বৈশ্বিক সংকট সমাধানে মানুষকে সমস্যা হিসেবে না দেখে সমাধানের শক্তি হিসেবে বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি ড. খলিলুর রহমান। তিনি বলেছেন, মানুষই নতুন সমাধান তৈরির মূল চালিকাশক্তি। তাই তাদের প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি, দক্ষতা ও সুযোগ দিতে হবে।
অধিবেশনের উদ্বোধনী দিনের সাইডলাইনে ‘সামাজিক ব্যবসা, যুবসমাজ ও প্রযুক্তি’ শীর্ষক এক বিশেষ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।
ড. খলিলুর রহমান বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় শুধু তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিলে হবে না। বিশ্বকে দীর্ঘমেয়াদি ও কাঠামোগত পরিবর্তনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।
এ ক্ষেত্রে যুবসমাজের ভূমিকার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন তিনি। যুবকদের শুধু ‘অংশগ্রহণকারী’ হিসেবে না দেখে সমাজ পরিবর্তনের প্রকৃত নেতৃত্ব তাদের হাতে তুলে দেওয়ার আহ্বান জানান।
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) মতো সর্বাধুনিক প্রযুক্তিকে শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে কাজে লাগানোর আহ্বানও জানান তিনি। তার মতে, প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার এসডিজি অর্জনের প্রক্রিয়াকে আরো নির্ভুল ও গতিশীল করতে পারে।
জাতিসংঘ নির্ধারিত ২০৩০ সালের এসডিজি পূরণের সময়সীমার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ড. খলিলুর রহমান বলেন, লক্ষ্য অর্জনে হাতে আর মাত্র চার বছর সময় রয়েছে। এই স্বল্প সময়ে কাঙ্ক্ষিত বৈশ্বিক লক্ষ্য অর্জন করতে হলে সাধারণ মানুষকে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি, যুগোপযোগী দক্ষতা ও পর্যাপ্ত সুযোগ দিয়ে সক্ষম করে তুলতে হবে।
তিনি বলেন, উপযুক্ত পরিবেশ পেলে মানুষ নিজেরাই নিজেদের সমস্যা চিহ্নিত করে কার্যকর ও উদ্ভাবনী সমাধান তৈরি করতে পারবে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
অধিবেশনের উদ্বোধনী দিনের সাইডলাইনে ‘সামাজিক ব্যবসা, যুবসমাজ ও প্রযুক্তি’ শীর্ষক এক বিশেষ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।
ড. খলিলুর রহমান বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় শুধু তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিলে হবে না। বিশ্বকে দীর্ঘমেয়াদি ও কাঠামোগত পরিবর্তনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।
এ ক্ষেত্রে যুবসমাজের ভূমিকার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন তিনি। যুবকদের শুধু ‘অংশগ্রহণকারী’ হিসেবে না দেখে সমাজ পরিবর্তনের প্রকৃত নেতৃত্ব তাদের হাতে তুলে দেওয়ার আহ্বান জানান।
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) মতো সর্বাধুনিক প্রযুক্তিকে শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে কাজে লাগানোর আহ্বানও জানান তিনি। তার মতে, প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার এসডিজি অর্জনের প্রক্রিয়াকে আরো নির্ভুল ও গতিশীল করতে পারে।
জাতিসংঘ নির্ধারিত ২০৩০ সালের এসডিজি পূরণের সময়সীমার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ড. খলিলুর রহমান বলেন, লক্ষ্য অর্জনে হাতে আর মাত্র চার বছর সময় রয়েছে। এই স্বল্প সময়ে কাঙ্ক্ষিত বৈশ্বিক লক্ষ্য অর্জন করতে হলে সাধারণ মানুষকে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি, যুগোপযোগী দক্ষতা ও পর্যাপ্ত সুযোগ দিয়ে সক্ষম করে তুলতে হবে।
তিনি বলেন, উপযুক্ত পরিবেশ পেলে মানুষ নিজেরাই নিজেদের সমস্যা চিহ্নিত করে কার্যকর ও উদ্ভাবনী সমাধান তৈরি করতে পারবে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে