিন শিশু নিহত হয়। তাদের বয়স ছিল ৩ থেকে ১৩ বছরের মধ্যে। একই মাসে লাহোরের বাগবানপুরা এলাকায় নির্মাণাধীন একটি বেসরকারি স্কুল ভবনের ছাদ ধসে এক শিশু নিহত এবং অন্তত পাঁচজন আহত হয়।
এর আগে জুনে লাহোরের কাহনা এলাকায় একটি বেসরকারি কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে ১৪ শিশু প্রাণ হারায়। এর দুই মাসেরও কম সময় আগে ডেরা গাজি খানের একটি বেসরকারি স্কুলের শ্রেণিকক্ষের ছাদ ধসে চার শিশু নিহত এবং ২০ জন আহত হয়েছিল। তদন্তে দেখা যায়, ভবন সম্প্রসারণের কাজ চলার সময় ওই শ্রেণিকক্ষের ছাদ ধসে পড়ে।
এ ছাড়া গত সপ্তাহে ভারী বৃষ্টি ও ঝড়ের সময় পাকপাত্তানে একটি বাড়ির ছাদ ধসে দুজন নিহত হন। জুনে গুজরাটের লালামুসার খাওয়াসপুর এলাকায় নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ ধসে এক শ্রমিক নিহত ও তিনজন আহত হন। একই মাসে লাহোরের নিশতার এলাকায় একটি বাড়ির ছাদ ধসে দুজন আহত হন।
গত আগস্টে টানা তিন দিনের ভারী বৃষ্টির পর ইসলামাবাদের শাহজাদ টাউনে একটি বাড়ির ছাদ ধসে এক দম্পতি নিহত হন। এ ঘটনায় তাঁদের মেয়েরাও আহত হয়।
পেশোয়ারের স্কুলে সর্বশেষ এই দুর্ঘটনা দেশটিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ভবনের নির্মাণমান এবং নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে আবারও উদ্বেগ তৈরি করেছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) পেশোয়ারের দির কলোনি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। শহরটির লেডি রিডিং হাসপাতালের মুখপাত্র মুহাম্মদ আসিম ১৭ শিক্ষার্থীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় হাসপাতালটিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। খবর দ্য ডনের।
উদ্ধারকারী সংস্থা রেসকিউ ১১২২-এর মুখপাত্র বিলাল আহমেদ ফাইজি জানান, দুর্ঘটনার পর শিক্ষার্থী ও শিক্ষকসহ প্রায় ২০ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। এর আগে হাসপাতালের বরাত দিয়ে তিনি চারজনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছিলেন।
দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। উদ্ধারকারী সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, ১০ জনের বেশি শিশুকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ সময় ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও কয়েকজন শিশু আটকা পড়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছিল।
পাকিস্তানে ভবন নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার এবং নিরাপত্তাব্যবস্থার ঘাটতির কারণে ছাদ ও ভবনধসের ঘটনা প্রায়ই ঘটে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতেও দেশটির বিভিন্ন এলাকায় এ ধরনের দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।
গত জুলাইয়ে উমরকোটের কাছে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাইরের দেয়ালের একাংশ ধসে তিন শিশু নিহত হয়। তাদের বয়স ছিল ৩ থেকে ১৩ বছরের মধ্যে। একই মাসে লাহোরের বাগবানপুরা এলাকায় নির্মাণাধীন একটি বেসরকারি স্কুল ভবনের ছাদ ধসে এক শিশু নিহত এবং অন্তত পাঁচজন আহত হয়।
এর আগে জুনে লাহোরের কাহনা এলাকায় একটি বেসরকারি কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে ১৪ শিশু প্রাণ হারায়। এর দুই মাসেরও কম সময় আগে ডেরা গাজি খানের একটি বেসরকারি স্কুলের শ্রেণিকক্ষের ছাদ ধসে চার শিশু নিহত এবং ২০ জন আহত হয়েছিল। তদন্তে দেখা যায়, ভবন সম্প্রসারণের কাজ চলার সময় ওই শ্রেণিকক্ষের ছাদ ধসে পড়ে।
এ ছাড়া গত সপ্তাহে ভারী বৃষ্টি ও ঝড়ের সময় পাকপাত্তানে একটি বাড়ির ছাদ ধসে দুজন নিহত হন। জুনে গুজরাটের লালামুসার খাওয়াসপুর এলাকায় নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ ধসে এক শ্রমিক নিহত ও তিনজন আহত হন। একই মাসে লাহোরের নিশতার এলাকায় একটি বাড়ির ছাদ ধসে দুজন আহত হন।
গত আগস্টে টানা তিন দিনের ভারী বৃষ্টির পর ইসলামাবাদের শাহজাদ টাউনে একটি বাড়ির ছাদ ধসে এক দম্পতি নিহত হন। এ ঘটনায় তাঁদের মেয়েরাও আহত হয়।
পেশোয়ারের স্কুলে সর্বশেষ এই দুর্ঘটনা দেশটিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ভবনের নির্মাণমান এবং নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে আবারও উদ্বেগ তৈরি করেছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে