প্রজনন মৌসুমে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মা ইলিশ শিকার করলে সংশ্লিষ্ট জেলেদের কমপক্ষে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয়া হবে। পাশাপাশি তাদের জেলে কার্ড বাতিল হবে বলে জানিয়েছেন চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা মৎস্য দপ্তর আয়োজিত মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান উপলক্ষে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন-সংক্রান্ত জেলা টাস্কফোর্স কমিটির সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় জেলা প্রশাসক বলেন, মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে নদী-সংলগ্ন খালের মুখ বন্ধ করা এবং অভয়াশ্রম এলাকায় পাঁচটি অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসক আরও বলেন, যেসব জেলে নিষেধাজ্ঞার সময় নদীতে নামবেন না এবং মা ইলিশ শিকার থেকে বিরত থাকবেন, তাদের প্রত্যেককে ২৫ কেজি করে খাদ্যসহায়তা দেয়া হবে। চাঁদপুর জেলায় এ সহায়তা পাবেন ৪১ হাজার ৩৯০ জন জেলে।
সভায় জানানো হয়, আগামী ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত টানা ২২ দিন প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় সারাদেশে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত, বাজারজাতকরণ এবং ক্রয়-বিক্রয় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।
এ সময় চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীর মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল থেকে হাইমচর উপজেলার চরভৈরবী পর্যন্ত প্রায় ৭০ কিলোমিটার এলাকাকে কেন্দ্র করে বিশেষ নজরদারি চালানো হবে। এ অভয়াশ্রমে মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ, নৌপুলিশ ও কোস্টগার্ড সমন্বিতভাবে কাজ করবে।
সভায় মা ইলিশের প্রজনন নিরাপদ করতে বক্তব্য দেন নৌ পুলিশ চাঁদপুর অঞ্চলের পুলিশ সুপার সৈয়দ মোশফিকুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উজালা রানী চাকমা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. খায়রুল কবীর, কোস্টগার্ড স্টেশন কমান্ডার লে. কমান্ডার মুহতাছিন ইসলাম এবং সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক।
এ ছাড়া বক্তব্য দেন হাইমচর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মাহবুবু রহমান, জেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি গোলাম মোস্তফা এবং জেলেদের পক্ষে শহরের টিলাবাড়ি এলাকার জেলে মো. জাহিদ হোসেন ও আব্দুল বারেক।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচকে/এসকে
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা মৎস্য দপ্তর আয়োজিত মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান উপলক্ষে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন-সংক্রান্ত জেলা টাস্কফোর্স কমিটির সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় জেলা প্রশাসক বলেন, মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে নদী-সংলগ্ন খালের মুখ বন্ধ করা এবং অভয়াশ্রম এলাকায় পাঁচটি অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসক আরও বলেন, যেসব জেলে নিষেধাজ্ঞার সময় নদীতে নামবেন না এবং মা ইলিশ শিকার থেকে বিরত থাকবেন, তাদের প্রত্যেককে ২৫ কেজি করে খাদ্যসহায়তা দেয়া হবে। চাঁদপুর জেলায় এ সহায়তা পাবেন ৪১ হাজার ৩৯০ জন জেলে।
সভায় জানানো হয়, আগামী ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত টানা ২২ দিন প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় সারাদেশে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত, বাজারজাতকরণ এবং ক্রয়-বিক্রয় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।
এ সময় চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীর মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল থেকে হাইমচর উপজেলার চরভৈরবী পর্যন্ত প্রায় ৭০ কিলোমিটার এলাকাকে কেন্দ্র করে বিশেষ নজরদারি চালানো হবে। এ অভয়াশ্রমে মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ, নৌপুলিশ ও কোস্টগার্ড সমন্বিতভাবে কাজ করবে।
সভায় মা ইলিশের প্রজনন নিরাপদ করতে বক্তব্য দেন নৌ পুলিশ চাঁদপুর অঞ্চলের পুলিশ সুপার সৈয়দ মোশফিকুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উজালা রানী চাকমা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. খায়রুল কবীর, কোস্টগার্ড স্টেশন কমান্ডার লে. কমান্ডার মুহতাছিন ইসলাম এবং সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক।
এ ছাড়া বক্তব্য দেন হাইমচর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মাহবুবু রহমান, জেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি গোলাম মোস্তফা এবং জেলেদের পক্ষে শহরের টিলাবাড়ি এলাকার জেলে মো. জাহিদ হোসেন ও আব্দুল বারেক।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচকে/এসকে