প্রায় ৫ কোটি ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা সিলেটের মাধবপুর পৌরসভার ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট পাঁচ বছরের বেশি সময়েও চালু হয়নি। ২০২২ সালের ২৮ জুন মাধবপুর পৌরসভার কাছে প্ল্যান্টটি হস্তান্তর করা হলেও আজ পর্যন্ত সেখান থেকে পৌরবাসী এক ফোঁটা পানিও পাননি।
শুধু প্ল্যান্টটি বন্ধ নয়, পানি উত্তোলনের জন্য স্থাপন করা তিনটি গভীর নলকূপও নষ্ট হয়ে গেছে। পরিশোধিত পানি পৌরবাসীর বাড়িতে পৌঁছে দিতে প্রয়োজনীয় পাইপলাইনও স্থাপন করা হয়নি। ফলে সরকারি অর্থে নির্মিত গুরুত্বপূর্ণ এ অবকাঠামোটি এখন কার্যত অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে।
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, মাধবপুর পৌরবাসীকে আয়রনমুক্ত নিরাপদ পানি সরবরাহের লক্ষ্যে ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্ল্যান্টটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। শ্যামলীপাড়ার উত্তরে স্টেডিয়ামের পূর্ব পাশে পৌরসভার জায়গায় এটি নির্মাণ করা হয়।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, গভীর নলকূপের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ পানি তুলে শোধনের পর ৪৫০ ঘনমিটার ধারণক্ষমতার ওভারহেড ট্যাংকে সংরক্ষণ করার কথা ছিল। পরে পাইপলাইনের মাধ্যমে পৌর এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে সেই পানি সরবরাহের পরিকল্পনা ছিল।
দীর্ঘ পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে নির্মাণকাজ চলার পর ২০২২ সালের ২৮ জুন প্ল্যান্টটি পৌরসভার কাছে হস্তান্তর করা হয়। ঘণ্টায় ২ লাখ লিটার পানি শোধনের সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও হস্তান্তরের পর এটি আর চালু হয়নি। দীর্ঘদিন পড়ে থাকায় প্ল্যান্টের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও অবকাঠামোও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ারও আশঙ্কা রয়েছে।
পৌর এলাকার বাসিন্দা নিয়ামুল করিম জানিয়েছেন, হস্তান্তরের পর প্ল্যান্টটি চালুর জন্য কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। পানি উত্তোলনের তিনটি গভীর নলকূপও এখন নষ্ট। এর সঙ্গে পানি সরবরাহের পাইপলাইন না থাকায় প্ল্যান্ট চালু হলেও পৌরবাসীর ঘরে পানি পৌঁছানোর ব্যবস্থা নেই। প্ল্যান্টটি চালু হলে আয়রনযুক্ত পানির সমস্যায় থাকা মানুষ উপকৃত হতেন।
পৌর নাগরিক মিলাদ হোসেন বলেছেন, জনগণের অর্থে বিপুল টাকা ব্যয় করে প্ল্যান্ট নির্মাণ করা হলেও সেটি ব্যবহার করা হচ্ছে না। দীর্ঘদিন পড়ে থাকায় এর যন্ত্রপাতি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। প্ল্যান্টটি চালু করতে যারা ব্যর্থ হয়েছেন, তাদের জবাবদিহির আওতায় আনা দরকার। একই সঙ্গে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে এটি সচল করার দাবি জানিয়েছেন।
পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, প্ল্যান্টটি চালুর বিষয়ে পৌর কর্তৃপক্ষ একাধিকবার উদ্যোগ নিয়েছে। তবে বিভিন্ন জটিলতার কারণে নির্ধারিত সময়ে এটি চালু করা সম্ভব হয়নি।
মাধবপুর পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মেহেদী হাসান জানিয়েছেন, মাধবপুরে যোগদানের পর তিনি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট ও ওভারহেড ট্যাংক পরিদর্শন করেছেন। তখন জানতে পারেন, হস্তান্তরের পর থেকে প্ল্যান্টটি কখনো চালু হয়নি। কীভাবে দ্রুত এটি সচল করা যায়, তা গুরুত্ব দিয়ে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
শুধু প্ল্যান্টটি বন্ধ নয়, পানি উত্তোলনের জন্য স্থাপন করা তিনটি গভীর নলকূপও নষ্ট হয়ে গেছে। পরিশোধিত পানি পৌরবাসীর বাড়িতে পৌঁছে দিতে প্রয়োজনীয় পাইপলাইনও স্থাপন করা হয়নি। ফলে সরকারি অর্থে নির্মিত গুরুত্বপূর্ণ এ অবকাঠামোটি এখন কার্যত অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে।
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, মাধবপুর পৌরবাসীকে আয়রনমুক্ত নিরাপদ পানি সরবরাহের লক্ষ্যে ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্ল্যান্টটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। শ্যামলীপাড়ার উত্তরে স্টেডিয়ামের পূর্ব পাশে পৌরসভার জায়গায় এটি নির্মাণ করা হয়।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, গভীর নলকূপের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ পানি তুলে শোধনের পর ৪৫০ ঘনমিটার ধারণক্ষমতার ওভারহেড ট্যাংকে সংরক্ষণ করার কথা ছিল। পরে পাইপলাইনের মাধ্যমে পৌর এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে সেই পানি সরবরাহের পরিকল্পনা ছিল।
দীর্ঘ পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে নির্মাণকাজ চলার পর ২০২২ সালের ২৮ জুন প্ল্যান্টটি পৌরসভার কাছে হস্তান্তর করা হয়। ঘণ্টায় ২ লাখ লিটার পানি শোধনের সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও হস্তান্তরের পর এটি আর চালু হয়নি। দীর্ঘদিন পড়ে থাকায় প্ল্যান্টের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও অবকাঠামোও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ারও আশঙ্কা রয়েছে।
পৌর এলাকার বাসিন্দা নিয়ামুল করিম জানিয়েছেন, হস্তান্তরের পর প্ল্যান্টটি চালুর জন্য কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। পানি উত্তোলনের তিনটি গভীর নলকূপও এখন নষ্ট। এর সঙ্গে পানি সরবরাহের পাইপলাইন না থাকায় প্ল্যান্ট চালু হলেও পৌরবাসীর ঘরে পানি পৌঁছানোর ব্যবস্থা নেই। প্ল্যান্টটি চালু হলে আয়রনযুক্ত পানির সমস্যায় থাকা মানুষ উপকৃত হতেন।
পৌর নাগরিক মিলাদ হোসেন বলেছেন, জনগণের অর্থে বিপুল টাকা ব্যয় করে প্ল্যান্ট নির্মাণ করা হলেও সেটি ব্যবহার করা হচ্ছে না। দীর্ঘদিন পড়ে থাকায় এর যন্ত্রপাতি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। প্ল্যান্টটি চালু করতে যারা ব্যর্থ হয়েছেন, তাদের জবাবদিহির আওতায় আনা দরকার। একই সঙ্গে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে এটি সচল করার দাবি জানিয়েছেন।
পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, প্ল্যান্টটি চালুর বিষয়ে পৌর কর্তৃপক্ষ একাধিকবার উদ্যোগ নিয়েছে। তবে বিভিন্ন জটিলতার কারণে নির্ধারিত সময়ে এটি চালু করা সম্ভব হয়নি।
মাধবপুর পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মেহেদী হাসান জানিয়েছেন, মাধবপুরে যোগদানের পর তিনি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট ও ওভারহেড ট্যাংক পরিদর্শন করেছেন। তখন জানতে পারেন, হস্তান্তরের পর থেকে প্ল্যান্টটি কখনো চালু হয়নি। কীভাবে দ্রুত এটি সচল করা যায়, তা গুরুত্ব দিয়ে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন