প্রধানমন্ত্রীর পাঠানো ছবি দেখে ময়মনসিংহ নগরীর বাঁশবাড়ি কলোনি পরিদর্শন করে আবাসিক এলাকাকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সবুজ রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।
তিনি বলেছেন, দেশের প্রতিটি এলাকার মানুষকে নিজ নিজ পরিবেশ সুন্দর রাখতে উদ্বুদ্ধ করা প্রয়োজন। এ জন্য বাঁশবাড়ি কলোনির মতো উদ্যোগ অন্য এলাকাতেও ছড়িয়ে দেওয়ার বিষয়ে ভাবা হচ্ছে।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে নগরের বাঁশবাড়ি কলোনি ঘুরে দেখেন মন্ত্রী। এ সময় তিনি কলোনির পরিবেশ ও সৌন্দর্যবর্ধনের উদ্যোগ পর্যবেক্ষণ করেন।
পরিদর্শনকালে আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, প্রধানমন্ত্রী তাকে কলোনিটির একটি ছবি পাঠিয়েছেন। ছোট একটি রাস্তা ও তার আশপাশের পরিবেশ সুন্দর করে রাখার উদ্যোগ তাকে অভিভূত করেছে। মানুষের বসবাসের জায়গাগুলো পরিষ্কার রাখা, গাছ লাগানো এবং পরিবেশের প্রতি মানুষের মানসিক সংযোগ বাড়ানো জরুরি।
মন্ত্রী বলেন, বাঁশবাড়ি কলোনির এই উদ্যোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে তিনি কথা বলেছেন। অন্য এলাকার মানুষকেও নিজেদের আবাসিক এলাকা পরিষ্কার রাখা এবং গাছ ও ফুল লাগানোর বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করা যায় কি না, তা নিয়ে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। এ জন্য বিভিন্ন শহরের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে কলোনিটির ছবি অন্যদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, দেশের মাটি ও আবহাওয়ার উপযোগী ফলদ, বনজ, ঔষধি ও শোভাবর্ধনকারী গাছ লাগানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। যেসব এলাকায় ইউক্যালিপটাসের পরিবর্তে অন্য প্রজাতির গাছ লাগানো হচ্ছে, সেখানে বিকল্প গাছ রোপণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে উপযোগী ও অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ গাছের চারা উৎপাদন এবং সেগুলো সংশ্লিষ্ট এলাকায় লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, চলতি বছর পাঁচ কোটি গাছ লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও তা বাড়িয়ে সাড়ে পাঁচ থেকে ছয় কোটি গাছ লাগানোর আশা করা হচ্ছে। বছরজুড়েই বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
পরিদর্শনকালে ময়মনসিংহ সদর আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ, মুক্তাগাছা আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জাকির হোসেন, ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান এবং বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ নূরুল করিমসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচকে/এসকে
তিনি বলেছেন, দেশের প্রতিটি এলাকার মানুষকে নিজ নিজ পরিবেশ সুন্দর রাখতে উদ্বুদ্ধ করা প্রয়োজন। এ জন্য বাঁশবাড়ি কলোনির মতো উদ্যোগ অন্য এলাকাতেও ছড়িয়ে দেওয়ার বিষয়ে ভাবা হচ্ছে।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে নগরের বাঁশবাড়ি কলোনি ঘুরে দেখেন মন্ত্রী। এ সময় তিনি কলোনির পরিবেশ ও সৌন্দর্যবর্ধনের উদ্যোগ পর্যবেক্ষণ করেন।
পরিদর্শনকালে আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, প্রধানমন্ত্রী তাকে কলোনিটির একটি ছবি পাঠিয়েছেন। ছোট একটি রাস্তা ও তার আশপাশের পরিবেশ সুন্দর করে রাখার উদ্যোগ তাকে অভিভূত করেছে। মানুষের বসবাসের জায়গাগুলো পরিষ্কার রাখা, গাছ লাগানো এবং পরিবেশের প্রতি মানুষের মানসিক সংযোগ বাড়ানো জরুরি।
মন্ত্রী বলেন, বাঁশবাড়ি কলোনির এই উদ্যোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে তিনি কথা বলেছেন। অন্য এলাকার মানুষকেও নিজেদের আবাসিক এলাকা পরিষ্কার রাখা এবং গাছ ও ফুল লাগানোর বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করা যায় কি না, তা নিয়ে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। এ জন্য বিভিন্ন শহরের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে কলোনিটির ছবি অন্যদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, দেশের মাটি ও আবহাওয়ার উপযোগী ফলদ, বনজ, ঔষধি ও শোভাবর্ধনকারী গাছ লাগানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। যেসব এলাকায় ইউক্যালিপটাসের পরিবর্তে অন্য প্রজাতির গাছ লাগানো হচ্ছে, সেখানে বিকল্প গাছ রোপণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে উপযোগী ও অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ গাছের চারা উৎপাদন এবং সেগুলো সংশ্লিষ্ট এলাকায় লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, চলতি বছর পাঁচ কোটি গাছ লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও তা বাড়িয়ে সাড়ে পাঁচ থেকে ছয় কোটি গাছ লাগানোর আশা করা হচ্ছে। বছরজুড়েই বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
পরিদর্শনকালে ময়মনসিংহ সদর আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ, মুক্তাগাছা আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জাকির হোসেন, ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান এবং বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ নূরুল করিমসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচকে/এসকে