আকাশপথ ব্যবহারের অনুমতি (এয়ারস্পেস ক্লিয়ারেন্স) না পাওয়ায় রাশিয়া থেকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জ্বালানি ইউরেনিয়ামবাহী উড়োজাহাজ বাংলাদেশে পৌঁছাতে পারেনি।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নির্ধারিত দিনে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন থাকলেও রাশিয়ার কার্গো উড়োজাহাজটি অবতরণ করতে পারেনি।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, ‘ইউরেনিয়াম গ্রহণের জন্য আমাদের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন ছিল এবং আমরা বিমানবন্দরে অপেক্ষা করছিলাম। কিন্তু কার্গো বিমান না আসায় আমরা রুশ রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি সংস্থা রোসাটমের লিয়াজোঁ কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করি। তিনি আমাদের জানান যে, আকাশপথ ক্লিয়ার না থাকায় কার্গো বিমানটি রওনা দিতে পারেনি।’
তবে ঠিক কী কারণে আকাশপথ ব্যবহারের অনুমতি মেলেনি, সে বিষয়ে ওই কর্মকর্তা বিস্তারিত কিছু জানাতে পারেননি। অন্যদিকে ইউরেনিয়ামের চালান না আসার কারণ জানতে রোসাটমের প্রতিনিধির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাত্ক্ষণিকভাবে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, রাশিয়ার সহায়তায় পাবনার রূপপুরে দেশের প্রথম ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট উৎপাদনক্ষমতার পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণ করা হচ্ছে। ২০২৩ সালে প্রথম ইউনিটের জ্বালানি ইউরেনিয়ামের চালান বাংলাদেশে পৌঁছানোর মধ্য দিয়ে পারমাণবিক যুগে প্রবেশ করে দেশ। সে সময় আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বেষ্টনীতে রাশিয়ান কার্গো বিমানযোগে ঢাকায় আনা ইউরেনিয়াম সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তায় বিশেষ 'গ্রিন করিডোর' দিয়ে রূপপুরে পৌঁছে দেওয়া হয়।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচকে/এসকে
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নির্ধারিত দিনে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন থাকলেও রাশিয়ার কার্গো উড়োজাহাজটি অবতরণ করতে পারেনি।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, ‘ইউরেনিয়াম গ্রহণের জন্য আমাদের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন ছিল এবং আমরা বিমানবন্দরে অপেক্ষা করছিলাম। কিন্তু কার্গো বিমান না আসায় আমরা রুশ রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি সংস্থা রোসাটমের লিয়াজোঁ কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করি। তিনি আমাদের জানান যে, আকাশপথ ক্লিয়ার না থাকায় কার্গো বিমানটি রওনা দিতে পারেনি।’
তবে ঠিক কী কারণে আকাশপথ ব্যবহারের অনুমতি মেলেনি, সে বিষয়ে ওই কর্মকর্তা বিস্তারিত কিছু জানাতে পারেননি। অন্যদিকে ইউরেনিয়ামের চালান না আসার কারণ জানতে রোসাটমের প্রতিনিধির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাত্ক্ষণিকভাবে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, রাশিয়ার সহায়তায় পাবনার রূপপুরে দেশের প্রথম ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট উৎপাদনক্ষমতার পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণ করা হচ্ছে। ২০২৩ সালে প্রথম ইউনিটের জ্বালানি ইউরেনিয়ামের চালান বাংলাদেশে পৌঁছানোর মধ্য দিয়ে পারমাণবিক যুগে প্রবেশ করে দেশ। সে সময় আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বেষ্টনীতে রাশিয়ান কার্গো বিমানযোগে ঢাকায় আনা ইউরেনিয়াম সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তায় বিশেষ 'গ্রিন করিডোর' দিয়ে রূপপুরে পৌঁছে দেওয়া হয়।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচকে/এসকে