নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় নতুন একটি গ্যাসকূপে গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে। উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের বড় চারিগাঁও এলাকায় খনন করা ‘সুন্দলপুর-৪ মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপ’-এ গ্যাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)। বর্তমানে কূপটিতে ড্রিল স্টেম টেস্ট (ডিএসটি) চলছে। পরীক্ষা শেষ হলে কূপটিতে গ্যাসের প্রকৃত মজুত ও উৎপাদন সক্ষমতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে কূপটিতে গ্যাসের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ার বিষয়টি জানায় বাপেক্স। এর আগে গত ২৮ জুলাই কূপটির খননকাজ শুরু করা হয়।
বাপেক্স সূত্রে জানা গেছে, ডিরেকশনাল ওয়েল পদ্ধতিতে এমডব্লিউডি প্রযুক্তি ব্যবহার করে কূপটি ১ হাজার ৫৭৮ মিটার গভীর পর্যন্ত খনন করা হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৪২০ থেকে ১ হাজার ৪৬০ মিটার গভীরতার স্তরে গ্যাসের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কূপটি থেকে প্রতিদিন প্রায় ৭ মিলিয়ন ঘনফুট বা ৭০ লাখ ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হতে পারে। তবে ডিএসটি পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কূপটির মোট গ্যাসের মজুত ও বাণিজ্যিকভাবে উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের পরিমাণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।
‘সুন্দলপুর-৪ মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপ’ খনন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. মোজাম্মেল হক বলেন, বর্তমানে কূপটিতে ডিএসটি পরীক্ষা চলছে। পরীক্ষা শেষ হতে আরও দুই থেকে তিন দিন সময় লাগতে পারে। এরপর কূপটিতে কী পরিমাণ গ্যাস মজুত রয়েছে এবং কী পরিমাণ গ্যাস উত্তোলন করা সম্ভব হবে, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
সেনবাগে নতুন গ্যাসকূপে গ্যাসের সন্ধান পাওয়ার খবরে স্থানীয়দের মধ্যে আনন্দ ও ব্যাপক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, গ্যাস উত্তোলন শুরু হলে এর সুফল শুধু জাতীয় পর্যায়েই নয়, স্থানীয়ভাবেও পৌঁছানো প্রয়োজন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ডিএসটি পরীক্ষার ফলাফল পাওয়ার পরই কূপটির প্রকৃত উৎপাদন সক্ষমতা ও গ্যাসের মজুত সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা পাওয়া যাবে। পরীক্ষায় প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী উৎপাদন সক্ষমতা নিশ্চিত হলে কূপটি দেশের গ্যাস সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দা সানাউল্লাহ সাইফ বলেন, সেনবাগে গ্যাসের সন্ধান নিঃসন্দেহে আমাদের জন্য আনন্দের খবর। গ্যাস উত্তোলন শুরু হলে এর সুফল যেন স্থানীয় মানুষও পায়। বিশেষ করে শিল্পকারখানা স্থাপন ও এলাকায় গ্যাস সরবরাহের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা উচিত।
আরেক স্থানীয় বাসিন্দা কামরুল উসলাম সাকিব বলেন, সেনবাগে দীর্ঘদিন ধরে কর্মসংস্থান ও শিল্পায়নের প্রয়োজন রয়েছে। এখানে গ্যাস পাওয়া গেলে নতুন শিল্পকারখানা গড়ে ওঠার সম্ভাবনা তৈরি হবে। এতে স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থান বাড়বে এবং এলাকার অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী আজিজুর রহমান জাহাঙ্গীর বলেন, গ্যাসের এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে সেনবাগে শিল্প ও ব্যবসার নতুন ক্ষেত্র তৈরি করা সম্ভব। তবে এর সুফল যেন শুধু কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ না থাকে, স্থানীয় মানুষও যেন এর সুবিধা পায়।
নবীপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা আলাউদ্দিন বলেন, আমাদের এলাকায় গ্যাস পাওয়া গেছে- এটি অনেক বড় খবর। এখন আমাদের প্রত্যাশা, দ্রুত পরীক্ষার কাজ শেষ করে গ্যাস উত্তোলনের বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেয়া হবে।
নবীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. বেলায়েত হোসেন সোহেল বলেন, আমাদের এলাকায় গ্যাসের সন্ধান পাওয়ায় এলাকাবাসী অত্যন্ত আনন্দিত। জাতীয় গ্রিডে গ্যাস যুক্ত হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের চাহিদার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে- এটাই এলাকাবাসীর প্রত্যাশা।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে কূপটিতে গ্যাসের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ার বিষয়টি জানায় বাপেক্স। এর আগে গত ২৮ জুলাই কূপটির খননকাজ শুরু করা হয়।
বাপেক্স সূত্রে জানা গেছে, ডিরেকশনাল ওয়েল পদ্ধতিতে এমডব্লিউডি প্রযুক্তি ব্যবহার করে কূপটি ১ হাজার ৫৭৮ মিটার গভীর পর্যন্ত খনন করা হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৪২০ থেকে ১ হাজার ৪৬০ মিটার গভীরতার স্তরে গ্যাসের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কূপটি থেকে প্রতিদিন প্রায় ৭ মিলিয়ন ঘনফুট বা ৭০ লাখ ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হতে পারে। তবে ডিএসটি পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কূপটির মোট গ্যাসের মজুত ও বাণিজ্যিকভাবে উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের পরিমাণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।
‘সুন্দলপুর-৪ মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপ’ খনন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. মোজাম্মেল হক বলেন, বর্তমানে কূপটিতে ডিএসটি পরীক্ষা চলছে। পরীক্ষা শেষ হতে আরও দুই থেকে তিন দিন সময় লাগতে পারে। এরপর কূপটিতে কী পরিমাণ গ্যাস মজুত রয়েছে এবং কী পরিমাণ গ্যাস উত্তোলন করা সম্ভব হবে, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
সেনবাগে নতুন গ্যাসকূপে গ্যাসের সন্ধান পাওয়ার খবরে স্থানীয়দের মধ্যে আনন্দ ও ব্যাপক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, গ্যাস উত্তোলন শুরু হলে এর সুফল শুধু জাতীয় পর্যায়েই নয়, স্থানীয়ভাবেও পৌঁছানো প্রয়োজন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ডিএসটি পরীক্ষার ফলাফল পাওয়ার পরই কূপটির প্রকৃত উৎপাদন সক্ষমতা ও গ্যাসের মজুত সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা পাওয়া যাবে। পরীক্ষায় প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী উৎপাদন সক্ষমতা নিশ্চিত হলে কূপটি দেশের গ্যাস সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দা সানাউল্লাহ সাইফ বলেন, সেনবাগে গ্যাসের সন্ধান নিঃসন্দেহে আমাদের জন্য আনন্দের খবর। গ্যাস উত্তোলন শুরু হলে এর সুফল যেন স্থানীয় মানুষও পায়। বিশেষ করে শিল্পকারখানা স্থাপন ও এলাকায় গ্যাস সরবরাহের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা উচিত।
আরেক স্থানীয় বাসিন্দা কামরুল উসলাম সাকিব বলেন, সেনবাগে দীর্ঘদিন ধরে কর্মসংস্থান ও শিল্পায়নের প্রয়োজন রয়েছে। এখানে গ্যাস পাওয়া গেলে নতুন শিল্পকারখানা গড়ে ওঠার সম্ভাবনা তৈরি হবে। এতে স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থান বাড়বে এবং এলাকার অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী আজিজুর রহমান জাহাঙ্গীর বলেন, গ্যাসের এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে সেনবাগে শিল্প ও ব্যবসার নতুন ক্ষেত্র তৈরি করা সম্ভব। তবে এর সুফল যেন শুধু কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ না থাকে, স্থানীয় মানুষও যেন এর সুবিধা পায়।
নবীপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা আলাউদ্দিন বলেন, আমাদের এলাকায় গ্যাস পাওয়া গেছে- এটি অনেক বড় খবর। এখন আমাদের প্রত্যাশা, দ্রুত পরীক্ষার কাজ শেষ করে গ্যাস উত্তোলনের বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেয়া হবে।
নবীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. বেলায়েত হোসেন সোহেল বলেন, আমাদের এলাকায় গ্যাসের সন্ধান পাওয়ায় এলাকাবাসী অত্যন্ত আনন্দিত। জাতীয় গ্রিডে গ্যাস যুক্ত হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের চাহিদার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে- এটাই এলাকাবাসীর প্রত্যাশা।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন