মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ীতে এক প্রবাসীর স্ত্রী স্বর্ণালংকার, নগদ অর্থ ও মুঠোফোন নিয়ে অন্যত্র চলে গিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) মুন্সীগঞ্জের বিজ্ঞ আদালতে মামলা করেছেন ওই প্রবাসীর বাবা আমিরুল ঢালী।
মামলায় প্রবাসীর স্ত্রী লামিয়া আক্তার প্রিয়া, তাঁর বাবা ধলু হাওলাদার, মা রেহানা বেগম ও লামিয়ার দ্বিতীয় স্বামী মো. রাসেলকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রবাসী রবিন ঢালীর সঙ্গে লামিয়া আক্তার প্রিয়ার ২০২৪ সালের ১০ জানুয়ারি মুঠোফোনে বিয়ে হয়। একই দিন হেলিকপ্টারে করে লামিয়াকে শ্বশুরবাড়িতে নেওয়া হয়। বিয়ের পর দুই বছরে লামিয়ার কাছে প্রায় ৩০ লাখ ৩৩ হাজার টাকা পাঠানো হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
রবিন উপজেলার পাঁচগাও ইউনিয়নের মান্দ্রা গ্রামের আমিরুল ঢালীর ছেলে। লামিয়া আক্তার প্রিয়া একই উপজেলার কামারখাড়া ইউনিয়নের মালধা গ্রামের ধলু হাওলাদারের মেয়ে।
মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়, সম্প্রতি লামিয়া তাঁর স্বামীর বাড়ি থেকে ১৭ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ পাঁচ লাখ টাকা ও দুটি আইফোন ১৫ প্রো ম্যাক্স নিয়ে চলে যান। পরে তিনি অন্য এক ব্যক্তিকে বিয়ে করেছেন বলে জানতে পারেন পরিবারের সদস্যরা।
মামলা সূত্রে আরও জানা যায়, গত ১৬ সেপ্টেম্বর লামিয়ার বাবা ধলু হাওলাদার ও মা রেহানা বেগম প্রবাসী রবিনের বাড়িতে বেড়াতে যান। পরে তাঁরা কাউকে না জানিয়ে সেখান থেকে চলে যান। ২১ সেপ্টেম্বর রবিনের পরিবার জানতে পারে, লামিয়া অন্য এক ব্যক্তির সঙ্গে চলে গেছেন এবং তাঁকে বিয়ে করেছেন।
প্রবাসী রবিন ঢালী বলেন, বিয়ের পর তাঁদের সংসার ভালোভাবেই চলছিল। স্ত্রীকে কানাডায় নেওয়ার জন্য তিনি আইইএলটিএস করিয়েছেন এবং ভিসা প্রক্রিয়ারও চেষ্টা করছিলেন। হঠাৎ স্ত্রী বাড়ি থেকে চলে যাওয়ার পর জানতে পারেন, তিনি অন্য একজনকে বিয়ে করেছেন।
রবিনের দাবি, তাঁকে আইনগতভাবে তালাক না দিয়েই দ্বিতীয় বিয়ে করা হয়েছে। এ ছাড়া তাঁর স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তিনি দেশে না থাকায় তাঁর বাবা আদালতে মামলা করেছেন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন রবিন।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন লামিয়া আক্তার প্রিয়া। তিনি বলেন, রবিনের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হলেও তিনি সংসার করতে আসতেন না এবং তাঁকে কানাডায় নেওয়ার ব্যবস্থাও করতে পারেননি। এ কারণে তিনি রবিনকে তালাক দিয়ে অন্যত্র বিয়ে করেছেন। বিয়ের সময় তাঁকে দেওয়া স্বর্ণালংকার তিনি সঙ্গে নিয়ে এসেছেন বলে জানান। তবে নগদ টাকা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি।
লামিয়ার দ্বিতীয় স্বামী মো. রাসেল বলেন, লামিয়ার আগে বিয়ে হয়েছিল, বিষয়টি তিনি জানতেন। তাঁর দাবি, প্রথম স্বামীকে তালাক দেওয়ার পর পারিবারিকভাবে ও ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী লামিয়াকে বিয়ে করেছেন।
এডভোকেট হাবিবুর রহমান বাবুল জানান, প্রবাসী স্বামীর স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা তদন্তের জন্য সিআইডিকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
প্রবাসী রবিন ঢালীর বাবা আমিরুল ঢালী বলেন, আমার পুত্রবধূ আমাদের বাড়ি থেকে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা নিয়ে পালিয়ে গিয়েছে। আমি আদালতে মামলা করেছি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচকে/এসকে
মামলায় প্রবাসীর স্ত্রী লামিয়া আক্তার প্রিয়া, তাঁর বাবা ধলু হাওলাদার, মা রেহানা বেগম ও লামিয়ার দ্বিতীয় স্বামী মো. রাসেলকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রবাসী রবিন ঢালীর সঙ্গে লামিয়া আক্তার প্রিয়ার ২০২৪ সালের ১০ জানুয়ারি মুঠোফোনে বিয়ে হয়। একই দিন হেলিকপ্টারে করে লামিয়াকে শ্বশুরবাড়িতে নেওয়া হয়। বিয়ের পর দুই বছরে লামিয়ার কাছে প্রায় ৩০ লাখ ৩৩ হাজার টাকা পাঠানো হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
রবিন উপজেলার পাঁচগাও ইউনিয়নের মান্দ্রা গ্রামের আমিরুল ঢালীর ছেলে। লামিয়া আক্তার প্রিয়া একই উপজেলার কামারখাড়া ইউনিয়নের মালধা গ্রামের ধলু হাওলাদারের মেয়ে।
মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়, সম্প্রতি লামিয়া তাঁর স্বামীর বাড়ি থেকে ১৭ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ পাঁচ লাখ টাকা ও দুটি আইফোন ১৫ প্রো ম্যাক্স নিয়ে চলে যান। পরে তিনি অন্য এক ব্যক্তিকে বিয়ে করেছেন বলে জানতে পারেন পরিবারের সদস্যরা।
মামলা সূত্রে আরও জানা যায়, গত ১৬ সেপ্টেম্বর লামিয়ার বাবা ধলু হাওলাদার ও মা রেহানা বেগম প্রবাসী রবিনের বাড়িতে বেড়াতে যান। পরে তাঁরা কাউকে না জানিয়ে সেখান থেকে চলে যান। ২১ সেপ্টেম্বর রবিনের পরিবার জানতে পারে, লামিয়া অন্য এক ব্যক্তির সঙ্গে চলে গেছেন এবং তাঁকে বিয়ে করেছেন।
প্রবাসী রবিন ঢালী বলেন, বিয়ের পর তাঁদের সংসার ভালোভাবেই চলছিল। স্ত্রীকে কানাডায় নেওয়ার জন্য তিনি আইইএলটিএস করিয়েছেন এবং ভিসা প্রক্রিয়ারও চেষ্টা করছিলেন। হঠাৎ স্ত্রী বাড়ি থেকে চলে যাওয়ার পর জানতে পারেন, তিনি অন্য একজনকে বিয়ে করেছেন।
রবিনের দাবি, তাঁকে আইনগতভাবে তালাক না দিয়েই দ্বিতীয় বিয়ে করা হয়েছে। এ ছাড়া তাঁর স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তিনি দেশে না থাকায় তাঁর বাবা আদালতে মামলা করেছেন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন রবিন।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন লামিয়া আক্তার প্রিয়া। তিনি বলেন, রবিনের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হলেও তিনি সংসার করতে আসতেন না এবং তাঁকে কানাডায় নেওয়ার ব্যবস্থাও করতে পারেননি। এ কারণে তিনি রবিনকে তালাক দিয়ে অন্যত্র বিয়ে করেছেন। বিয়ের সময় তাঁকে দেওয়া স্বর্ণালংকার তিনি সঙ্গে নিয়ে এসেছেন বলে জানান। তবে নগদ টাকা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি।
লামিয়ার দ্বিতীয় স্বামী মো. রাসেল বলেন, লামিয়ার আগে বিয়ে হয়েছিল, বিষয়টি তিনি জানতেন। তাঁর দাবি, প্রথম স্বামীকে তালাক দেওয়ার পর পারিবারিকভাবে ও ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী লামিয়াকে বিয়ে করেছেন।
এডভোকেট হাবিবুর রহমান বাবুল জানান, প্রবাসী স্বামীর স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা তদন্তের জন্য সিআইডিকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
প্রবাসী রবিন ঢালীর বাবা আমিরুল ঢালী বলেন, আমার পুত্রবধূ আমাদের বাড়ি থেকে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা নিয়ে পালিয়ে গিয়েছে। আমি আদালতে মামলা করেছি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচকে/এসকে