বদলি-বাণিজ্য চিরতরে বন্ধ করা এবং প্রতিষ্ঠানে পূর্ণ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে লটারির মাধ্যমে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ১৫৫ জন নির্বাহী প্রকৌশলীকে বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে। এই পদায়নে অধিদপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ ২০টি জোন বা বিভাগকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হলেও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ও সংসদ সচিবালয়সহ কয়েকটি স্পর্শকাতর দপ্তরে আপাতত পদায়ন স্থগিত রাখা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এই লটারি কার্যক্রমে স্বয়ং গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের, প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। গণপূর্ত অধিদপ্তরকে একটি স্বচ্ছ, গতিশীল ও আধুনিক জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করে সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে বদলি-পদায়নে কোনো ধরনের অনিয়ম বা বাণিজ্য কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না।
লটারির পূর্বে উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখতে গিয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের বলেন, "আমাদের উদ্দেশ্য একটাই; বদলি-বাণিজ্য বন্ধ করা, সুশাসন ফিরিয়ে আনা এবং সবাইকে সমান সুযোগ দেওয়া। যোগ্য লোককে যোগ্য জায়গায় বসাতে চাই। গণপূর্ত অধিদপ্তরকে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক অবস্থানে নিয়ে যেতে চাই।"
তিনি আরও স্পষ্ট করে জানান, "কাউকে হয়রানি করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়। সবাই যেন সমান সুযোগ পান, আবার মানবিক বিষয়গুলোও যেন বিবেচনায় থাকে সেটি নিশ্চিত করতে চাই। মানবিক কারণে কয়েকজন আবেদন করেছেন। তাদের সুবিধা অনুযায়ী পদায়নের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।"
বদলি ও পদায়নে সর্বাত্মক স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সরকার 'জিরো টলারেন্স' নীতি অনুসরণ করছে বলে মন্ত্রী তার বক্তব্যে পুনরুল্লেখ করেন।
উল্লেখ্য, লটারির মাধ্যমে এই বৃহৎ বদলি প্রক্রিয়ার আওতায় এর আগে ধারাবাহিকভাবে ৭৬৭ জন উপ-সহকারী প্রকৌশলী, ২৫৪ জন উপ-সহকারী প্রকৌশলী (ইলেকট্রিক্যাল), ২১৯ জন সহকারী প্রকৌশলী এবং ১৯০ জন উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলীকে সফলভাবে পদায়ন করা হয়েছে।
এ নিয়ে সর্বমোট ১ হাজার ৪৩০ জন প্রকৌশলীকে লটারির স্বচ্ছ পদ্ধতির মাধ্যমে বিভিন্ন কর্মস্থলে বদলি ও পদায়ন সম্পন্ন করল গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। গর্ভবতী নারী কর্মকর্তা, প্রতিবন্ধী সন্তান থাকা অভিভাবক এবং গুরুতর অসুস্থ পিতা-মাতার পরিচর্যায় নিয়োজিত কর্মকর্তাদের মানবিক আবেদনগুলো গভীরভাবে বিবেচনায় রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি মন্ত্রণালয়ের স্থাবর জমির পূর্ণাঙ্গ হিসাব ও তথ্যসংরক্ষণে 'ল্যান্ড ব্যাংক' তৈরি এবং আবাসন বরাদ্দে সম্পূর্ণ ডিজিটাল প্রযুক্তি চালুর মতো বৈপ্লবিক সংস্কারমূলক পরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচকে/এসকে
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এই লটারি কার্যক্রমে স্বয়ং গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের, প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। গণপূর্ত অধিদপ্তরকে একটি স্বচ্ছ, গতিশীল ও আধুনিক জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করে সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে বদলি-পদায়নে কোনো ধরনের অনিয়ম বা বাণিজ্য কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না।
লটারির পূর্বে উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখতে গিয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের বলেন, "আমাদের উদ্দেশ্য একটাই; বদলি-বাণিজ্য বন্ধ করা, সুশাসন ফিরিয়ে আনা এবং সবাইকে সমান সুযোগ দেওয়া। যোগ্য লোককে যোগ্য জায়গায় বসাতে চাই। গণপূর্ত অধিদপ্তরকে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক অবস্থানে নিয়ে যেতে চাই।"
তিনি আরও স্পষ্ট করে জানান, "কাউকে হয়রানি করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়। সবাই যেন সমান সুযোগ পান, আবার মানবিক বিষয়গুলোও যেন বিবেচনায় থাকে সেটি নিশ্চিত করতে চাই। মানবিক কারণে কয়েকজন আবেদন করেছেন। তাদের সুবিধা অনুযায়ী পদায়নের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।"
বদলি ও পদায়নে সর্বাত্মক স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সরকার 'জিরো টলারেন্স' নীতি অনুসরণ করছে বলে মন্ত্রী তার বক্তব্যে পুনরুল্লেখ করেন।
উল্লেখ্য, লটারির মাধ্যমে এই বৃহৎ বদলি প্রক্রিয়ার আওতায় এর আগে ধারাবাহিকভাবে ৭৬৭ জন উপ-সহকারী প্রকৌশলী, ২৫৪ জন উপ-সহকারী প্রকৌশলী (ইলেকট্রিক্যাল), ২১৯ জন সহকারী প্রকৌশলী এবং ১৯০ জন উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলীকে সফলভাবে পদায়ন করা হয়েছে।
এ নিয়ে সর্বমোট ১ হাজার ৪৩০ জন প্রকৌশলীকে লটারির স্বচ্ছ পদ্ধতির মাধ্যমে বিভিন্ন কর্মস্থলে বদলি ও পদায়ন সম্পন্ন করল গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। গর্ভবতী নারী কর্মকর্তা, প্রতিবন্ধী সন্তান থাকা অভিভাবক এবং গুরুতর অসুস্থ পিতা-মাতার পরিচর্যায় নিয়োজিত কর্মকর্তাদের মানবিক আবেদনগুলো গভীরভাবে বিবেচনায় রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি মন্ত্রণালয়ের স্থাবর জমির পূর্ণাঙ্গ হিসাব ও তথ্যসংরক্ষণে 'ল্যান্ড ব্যাংক' তৈরি এবং আবাসন বরাদ্দে সম্পূর্ণ ডিজিটাল প্রযুক্তি চালুর মতো বৈপ্লবিক সংস্কারমূলক পরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচকে/এসকে