শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা পৌর এলাকার কেন্দ্রীয় শ্রী শ্রী হরি মন্দিরে চলছে শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততা। মণ্ডপ প্রাঙ্গণে জোরকদমে এগিয়ে চলেছে প্যান্ডেল নির্মাণ, আলপনা ও সাজসজ্জার কাজ। স্থানীয় আয়োজকদের দাবি, দক্ষিণ অঞ্চলের অন্যতম বৃহত্তম ও বর্ণাঢ্য দুর্গাপূজার আয়োজন হতে যাচ্ছে এটি।
মন্দির কমিটির তথ্য অনুযায়ী, আলফাডাঙ্গা সদর বাজারের পাশে কুসুমদি গ্রামে ২০০৫ সাল থেকে শ্রী শ্রী হরি মন্দিরে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপিত হয়ে আসছে। তবে এবার পঞ্চমবারের মতো বিশাল পরিসরে এই পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গত বছর ২৫১টি প্রতিমা নিয়ে মণ্ডপ সাজানো হলেও এবার আরও ২৬টি বাড়িয়ে মোট ২৭৭টি প্রতিমা স্থাপন করা হয়েছে। এসব প্রতিমায় মনসামঙ্গল কাব্যের সতীনারী বেহুলার উপাখ্যান ও নবদুর্গার জীবনকাহিনি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা উপজেলার বিখ্যাত মৃৎশিল্পী নিরঞ্জন দাস ও সুব্রত দাস ৬ জন সহকারীকে নিয়ে দীর্ঘ দুই মাস ধরে এই বিশাল প্রতিমাগুলো নির্মাণ করেছেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রতিমা তৈরির কাজ প্রায় শেষ। এখন বিশাল আঙিনাজুড়ে দৃষ্টিনন্দন প্যান্ডেল ও আধুনিক আলোকসজ্জার কাজ চলছে। দর্শনার্থীদের নজর কাড়তে পুরো চত্বরজুড়ে ভিন্ন ভিন্ন থিম ও আলপনার সমন্বয় ঘটানো হচ্ছে। আগামী ১৬ অক্টোবর ষষ্ঠী পূজার মাধ্যমে এই রূপময় প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে, যা লক্ষ্মীপূজা পর্যন্ত সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
কেন্দ্রীয় শ্রী শ্রী হরি মন্দির দুর্গাপূজা উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ডা. সুমন রায় জানান, ‘দর্শনার্থীদের সর্বোচ্চ স্বাচ্ছন্দ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তার সুবিধার্থে পুরো পূজামণ্ডপ সিসিটিভি ক্যামেরার আওতাভুক্ত থাকবে এবং শৃঙ্খলা রক্ষায় সার্বক্ষণিক কাজ করবে আমাদের নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক দল।’
উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি প্রবীর কুমার বিশ্বাস আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘ব্যতিক্রমী এই প্রতিমা প্রদর্শনী দেখতে শুধু দেশের দূর-দূরান্ত থেকেই নয়, ভারত থেকেও বহু ভক্ত ও দর্শনার্থী আসেন। গত বছর লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটেছিল। তবে এবার কয়েক লাখ দর্শনার্থীর আগমন ঘটবে বলে আমরা আশা করছি।’
সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়ে আলফাডাঙ্গা থানার ওসি মো. সোহেল সারোয়ার জানান, ‘বৃহৎ এই আয়োজন ও বিপুল জনসমাগমকে কেন্দ্র করে সুনির্দিষ্ট নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি আনসার সদস্য এবং আয়োজকদের নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক টিম মাঠে সক্রিয় থাকবে।’
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
মন্দির কমিটির তথ্য অনুযায়ী, আলফাডাঙ্গা সদর বাজারের পাশে কুসুমদি গ্রামে ২০০৫ সাল থেকে শ্রী শ্রী হরি মন্দিরে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপিত হয়ে আসছে। তবে এবার পঞ্চমবারের মতো বিশাল পরিসরে এই পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গত বছর ২৫১টি প্রতিমা নিয়ে মণ্ডপ সাজানো হলেও এবার আরও ২৬টি বাড়িয়ে মোট ২৭৭টি প্রতিমা স্থাপন করা হয়েছে। এসব প্রতিমায় মনসামঙ্গল কাব্যের সতীনারী বেহুলার উপাখ্যান ও নবদুর্গার জীবনকাহিনি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা উপজেলার বিখ্যাত মৃৎশিল্পী নিরঞ্জন দাস ও সুব্রত দাস ৬ জন সহকারীকে নিয়ে দীর্ঘ দুই মাস ধরে এই বিশাল প্রতিমাগুলো নির্মাণ করেছেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রতিমা তৈরির কাজ প্রায় শেষ। এখন বিশাল আঙিনাজুড়ে দৃষ্টিনন্দন প্যান্ডেল ও আধুনিক আলোকসজ্জার কাজ চলছে। দর্শনার্থীদের নজর কাড়তে পুরো চত্বরজুড়ে ভিন্ন ভিন্ন থিম ও আলপনার সমন্বয় ঘটানো হচ্ছে। আগামী ১৬ অক্টোবর ষষ্ঠী পূজার মাধ্যমে এই রূপময় প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে, যা লক্ষ্মীপূজা পর্যন্ত সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
কেন্দ্রীয় শ্রী শ্রী হরি মন্দির দুর্গাপূজা উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ডা. সুমন রায় জানান, ‘দর্শনার্থীদের সর্বোচ্চ স্বাচ্ছন্দ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তার সুবিধার্থে পুরো পূজামণ্ডপ সিসিটিভি ক্যামেরার আওতাভুক্ত থাকবে এবং শৃঙ্খলা রক্ষায় সার্বক্ষণিক কাজ করবে আমাদের নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক দল।’
উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি প্রবীর কুমার বিশ্বাস আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘ব্যতিক্রমী এই প্রতিমা প্রদর্শনী দেখতে শুধু দেশের দূর-দূরান্ত থেকেই নয়, ভারত থেকেও বহু ভক্ত ও দর্শনার্থী আসেন। গত বছর লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটেছিল। তবে এবার কয়েক লাখ দর্শনার্থীর আগমন ঘটবে বলে আমরা আশা করছি।’
সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়ে আলফাডাঙ্গা থানার ওসি মো. সোহেল সারোয়ার জানান, ‘বৃহৎ এই আয়োজন ও বিপুল জনসমাগমকে কেন্দ্র করে সুনির্দিষ্ট নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি আনসার সদস্য এবং আয়োজকদের নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক টিম মাঠে সক্রিয় থাকবে।’
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন