রাশিয়ার ড্রোন হামলা থেকে বাঁচতে অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে ইউক্রেন। কিয়েভের সেতুগুলোতে প্রথমবারের মতো সুরক্ষা জাল বসানোর কাজ শুরু করেছে ইউক্রেন।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বার্তা সংস্থা এএফপির সাংবাদিকরা বিষয়টি প্রত্যক্ষ করেছেন।
এর কয়েক দিন আগেই কিয়েভের গুরুত্বপূর্ণ সেতুগুলোতে ড্রোন হামলা চালিয়েছিল রাশিয়া।
কিয়েভের প্রধান নর্থ ব্রিজের দুই পাশে বড় আকারের জাল টানানো হয়েছে। সাম্প্রতিক রুশ ড্রোন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত সেতুগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম।
রাজধানী কিয়েভে এ ধরনের জাল বসানোর ঘটনা এটাই প্রথম। ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলের যুদ্ধক্ষেত্রের কাছাকাছি এলাকায় ছোট আকারের বিস্ফোরকবাহী ড্রোন থেকে পরিবহন পথ রক্ষায় যেসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, এটি তারই অনুরূপ একটি পদক্ষেপ।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসন শুরুর পর থেকেই কিয়েভ তার আটটি প্রধান সড়ক ও রেল সেতুর ওপর হামলার আশঙ্কা করে আসছিল। কারণ রাজধানীর যোগাযোগ ও সরবরাহ ব্যবস্থার জন্য এই সেতুগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
গত সপ্তাহে শুরু হওয়া এসব হামলার কারণে বারবার যান চলাচল বন্ধ রাখতে হয়। ফলে প্রায় ৩০ লাখ মানুষের এই শহরে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
সংঘাত পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এসিএলইডির তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে এএফপি জানিয়েছে, কিয়েভ এখন এমন তীব্র রুশ হামলার মুখে পড়েছে, যা ২০২২ সালের মার্চের পর আর দেখা যায়নি।
গত সপ্তাহে মেয়র ভিটালি ক্লিটস্কো সতর্ক করে বলেছিলেন, রাজধানীকে এখন যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত হতে হবে। কারণ শত্রুপক্ষ সেতু ও জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলার মাধ্যমে কিয়েভকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বার্তা সংস্থা এএফপির সাংবাদিকরা বিষয়টি প্রত্যক্ষ করেছেন।
এর কয়েক দিন আগেই কিয়েভের গুরুত্বপূর্ণ সেতুগুলোতে ড্রোন হামলা চালিয়েছিল রাশিয়া।
কিয়েভের প্রধান নর্থ ব্রিজের দুই পাশে বড় আকারের জাল টানানো হয়েছে। সাম্প্রতিক রুশ ড্রোন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত সেতুগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম।
রাজধানী কিয়েভে এ ধরনের জাল বসানোর ঘটনা এটাই প্রথম। ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলের যুদ্ধক্ষেত্রের কাছাকাছি এলাকায় ছোট আকারের বিস্ফোরকবাহী ড্রোন থেকে পরিবহন পথ রক্ষায় যেসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, এটি তারই অনুরূপ একটি পদক্ষেপ।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসন শুরুর পর থেকেই কিয়েভ তার আটটি প্রধান সড়ক ও রেল সেতুর ওপর হামলার আশঙ্কা করে আসছিল। কারণ রাজধানীর যোগাযোগ ও সরবরাহ ব্যবস্থার জন্য এই সেতুগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
গত সপ্তাহে শুরু হওয়া এসব হামলার কারণে বারবার যান চলাচল বন্ধ রাখতে হয়। ফলে প্রায় ৩০ লাখ মানুষের এই শহরে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
সংঘাত পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এসিএলইডির তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে এএফপি জানিয়েছে, কিয়েভ এখন এমন তীব্র রুশ হামলার মুখে পড়েছে, যা ২০২২ সালের মার্চের পর আর দেখা যায়নি।
গত সপ্তাহে মেয়র ভিটালি ক্লিটস্কো সতর্ক করে বলেছিলেন, রাজধানীকে এখন যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত হতে হবে। কারণ শত্রুপক্ষ সেতু ও জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলার মাধ্যমে কিয়েভকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন