কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার বেলগাছা ইউনিয়নে ছুরিকাঘাতে মাকে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ছেলে মোস্তাকিন আলম শোভনকে (৩৫) আটক করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের প্রায় পাঁচ ঘণ্টার ব্যবধানে বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নগামী ‘ভাইরাল সড়ক’ থেকে তাঁকে আটক করা হয়।
কুড়িগ্রাম সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত নারীর নাম মুনিরা বেগম (৫৬)। তিনি অবসরপ্রাপ্ত টেক্সটাইল প্রকৌশলী সরদার আলীর (৬৫) স্ত্রী। ছেলের ছুরিকাঘাতে সরদার আলীও গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত শোভন মাদকাসক্ত। এর আগে তিনি একাধিকবার মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র থেকে পালিয়ে এসেছেন। বুধবার তাঁকে আবারও নিরাময় কেন্দ্রে পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছিলেন তাঁর বাবা-মা। এ নিয়ে ক্ষোভের জেরে তিনি বাবা-মাকে ছুরিকাঘাত করে থাকতে পারেন বলে ধারণা স্থানীয়দের।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার ভোরে বাবা-মাকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান শোভন। এতে ঘটনাস্থলেই মুনিরা বেগমের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁর স্বামী সরদার আলীকে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে আটক করতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান শুরু করে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় হলোখানাগামী ‘ভাইরাল সড়ক’ থেকে তাঁকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়।
সদর থানার ওসি কামাল হোসেন বলেন, “আমি নিজে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে আটক করেছি। তাঁকে থানায় নেওয়া হয়েছে। নিহতের ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচকে/এসকে
কুড়িগ্রাম সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত নারীর নাম মুনিরা বেগম (৫৬)। তিনি অবসরপ্রাপ্ত টেক্সটাইল প্রকৌশলী সরদার আলীর (৬৫) স্ত্রী। ছেলের ছুরিকাঘাতে সরদার আলীও গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত শোভন মাদকাসক্ত। এর আগে তিনি একাধিকবার মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র থেকে পালিয়ে এসেছেন। বুধবার তাঁকে আবারও নিরাময় কেন্দ্রে পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছিলেন তাঁর বাবা-মা। এ নিয়ে ক্ষোভের জেরে তিনি বাবা-মাকে ছুরিকাঘাত করে থাকতে পারেন বলে ধারণা স্থানীয়দের।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার ভোরে বাবা-মাকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান শোভন। এতে ঘটনাস্থলেই মুনিরা বেগমের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁর স্বামী সরদার আলীকে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে আটক করতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান শুরু করে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় হলোখানাগামী ‘ভাইরাল সড়ক’ থেকে তাঁকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়।
সদর থানার ওসি কামাল হোসেন বলেন, “আমি নিজে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে আটক করেছি। তাঁকে থানায় নেওয়া হয়েছে। নিহতের ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচকে/এসকে