গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামের উপসর্গে আরও ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সিলেট বিভাগে ২ জন এবং ঢাকা ও খুলনা বিভাগে ১ জন করে মারা গেছেন। জেলাভিত্তিক হিসেবে সিলেট, সুনামগঞ্জ, ঢাকা ও খুলনা জেলায় একজন করে মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র (হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম) থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ৭ অক্টোবর সকাল ৮টা থেকে ৮ অক্টোবর সকাল ৮টা পর্যন্ত সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করা হয়।
২৪ ঘণ্টার আক্রান্ত ও ভর্তির চিত্র
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে নতুন করে ১,৩৩২ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে নিশ্চিত হাম রোগী হিসেবে ৯৬ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। গত একদিনে নতুন করে ১,২৫১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১,২০৭ জন।
বিভাগভিত্তিক হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি ৪৬০ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন ঢাকা বিভাগে। এছাড়া চট্টগ্রামে ২৭০ জন, সিলেটে ২৩২ জন, বরিশালে ১৩৬ জন, খুলনায় ১১২ জন, ময়মনসিংহে ৬১ জন, রংপুরে ৩৩ জন এবং রাজশাহী বিভাগে ২৮ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন।
চলতি বছরের মোট চিত্র (১৫ মার্চ ২০২৬ থেকে অদ্যাবধি)
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব মতে, গত ১৫ মার্চ ২০২৬ থেকে অদ্যাবধি দেশে মোট ২,০১,৬২৫ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ল্যাব নিশ্চিত রোগীর সংখ্যা ২২,১১৬ জন। এ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর মধ্যে মৃত্যুবরণ করেছেন ১,০৪০ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০৪ জনে।
এ পর্যন্ত সারা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ১,৭৮,৯২৭ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন, যার মধ্যে ১,৭১,৬৮০ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন।
বিভাগভিত্তিক মোট মৃত্যু
১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে সবচেয়ে বেশি ৪৭১ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এছাড়া সিলেটে ১৮২ জন, চট্টগ্রামে ৯১ জন, রাজশাহীতে ৯৩ জন, ময়মনসিংহে ৮০ জন, বরিশালে ৬১ জন, খুলনায় ৪৬ জন এবং রংপুর বিভাগে ১৬ জনের মৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে।
জাতীয় হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জাতীয় হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি ২০২৬ জোরদার করা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ইপিআই অ্যান্ড সার্ভিল্যান্স ডেটা অনুযায়ী, দেশজুড়ে লক্ষ্যমাত্রার ১১৪.১% অর্থাৎ ১ কোটি ৮০ লাখ ১৫ হাজার ৬৪ জন শিশুকে টিকা প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে বিভাগীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ কাভারেজ অর্জন করেছে ময়মনসিংহ বিভাগ (১১৮.৮%) এবং বিভিন্ন সিটি কর্পোরেশনের মধ্যে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন (১২৪.৭%) শীর্ষে রয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা হামের উপসর্গ (যেমন: ধুম জ্বর, শরীরে লালচে র্যাশ বা দাগ, কাশি ও চোখ লাল হওয়া) দেখা মাত্রই দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচকে/এসকে
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র (হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম) থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ৭ অক্টোবর সকাল ৮টা থেকে ৮ অক্টোবর সকাল ৮টা পর্যন্ত সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করা হয়।
২৪ ঘণ্টার আক্রান্ত ও ভর্তির চিত্র
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে নতুন করে ১,৩৩২ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে নিশ্চিত হাম রোগী হিসেবে ৯৬ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। গত একদিনে নতুন করে ১,২৫১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১,২০৭ জন।
বিভাগভিত্তিক হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি ৪৬০ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন ঢাকা বিভাগে। এছাড়া চট্টগ্রামে ২৭০ জন, সিলেটে ২৩২ জন, বরিশালে ১৩৬ জন, খুলনায় ১১২ জন, ময়মনসিংহে ৬১ জন, রংপুরে ৩৩ জন এবং রাজশাহী বিভাগে ২৮ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন।
চলতি বছরের মোট চিত্র (১৫ মার্চ ২০২৬ থেকে অদ্যাবধি)
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব মতে, গত ১৫ মার্চ ২০২৬ থেকে অদ্যাবধি দেশে মোট ২,০১,৬২৫ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ল্যাব নিশ্চিত রোগীর সংখ্যা ২২,১১৬ জন। এ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর মধ্যে মৃত্যুবরণ করেছেন ১,০৪০ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০৪ জনে।
এ পর্যন্ত সারা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ১,৭৮,৯২৭ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন, যার মধ্যে ১,৭১,৬৮০ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন।
বিভাগভিত্তিক মোট মৃত্যু
১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে সবচেয়ে বেশি ৪৭১ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এছাড়া সিলেটে ১৮২ জন, চট্টগ্রামে ৯১ জন, রাজশাহীতে ৯৩ জন, ময়মনসিংহে ৮০ জন, বরিশালে ৬১ জন, খুলনায় ৪৬ জন এবং রংপুর বিভাগে ১৬ জনের মৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে।
জাতীয় হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জাতীয় হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি ২০২৬ জোরদার করা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ইপিআই অ্যান্ড সার্ভিল্যান্স ডেটা অনুযায়ী, দেশজুড়ে লক্ষ্যমাত্রার ১১৪.১% অর্থাৎ ১ কোটি ৮০ লাখ ১৫ হাজার ৬৪ জন শিশুকে টিকা প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে বিভাগীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ কাভারেজ অর্জন করেছে ময়মনসিংহ বিভাগ (১১৮.৮%) এবং বিভিন্ন সিটি কর্পোরেশনের মধ্যে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন (১২৪.৭%) শীর্ষে রয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা হামের উপসর্গ (যেমন: ধুম জ্বর, শরীরে লালচে র্যাশ বা দাগ, কাশি ও চোখ লাল হওয়া) দেখা মাত্রই দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচকে/এসকে