২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৭-এর মধ্যে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনকারী গ্রাহকেরা ২০৩০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা উদ্বৃত্ত বিদ্যুতের প্রতি ইউনিটের বিপরীতে ১০ টাকা ৫০ পয়সা পাবেন।
শনিবার (১০ অক্টোবর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকে এ তথ্য জানানো হয়। আজ জাতীয় সংসদ ভবনে কমিটির সভাপতি মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপুর সভাপতিত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে উল্লেখ করা হয়, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের এডিবিতে বিদ্যুৎ বিভাগের অনুকূলে ৪১টি চলমান উন্নয়ন প্রকল্প রয়েছে যেখানে প্রকল্প সাহায্য ১০,৬৫৩.০০ কোটি টাকা, জিওবি ৪,০৭১.৩৯ কোটি টাকা, সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ৩,৩৮১.৮০ কোটি টাকা।
বৈঠকে আরও উল্লেখ করা হয়, বর্তমানে দেশে গ্যাস ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ১২,০২২ মেগাওয়াট আর প্রকৃত উৎপাদন ৪০০০-৫০০০ মেগাওয়াট, কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ সক্ষমতা ৬,৯২৭ মেগাওয়াট আর প্রকৃত উৎপাদন ৫,০০০-৬,০০০ মেগাওয়াট, তরল জ্বালানি ভিত্তিক বিদ্যুৎ সক্ষমতা ৬,৪০৯ মেগাওয়াট আর প্রকৃত উৎপাদন ২,৫০০-৩,০০০ মেগাওয়াট।
বৈঠকে জানানো হয়, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ এর মধ্যে ছাদভিত্তিক সৌর ব্যবস্থা স্থাপনকারী গ্রাহক ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০৩০ পর্যন্ত গ্রিডে দেয়া উদ্বৃত্ত বিদ্যুতের প্রতি ইউনিটে ১০ টাকা ৫০ পয়সা পাবেন।
বৈঠকে কমিটির সদস্য ও মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, রফিকুল ইসলাম হিলালী, এস,এম, জাহাঙ্গীর হোসেন, নায়াব ইউসুফ আহমেদ, মমতাজ আলো, মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান এবং মো. আবুল হাসনাত অংশগ্রহণ করেন। এ ছাড়াও বৈঠকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর প্রধান এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
শনিবার (১০ অক্টোবর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকে এ তথ্য জানানো হয়। আজ জাতীয় সংসদ ভবনে কমিটির সভাপতি মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপুর সভাপতিত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে উল্লেখ করা হয়, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের এডিবিতে বিদ্যুৎ বিভাগের অনুকূলে ৪১টি চলমান উন্নয়ন প্রকল্প রয়েছে যেখানে প্রকল্প সাহায্য ১০,৬৫৩.০০ কোটি টাকা, জিওবি ৪,০৭১.৩৯ কোটি টাকা, সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ৩,৩৮১.৮০ কোটি টাকা।
বৈঠকে আরও উল্লেখ করা হয়, বর্তমানে দেশে গ্যাস ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ১২,০২২ মেগাওয়াট আর প্রকৃত উৎপাদন ৪০০০-৫০০০ মেগাওয়াট, কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ সক্ষমতা ৬,৯২৭ মেগাওয়াট আর প্রকৃত উৎপাদন ৫,০০০-৬,০০০ মেগাওয়াট, তরল জ্বালানি ভিত্তিক বিদ্যুৎ সক্ষমতা ৬,৪০৯ মেগাওয়াট আর প্রকৃত উৎপাদন ২,৫০০-৩,০০০ মেগাওয়াট।
বৈঠকে জানানো হয়, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ এর মধ্যে ছাদভিত্তিক সৌর ব্যবস্থা স্থাপনকারী গ্রাহক ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০৩০ পর্যন্ত গ্রিডে দেয়া উদ্বৃত্ত বিদ্যুতের প্রতি ইউনিটে ১০ টাকা ৫০ পয়সা পাবেন।
বৈঠকে কমিটির সদস্য ও মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, রফিকুল ইসলাম হিলালী, এস,এম, জাহাঙ্গীর হোসেন, নায়াব ইউসুফ আহমেদ, মমতাজ আলো, মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান এবং মো. আবুল হাসনাত অংশগ্রহণ করেন। এ ছাড়াও বৈঠকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর প্রধান এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন