সাবেক মন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের স্ত্রী ইমা ক্লেয়ার বার্টনের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. আলমগীর দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন দুদকের প্রসিকিউটর তরিকুল ইসলাম।
এর আগে ২০২৪ সালের ২৯ আগস্ট নওফেলের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছিল।
এদিন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন।
ওই আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইমা ক্লেয়ার বার্টন অসৎ উদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট সময় অতিবাহিত হওয়ার পরেও নির্দিষ্ট ছকে সম্পদ বিবরণী কমিশনে জমা না দেয়ায় অপরাধ করেছেন।
এ ছাড়া তিনি ৮৪ লাখ ৩৫ হাজার ১২৮ টাকার জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ অর্জনসহ ওই অবৈধ সম্পদ নিজ রাখার জন্য অপরাধ করেছেন। এজন্য দুদক গত বছরের ৪ জুন মামলা দায়ের করে।
তদন্তকালে বিশ্বস্ত সূত্রের মাধ্যমে জানা যায়, মামলা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি গোপনে দেশত্যাগ করার চেষ্টা করছেন। তিনি দেশত্যাগ করে বিদেশে পালিয়ে গেলে মামলা সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ রেকর্ডপত্র প্রাপ্তিতে ব্যাঘাত সৃষ্টি হবে। তাছাড়া মামলার তদন্তে বিঘ্নসৃষ্টিসহ সমূহ ক্ষতির কারণ রয়েছে। এ অবস্থায় তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজন।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. আলমগীর দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন দুদকের প্রসিকিউটর তরিকুল ইসলাম।
এর আগে ২০২৪ সালের ২৯ আগস্ট নওফেলের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছিল।
এদিন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন।
ওই আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইমা ক্লেয়ার বার্টন অসৎ উদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট সময় অতিবাহিত হওয়ার পরেও নির্দিষ্ট ছকে সম্পদ বিবরণী কমিশনে জমা না দেয়ায় অপরাধ করেছেন।
এ ছাড়া তিনি ৮৪ লাখ ৩৫ হাজার ১২৮ টাকার জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ অর্জনসহ ওই অবৈধ সম্পদ নিজ রাখার জন্য অপরাধ করেছেন। এজন্য দুদক গত বছরের ৪ জুন মামলা দায়ের করে।
তদন্তকালে বিশ্বস্ত সূত্রের মাধ্যমে জানা যায়, মামলা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি গোপনে দেশত্যাগ করার চেষ্টা করছেন। তিনি দেশত্যাগ করে বিদেশে পালিয়ে গেলে মামলা সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ রেকর্ডপত্র প্রাপ্তিতে ব্যাঘাত সৃষ্টি হবে। তাছাড়া মামলার তদন্তে বিঘ্নসৃষ্টিসহ সমূহ ক্ষতির কারণ রয়েছে। এ অবস্থায় তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজন।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে