দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় প্রায় ১৫০টি গ্যাসকূপ খননের উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। পাশাপাশি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) টার্মিনালের সক্ষমতা বাড়ানো, জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধি এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি এসব উদ্যোগের মাধ্যমে গ্যাস ও বিদ্যুতের সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং দীর্ঘ মেয়াদে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায় সরকার। ২০৩০ সালের মধ্যে জ্বালানিসংকট সমাধানের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ১৫০টি গ্যাসকূপ খননের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি কূপ খননের কাজ হয়েছে।
কিছু কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহও শুরু হয়েছে। নতুন কূপ খননের পাশাপাশি এলএনজি টার্মিনালের সক্ষমতা উন্নয়ন এবং জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া গ্যাস উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় পেট্রোবাংলার সক্ষমতা জোরদার করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, নতুন গ্যাসকূপ খনন ও সরবরাহ অবকাঠামোর উন্নয়ন করা গেলে দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে।
এতে শিল্প-কারখানা ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। একই সঙ্গে আমদানিনির্ভর জ্বালানির ওপর চাপ কমানোর সুযোগ তৈরি হবে।
গ্যাসের সরবরাহ বাড়ানোর পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। বিশেষ করে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে বিনিয়োগ বাড়াতে বিভিন্ন সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সৌরবিদ্যুতের যন্ত্রপাতি ও খুচরা যন্ত্রাংশে কর-সুবিধা, প্রণোদনা এবং স্বল্প সুদের ঋণের মতো সহায়তার পরিকল্পনা রয়েছে।
এ ছাড়া সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনকারীদের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে বিক্রির সুযোগ রয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা ৫০ পয়সা।
সরকারি অফিস-আদালতে পর্যায়ক্রমে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে। পাশাপাশি অব্যবহৃত সরকারি ও অকৃষি জমিতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প গড়ে তোলার চিন্তা করা হচ্ছে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ কমার পাশাপাশি বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নয়ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
জ্বালানি খাতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরবরাহব্যবস্থার উন্নয়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায় সরকার। এ জন্য দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন বৃদ্ধি, অবকাঠামোর সক্ষমতা উন্নয়ন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, দেশের বিদ্যমান জ্বালানি সংকট মোকাবেলা এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নয়নে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে সরকার। ২০৩০ সালের মধ্যে জ্বালানিসংকট সমাধানের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি এসব উদ্যোগের মাধ্যমে গ্যাস ও বিদ্যুতের সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং দীর্ঘ মেয়াদে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায় সরকার। ২০৩০ সালের মধ্যে জ্বালানিসংকট সমাধানের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ১৫০টি গ্যাসকূপ খননের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি কূপ খননের কাজ হয়েছে।
কিছু কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহও শুরু হয়েছে। নতুন কূপ খননের পাশাপাশি এলএনজি টার্মিনালের সক্ষমতা উন্নয়ন এবং জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া গ্যাস উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় পেট্রোবাংলার সক্ষমতা জোরদার করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, নতুন গ্যাসকূপ খনন ও সরবরাহ অবকাঠামোর উন্নয়ন করা গেলে দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে।
এতে শিল্প-কারখানা ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। একই সঙ্গে আমদানিনির্ভর জ্বালানির ওপর চাপ কমানোর সুযোগ তৈরি হবে।
গ্যাসের সরবরাহ বাড়ানোর পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। বিশেষ করে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে বিনিয়োগ বাড়াতে বিভিন্ন সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সৌরবিদ্যুতের যন্ত্রপাতি ও খুচরা যন্ত্রাংশে কর-সুবিধা, প্রণোদনা এবং স্বল্প সুদের ঋণের মতো সহায়তার পরিকল্পনা রয়েছে।
এ ছাড়া সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনকারীদের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে বিক্রির সুযোগ রয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা ৫০ পয়সা।
সরকারি অফিস-আদালতে পর্যায়ক্রমে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে। পাশাপাশি অব্যবহৃত সরকারি ও অকৃষি জমিতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প গড়ে তোলার চিন্তা করা হচ্ছে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ কমার পাশাপাশি বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নয়ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
জ্বালানি খাতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরবরাহব্যবস্থার উন্নয়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায় সরকার। এ জন্য দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন বৃদ্ধি, অবকাঠামোর সক্ষমতা উন্নয়ন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, দেশের বিদ্যমান জ্বালানি সংকট মোকাবেলা এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নয়নে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে সরকার। ২০৩০ সালের মধ্যে জ্বালানিসংকট সমাধানের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন