রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই সংরক্ষিত বনাঞ্চলে পর্যটকদের অবাধ প্রবেশ ও যাতায়াত বন্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বন বিভাগ।
সম্প্রতি বনাঞ্চলের সার্বিক সুরক্ষা ও পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংরক্ষিত এলাকাগুলোতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করে সচেতনতামূলক বিলবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে কাপ্তাইয়ের পাহাড় ও বনাঞ্চলে ঘুরতে এসে পর্যটকদের দুর্ঘটনার শিকার হওয়া এবং পথ হারিয়ে বিপদে পড়ার একাধিক ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে পর্যটকদের অবাধ প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বন বিভাগ।
গত ২০ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম শহর থেকে কাপ্তাইয়ে বেড়াতে এসে কর্ণফুলী নদীতে গোসল করতে নেমে সাদিজ শাহরিয়ার সানম (২৪) নামে এক পর্যটকের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে কাপ্তাই ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা কর্ণফুলী নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেন।
এর আগে, গত ২৯ আগস্ট সংরক্ষিত বনাঞ্চলের সীতার পাহাড়ে ঘুরতে গিয়ে সন্ধ্যায় পথ হারান চার পর্যটক। পাহাড় থেকে নামার সময় তাদের মধ্যে কয়েকজন গুরুতর আহত হন। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল পেয়ে কাপ্তাই ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা অভিযান চালিয়ে তাদের উদ্ধার করেন।
বন বিভাগ সূত্র জানা যায়, শীতকালীন মৌসুমে ও সাম্প্রতিক সময়ে পাহাড় এবং বনাঞ্চলের দুর্গম এলাকায় ট্র্যাকিং বা ঘুরতে গিয়ে বেশ কয়েকজন পর্যটক পথ হারিয়ে মারাত্মক বিপদে পড়ে। পর্যটকরা অবাধে ও নিয়ম না মেনে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে ঢুকে পড়ার কারণেই বারবার এমন দুর্ঘটনা ও নিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে এবং বনের জীববৈচিত্র্য রক্ষার্থে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
কাপ্তাই বন রেঞ্জের রামপাহাড় বিট অফিসার মোহাম্মদ মিঠু তালুকদার বলেন, ‘সংরক্ষিত বনাঞ্চলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এসব সতর্কতামূলক বিলবোর্ড বসানো হয়। বিলবোর্ডগুলোতে স্পষ্ট অক্ষরে উল্লেখ করা হয়েছে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে পর্যটকদের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। জনসাধারণকে সচেতন করতে এবং অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে এসব বিলবোর্ড বসানো হচ্ছে।’
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
সম্প্রতি বনাঞ্চলের সার্বিক সুরক্ষা ও পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংরক্ষিত এলাকাগুলোতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করে সচেতনতামূলক বিলবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে কাপ্তাইয়ের পাহাড় ও বনাঞ্চলে ঘুরতে এসে পর্যটকদের দুর্ঘটনার শিকার হওয়া এবং পথ হারিয়ে বিপদে পড়ার একাধিক ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে পর্যটকদের অবাধ প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বন বিভাগ।
গত ২০ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম শহর থেকে কাপ্তাইয়ে বেড়াতে এসে কর্ণফুলী নদীতে গোসল করতে নেমে সাদিজ শাহরিয়ার সানম (২৪) নামে এক পর্যটকের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে কাপ্তাই ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা কর্ণফুলী নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেন।
এর আগে, গত ২৯ আগস্ট সংরক্ষিত বনাঞ্চলের সীতার পাহাড়ে ঘুরতে গিয়ে সন্ধ্যায় পথ হারান চার পর্যটক। পাহাড় থেকে নামার সময় তাদের মধ্যে কয়েকজন গুরুতর আহত হন। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল পেয়ে কাপ্তাই ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা অভিযান চালিয়ে তাদের উদ্ধার করেন।
বন বিভাগ সূত্র জানা যায়, শীতকালীন মৌসুমে ও সাম্প্রতিক সময়ে পাহাড় এবং বনাঞ্চলের দুর্গম এলাকায় ট্র্যাকিং বা ঘুরতে গিয়ে বেশ কয়েকজন পর্যটক পথ হারিয়ে মারাত্মক বিপদে পড়ে। পর্যটকরা অবাধে ও নিয়ম না মেনে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে ঢুকে পড়ার কারণেই বারবার এমন দুর্ঘটনা ও নিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে এবং বনের জীববৈচিত্র্য রক্ষার্থে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
কাপ্তাই বন রেঞ্জের রামপাহাড় বিট অফিসার মোহাম্মদ মিঠু তালুকদার বলেন, ‘সংরক্ষিত বনাঞ্চলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এসব সতর্কতামূলক বিলবোর্ড বসানো হয়। বিলবোর্ডগুলোতে স্পষ্ট অক্ষরে উল্লেখ করা হয়েছে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে পর্যটকদের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। জনসাধারণকে সচেতন করতে এবং অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে এসব বিলবোর্ড বসানো হচ্ছে।’
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন