ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক আগ্রাসনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের (এসএনএসসি) প্রধান মেজর জেনারেল মোহসেন রেজাই। তাঁর দাবি, একইভাবে চলমান অর্থনৈতিক যুদ্ধেও যুক্তরাষ্ট্র ব্যর্থ হবে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে রেজাই এসব কথা বলেন। তিনি অভিযোগ করেন, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক অবরোধকে সফল হিসেবে তুলে ধরতে গিয়ে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ব্যর্থ হয়েছেন।
অর্থনৈতিক সংবাদভিত্তিক ওয়েবসাইট ব্লুমবার্গের সাম্প্রতিক একটি প্রতিবেদনের প্রসঙ্গ টেনে রেজাই বলেন, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসনের প্রভাব, বিশেষ করে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির বিষয়টি আড়াল করার চেষ্টা করছেন বেসেন্ট।
গত কয়েক সপ্তাহে বেসেন্ট একাধিকবার দাবি করেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামুদ্রিক অবরোধ সফলভাবে কার্যকর হয়েছে এবং এর ফলে দেশটির অর্থনীতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, এই অবরোধের কারণে শেষ পর্যন্ত ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতায় বসতে এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলতে বাধ্য হবে।
পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ দিয়ে বিশ্বের মোট তেল চাহিদার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়। মার্চে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের আগ্রাসন শুরুর পরপরই ইরান হরমুজ প্রণালিতে বিধিনিষেধ আরোপ করে।
বেসেন্টের এসব বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করে রেজাই বলেন, যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধ করা এবং ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা ও অবরোধ প্রত্যাহারের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র তেহরানের শর্ত মেনে নিলেই কেবল হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলবে।
রেজাই বলেন, ‘আপনারা সামরিক যুদ্ধে হেরেছেন। অর্থনৈতিক যুদ্ধেও আপনারা ব্যর্থ হবেন। হুমকি বা চাপ প্রয়োগ করে হরমুজ খোলা যাবে না। ইরান পিছু হটবে না।’
সূত্র: প্রেস টিভি
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচকে/এসকে
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে রেজাই এসব কথা বলেন। তিনি অভিযোগ করেন, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক অবরোধকে সফল হিসেবে তুলে ধরতে গিয়ে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ব্যর্থ হয়েছেন।
অর্থনৈতিক সংবাদভিত্তিক ওয়েবসাইট ব্লুমবার্গের সাম্প্রতিক একটি প্রতিবেদনের প্রসঙ্গ টেনে রেজাই বলেন, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসনের প্রভাব, বিশেষ করে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির বিষয়টি আড়াল করার চেষ্টা করছেন বেসেন্ট।
গত কয়েক সপ্তাহে বেসেন্ট একাধিকবার দাবি করেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামুদ্রিক অবরোধ সফলভাবে কার্যকর হয়েছে এবং এর ফলে দেশটির অর্থনীতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, এই অবরোধের কারণে শেষ পর্যন্ত ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতায় বসতে এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলতে বাধ্য হবে।
পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ দিয়ে বিশ্বের মোট তেল চাহিদার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়। মার্চে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের আগ্রাসন শুরুর পরপরই ইরান হরমুজ প্রণালিতে বিধিনিষেধ আরোপ করে।
বেসেন্টের এসব বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করে রেজাই বলেন, যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধ করা এবং ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা ও অবরোধ প্রত্যাহারের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র তেহরানের শর্ত মেনে নিলেই কেবল হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলবে।
রেজাই বলেন, ‘আপনারা সামরিক যুদ্ধে হেরেছেন। অর্থনৈতিক যুদ্ধেও আপনারা ব্যর্থ হবেন। হুমকি বা চাপ প্রয়োগ করে হরমুজ খোলা যাবে না। ইরান পিছু হটবে না।’
সূত্র: প্রেস টিভি
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচকে/এসকে