উচ্চমূল্যের বাজারে এমনিতেই চাপে থাকা সাধারণ মানুষের কষ্ট আরও বাড়িয়ে নতুন করে বেড়েছে চাল, আটা, ময়দা, ডাল, ভোজ্যতেল, ডিম, দুধ ও সবজিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় সব পণ্যের দাম। গত ২১ সেপ্টেম্বর দেশে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর পরিবহন ভাড়ার দোহাই দিয়ে ব্যবসায়ীরা এই মূল্যবৃদ্ধি ঘটিয়েছেন।
সরকারি বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) দৈনিক বাজার প্রতিবেদনেও এক মাসের ব্যবধানে এসব পণ্যের দাম বাড়ার চিত্র উঠে এসেছে। তবে ভোক্তাদের অভিযোগ, জ্বালানির দাম বা পরিবহন ভাড়া যতটুকু বেড়েছে, তার চেয়ে বহুগুণ বেশি হারে পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেওয়াটা এখন ব্যবসায়ীদের রীতিতে পরিণত হয়েছে।
রাজধানীর বাজার ঘুরে এবং টিসিবির তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, মাসের ব্যবধানে মাঝারি ও সরু চালের দাম কেজিতে ১ থেকে আড়াই শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। সুগন্ধি পোলাও চালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২১০ থেকে ২৩০ টাকায়। সবচেয়ে বেশি বেড়েছে আটা-ময়দার দাম।
প্যাকেট আটা ৮ শতাংশ এবং প্যাকেট ময়দা প্রায় ১৭ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। খোলা সয়াবিন তেলের দাম লিটারপ্রতি ১৯৫ থেকে ২০০ টাকায় ঠেকেছে। বড় দানার মসুর ডাল ৯৫-১০০ টাকা এবং ছোলার দাম বেড়েছে ১০ শতাংশেরও বেশি।
এদিকে কাঁচাবাজারেও উত্তাপ ছড়াচ্ছে সবজির দাম। বেগুন, শসা ও কাঁচামরিচের দাম ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে, অন্যান্য সবজির দামও কেজিতে ১০-২০ টাকা বাড়তি। ফিড ও পরিবহন খরচের অজুহাতে ফার্মের বাদামি ডিমের ডজন প্রতি দাম বেড়ে ৫৫ টাকা (হালি) হয়েছে। তরল দুধ লিটারপ্রতি ১০ টাকা বেড়ে ১১০ টাকা এবং গরুর মাংস কোথাও কোথাও ৮০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
তেজগাঁওয়ের ডিম ব্যবসায়ী, কারওয়ান বাজারের চাল ও সবজি বিক্রেতাদের দাবি-জ্বালানির দাম বাড়ায় পরিবহন খরচ, সংগ্রহ ব্যয় ও গোখাদ্যের দাম বেড়ে গেছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে খুচরা বাজারে। তবে এই যুক্তি মানতে নারাজ ক্রেতারা।
তেজগাঁওয়ের বাসিন্দা মোস্তাক আহমেদ এবং কদমতলীর হাবিব রহমান জানান, নিত্যনতুন অজুহাতে জিনিসপত্রের দাম লাফিয়ে বাড়ায় সীমিত আয়ে সংসার চালানো ও হিসাব মেলানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ধার-দেনা করে চলতে হচ্ছে নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের।
ভোক্তা অধিকার সংগঠন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহসভাপতি এস এম নাজের হোসাইন এই মূল্যবৃদ্ধির প্রবণতার কঠোর সমালোচনা করেছেন।
তিনি বলেন, ব্যবসায়ীদের মাঝে যেকোনো অজুহাতে পণ্যের দাম যৌক্তিকের চেয়ে বেশি বাড়িয়ে দেওয়ার একটি অসাধু প্রবণতা রয়েছে। এবার জ্বালানির দাম বাড়ানোয় তারা নতুন করে আরেকটি অজুহাত পেয়েছে। এই ঢালাও মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে এবং সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দিতে অবিলম্বে বাজারে সরকারি নজরদারি ও তদারকি জোরদার করার তাগিদ দিয়েছেন তিনি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচকে/এসকে
সরকারি বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) দৈনিক বাজার প্রতিবেদনেও এক মাসের ব্যবধানে এসব পণ্যের দাম বাড়ার চিত্র উঠে এসেছে। তবে ভোক্তাদের অভিযোগ, জ্বালানির দাম বা পরিবহন ভাড়া যতটুকু বেড়েছে, তার চেয়ে বহুগুণ বেশি হারে পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেওয়াটা এখন ব্যবসায়ীদের রীতিতে পরিণত হয়েছে।
রাজধানীর বাজার ঘুরে এবং টিসিবির তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, মাসের ব্যবধানে মাঝারি ও সরু চালের দাম কেজিতে ১ থেকে আড়াই শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। সুগন্ধি পোলাও চালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২১০ থেকে ২৩০ টাকায়। সবচেয়ে বেশি বেড়েছে আটা-ময়দার দাম।
প্যাকেট আটা ৮ শতাংশ এবং প্যাকেট ময়দা প্রায় ১৭ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। খোলা সয়াবিন তেলের দাম লিটারপ্রতি ১৯৫ থেকে ২০০ টাকায় ঠেকেছে। বড় দানার মসুর ডাল ৯৫-১০০ টাকা এবং ছোলার দাম বেড়েছে ১০ শতাংশেরও বেশি।
এদিকে কাঁচাবাজারেও উত্তাপ ছড়াচ্ছে সবজির দাম। বেগুন, শসা ও কাঁচামরিচের দাম ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে, অন্যান্য সবজির দামও কেজিতে ১০-২০ টাকা বাড়তি। ফিড ও পরিবহন খরচের অজুহাতে ফার্মের বাদামি ডিমের ডজন প্রতি দাম বেড়ে ৫৫ টাকা (হালি) হয়েছে। তরল দুধ লিটারপ্রতি ১০ টাকা বেড়ে ১১০ টাকা এবং গরুর মাংস কোথাও কোথাও ৮০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
তেজগাঁওয়ের ডিম ব্যবসায়ী, কারওয়ান বাজারের চাল ও সবজি বিক্রেতাদের দাবি-জ্বালানির দাম বাড়ায় পরিবহন খরচ, সংগ্রহ ব্যয় ও গোখাদ্যের দাম বেড়ে গেছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে খুচরা বাজারে। তবে এই যুক্তি মানতে নারাজ ক্রেতারা।
তেজগাঁওয়ের বাসিন্দা মোস্তাক আহমেদ এবং কদমতলীর হাবিব রহমান জানান, নিত্যনতুন অজুহাতে জিনিসপত্রের দাম লাফিয়ে বাড়ায় সীমিত আয়ে সংসার চালানো ও হিসাব মেলানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ধার-দেনা করে চলতে হচ্ছে নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের।
ভোক্তা অধিকার সংগঠন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহসভাপতি এস এম নাজের হোসাইন এই মূল্যবৃদ্ধির প্রবণতার কঠোর সমালোচনা করেছেন।
তিনি বলেন, ব্যবসায়ীদের মাঝে যেকোনো অজুহাতে পণ্যের দাম যৌক্তিকের চেয়ে বেশি বাড়িয়ে দেওয়ার একটি অসাধু প্রবণতা রয়েছে। এবার জ্বালানির দাম বাড়ানোয় তারা নতুন করে আরেকটি অজুহাত পেয়েছে। এই ঢালাও মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে এবং সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দিতে অবিলম্বে বাজারে সরকারি নজরদারি ও তদারকি জোরদার করার তাগিদ দিয়েছেন তিনি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচকে/এসকে