উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে স্টাডিও অলিম্পিকোতে শেষ মুহূর্তের অবিস্মরণীয় রোমাঞ্চ ছড়িয়ে ৩-১ গোলে পিছিয়ে থেকেও এএস রোমাকে ৪-৩ ব্যবধানে হারিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। সাবেক ক্লাব রোমার মাঠে হোসে মরিনহোর পরিবর্তন ও কৌশলের ওপর ভর করে শেষ সাত মিনিটে টানা তিনটি গোল করে জয় ছিনিয়ে নেয় স্প্যানিশ জায়ান্টরা।
হোসে মরিনহোর রোম প্রত্যাবর্তনের দিনে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল স্বাগতিক রোমা। ২০তম মিনিটে মার্টেন ডি রুনের দূরপাল্লার জোরালো শটে এগিয়ে যায় রোমা। তবে মাত্র পাঁচ মিনিট পর (২৫তম মিনিট) কিলিয়ান এমবাপ্পে ডিফ্লেক্টেড শটে রিয়ালকে সমতায় ফেরান।
ইউরোপীয় সেরার মঞ্চে নিজের ১০০তম ম্যাচে এটি ছিল এমবাপ্পের ৭২তম গোল, যার মাধ্যমে তিনি কিংবদন্তি রাউলকে টপকে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সর্বকালের সেরা গোলদাতাদের তালিকায় ওপরের সারিতে উঠে এলেন।
বিরতির পর ডাচ ফরোয়ার্ড ডনিয়েল মালেনের জোড়া গোলে ম্যাচ পুরোপুরি রোমার নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। ৫১তম মিনিটে ভিনিসিয়াস জুনিয়র বল হারানোর পর দারুণ ফিনিশিংয়ে রোমাকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন মালেন।
এর মাত্র ছয় মিনিট পর (৫৭তম মিনিট) নিজের দ্বিতীয় গোল করে ব্যবধান ৩-১ করেন তিনি। অফসাইডের কারণে শুরুতে গোলটি বাতিল হলেও ভিএআর রিভিউতে গোলটি বৈধ ঘোষণা করা।
ম্যাচের শেষ ১০ মিনিট পর্যন্ত ৩-১ ব্যবধানে হেরে মাঠ ছাড়ার ঝুঁকিতে ছিল রিয়াল মাদ্রিদ। তবে ৮৩তম মিনিট থেকে মরিনহোর অলআউট আক্রমণের কৌশলে রোমার রক্ষণভাগ একদম তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে।
৮৩ মিনিটে বদলি হিসেবে নামা তরুণ কার্লোস এস্পি রোমা গোলরক্ষক পিয়ারলুইজি গোলিননি হেড সেভ করার পর ফিরতি বলে গোল করে রিয়ালের হয়ে প্রথম চ্যাম্পিয়ন্স লিগ গোল এনে দেন।
৮৫তম মিনিটে আরদা গুলেরের মাপা কর্নার থেকে চোখধাঁধানো হেডারে ৩-৩ সমতা ফেরান তরুণ ফরোয়ার্ড এন্ড্রিক।
৯০তম মিনিটে ম্যাচের শেষ মিনিটে আবারও আরদা গুলেরের কর্নার থেকে ক্লোজ রেঞ্জে জয়সূচক গোলটি করেন আন্তোনিও রুডিগার।
টানা দুই জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের টেবিলের সুবিধাজনক স্থানে উঠে এলো রিয়াল মাদ্রিদ। অন্যদিকে শেষ মুহূর্তের এই বিপর্যয়ে দুই ম্যাচে ১ পয়েন্ট নিয়ে চরম হতাশায় মাঠ ছাড়তে হলো জান পিয়েরো গাসপেরিনির শিষ্যদের।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
হোসে মরিনহোর রোম প্রত্যাবর্তনের দিনে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল স্বাগতিক রোমা। ২০তম মিনিটে মার্টেন ডি রুনের দূরপাল্লার জোরালো শটে এগিয়ে যায় রোমা। তবে মাত্র পাঁচ মিনিট পর (২৫তম মিনিট) কিলিয়ান এমবাপ্পে ডিফ্লেক্টেড শটে রিয়ালকে সমতায় ফেরান।
ইউরোপীয় সেরার মঞ্চে নিজের ১০০তম ম্যাচে এটি ছিল এমবাপ্পের ৭২তম গোল, যার মাধ্যমে তিনি কিংবদন্তি রাউলকে টপকে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সর্বকালের সেরা গোলদাতাদের তালিকায় ওপরের সারিতে উঠে এলেন।
বিরতির পর ডাচ ফরোয়ার্ড ডনিয়েল মালেনের জোড়া গোলে ম্যাচ পুরোপুরি রোমার নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। ৫১তম মিনিটে ভিনিসিয়াস জুনিয়র বল হারানোর পর দারুণ ফিনিশিংয়ে রোমাকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন মালেন।
এর মাত্র ছয় মিনিট পর (৫৭তম মিনিট) নিজের দ্বিতীয় গোল করে ব্যবধান ৩-১ করেন তিনি। অফসাইডের কারণে শুরুতে গোলটি বাতিল হলেও ভিএআর রিভিউতে গোলটি বৈধ ঘোষণা করা।
ম্যাচের শেষ ১০ মিনিট পর্যন্ত ৩-১ ব্যবধানে হেরে মাঠ ছাড়ার ঝুঁকিতে ছিল রিয়াল মাদ্রিদ। তবে ৮৩তম মিনিট থেকে মরিনহোর অলআউট আক্রমণের কৌশলে রোমার রক্ষণভাগ একদম তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে।
৮৩ মিনিটে বদলি হিসেবে নামা তরুণ কার্লোস এস্পি রোমা গোলরক্ষক পিয়ারলুইজি গোলিননি হেড সেভ করার পর ফিরতি বলে গোল করে রিয়ালের হয়ে প্রথম চ্যাম্পিয়ন্স লিগ গোল এনে দেন।
৮৫তম মিনিটে আরদা গুলেরের মাপা কর্নার থেকে চোখধাঁধানো হেডারে ৩-৩ সমতা ফেরান তরুণ ফরোয়ার্ড এন্ড্রিক।
৯০তম মিনিটে ম্যাচের শেষ মিনিটে আবারও আরদা গুলেরের কর্নার থেকে ক্লোজ রেঞ্জে জয়সূচক গোলটি করেন আন্তোনিও রুডিগার।
টানা দুই জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের টেবিলের সুবিধাজনক স্থানে উঠে এলো রিয়াল মাদ্রিদ। অন্যদিকে শেষ মুহূর্তের এই বিপর্যয়ে দুই ম্যাচে ১ পয়েন্ট নিয়ে চরম হতাশায় মাঠ ছাড়তে হলো জান পিয়েরো গাসপেরিনির শিষ্যদের।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে