নতুন পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো অর্থনৈতিক অভিবাসনের ওপর বাড়তি গুরুত্ব দেয়া। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৭ সাল থেকে স্থায়ী অভিবাসনের প্রায় ৬৪ শতাংশ অর্থনৈতিক শ্রেণির হবে। দক্ষ কর্মী এবং কানাডার শ্রমবাজারে প্রয়োজনীয় দক্ষতা রয়েছে—এমন অভিবাসীদের মাধ্যমে অর্থনীতির চাহিদা পূরণে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।
অন্যদিকে অস্থায়ী বিদেশি কর্মী ও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের নতুন আগমন নিয়ন্ত্রণে রাখার নীতি অব্যাহত রয়েছে। ২০২৬ সালে নতুন অস্থায়ী বাসিন্দা আগমনের লক্ষ্যমাত্রা ৩ লাখ ৮৫ হাজার। এর মধ্যে ২ লাখ ৩০ হাজার কর্মী এবং ১ লাখ ৫৫ হাজার আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী। ২০২৭ ও ২০২৮ সালে মোট নতুন অস্থায়ী বাসিন্দার লক্ষ্যমাত্রা ৩ লাখ ৭০ হাজার করে নির্ধারণ করা হয়েছে।
সরকারের লক্ষ্য হলো ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ কানাডার মোট জনসংখ্যার মধ্যে অস্থায়ী বাসিন্দার অংশ ৫ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনা। একই সঙ্গে স্থায়ী বাসিন্দা গ্রহণের হারও জনসংখ্যার ১ শতাংশের নিচে রাখার লক্ষ্য রয়েছে।
এদিকে কানাডায় ইতোমধ্যে থাকা কিছু অস্থায়ী কর্মীকেও স্থায়ী বাসিন্দার সুযোগ দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬ ও ২০২৭ সালে সর্বোচ্চ ৩৩ হাজার অস্থায়ী কর্মীকে স্থায়ী বাসিন্দায় রূপান্তরের উদ্যোগ নেয়া হবে। এর মাধ্যমে কানাডার সমাজ ও অর্থনীতিতে ইতোমধ্যে প্রতিষ্ঠিত কর্মীদের ধরে রাখার ওপর গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।
ফরাসিভাষী অভিবাসন বাড়ানোর বিষয়টিও নতুন পরিকল্পনায় গুরুত্ব পাচ্ছে। কুইবেকের বাইরে ফরাসিভাষী স্থায়ী বাসিন্দাদের অংশ ২০২৬ সালে ৯ শতাংশ, ২০২৭ সালে ৯ দশমিক ৫ শতাংশ এবং ২০২৮ সালে ১০ দশমিক ৫ শতাংশ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০২৯ সালের মধ্যে এই হার ১২ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে।
কানাডা সরকারের অভিবাসন নীতির অন্যতম লক্ষ্য হলো দেশের শ্রমবাজার ও অর্থনীতির প্রয়োজন মেটানোর পাশাপাশি আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা ও অন্যান্য জনসেবার ওপর অতিরিক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা। ফলে চলতি বছরের শেষভাগে ঘোষণা হতে যাওয়া ২০২৭-২০২৯ সালের নতুন পরিকল্পনায় কতজন স্থায়ী অভিবাসী নেয়া হবে এবং কোন শ্রেণির অভিবাসীদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে—এখন সেদিকেই নজর রয়েছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
অন্যদিকে অস্থায়ী বিদেশি কর্মী ও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের নতুন আগমন নিয়ন্ত্রণে রাখার নীতি অব্যাহত রয়েছে। ২০২৬ সালে নতুন অস্থায়ী বাসিন্দা আগমনের লক্ষ্যমাত্রা ৩ লাখ ৮৫ হাজার। এর মধ্যে ২ লাখ ৩০ হাজার কর্মী এবং ১ লাখ ৫৫ হাজার আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী। ২০২৭ ও ২০২৮ সালে মোট নতুন অস্থায়ী বাসিন্দার লক্ষ্যমাত্রা ৩ লাখ ৭০ হাজার করে নির্ধারণ করা হয়েছে।
সরকারের লক্ষ্য হলো ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ কানাডার মোট জনসংখ্যার মধ্যে অস্থায়ী বাসিন্দার অংশ ৫ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনা। একই সঙ্গে স্থায়ী বাসিন্দা গ্রহণের হারও জনসংখ্যার ১ শতাংশের নিচে রাখার লক্ষ্য রয়েছে।
এদিকে কানাডায় ইতোমধ্যে থাকা কিছু অস্থায়ী কর্মীকেও স্থায়ী বাসিন্দার সুযোগ দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬ ও ২০২৭ সালে সর্বোচ্চ ৩৩ হাজার অস্থায়ী কর্মীকে স্থায়ী বাসিন্দায় রূপান্তরের উদ্যোগ নেয়া হবে। এর মাধ্যমে কানাডার সমাজ ও অর্থনীতিতে ইতোমধ্যে প্রতিষ্ঠিত কর্মীদের ধরে রাখার ওপর গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।
ফরাসিভাষী অভিবাসন বাড়ানোর বিষয়টিও নতুন পরিকল্পনায় গুরুত্ব পাচ্ছে। কুইবেকের বাইরে ফরাসিভাষী স্থায়ী বাসিন্দাদের অংশ ২০২৬ সালে ৯ শতাংশ, ২০২৭ সালে ৯ দশমিক ৫ শতাংশ এবং ২০২৮ সালে ১০ দশমিক ৫ শতাংশ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০২৯ সালের মধ্যে এই হার ১২ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে।
কানাডা সরকারের অভিবাসন নীতির অন্যতম লক্ষ্য হলো দেশের শ্রমবাজার ও অর্থনীতির প্রয়োজন মেটানোর পাশাপাশি আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা ও অন্যান্য জনসেবার ওপর অতিরিক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা। ফলে চলতি বছরের শেষভাগে ঘোষণা হতে যাওয়া ২০২৭-২০২৯ সালের নতুন পরিকল্পনায় কতজন স্থায়ী অভিবাসী নেয়া হবে এবং কোন শ্রেণির অভিবাসীদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে—এখন সেদিকেই নজর রয়েছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন