সুনামগঞ্জের যাদুকাটা নদীর তলদেশে কত বালু আছে, কোথায় কতটুকু জমেছে এবং নদীর বর্তমান গভীরতা কত— এসব জানতে হাইড্রোগ্রাফিক জরিপের উদ্যোগ নিয়েছে জেলা প্রশাসন। বালুমহাল থেকে খাস আদায়ের আগে বালুর প্রকৃত পরিমাণ ও অবস্থান নির্ধারণ করতেই করা হবে এই জরিপ। এজন্য বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষকে (বিআইডব্লিউটিএ) চিঠিও দিয়েছে জেলা প্রশাসন।
তবে জেলা প্রশাসনের চিঠি দেওয়ার পরও এখনো জরিপ শুরু হয়নি। বিআইডব্লিউটিএর হাইড্রোগ্রাফিক বিভাগ জানিয়েছে, জরিপ পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ এখনো জমা দেয়নি জেলা প্রশাসন। এরই মধ্যে জরিপের সম্ভাব্য ব্যয় নির্ধারণ করে প্রাক্কলন তৈরি করা হয়েছে এবং সেই অর্থ জমা দেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসনের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
বিআইডব্লিউটিএর হাইড্রোগ্রাফিক বিভাগের পরিচালক বেগম শামসুন নাহারের ভাষ্য, যাদুকাটা নদীতে হাইড্রোগ্রাফিক জরিপের জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে। এর পরিপ্রেক্ষিতে জরিপের ব্যয় নির্ধারণ করে প্রাক্কলন তৈরি করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় অর্থ জমা দেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসনকে চিঠিও দেওয়া হয়েছে। তবে এখনো অর্থ জমা না হওয়ায় জরিপ শুরু করা সম্ভব হয়নি।
সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) তাপস শীল বলেছেন, ‘যাদুকাটা নদীতে হাইড্রোগ্রাফিক জরিপ পরিচালনার জন্য বিআইডব্লিউটিএকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। জরিপের প্রয়োজনীয় অর্থ সোমবার জমা দেওয়া হবে। জরিপের তথ্য পাওয়ার পর জেলা বালু ও মাটি ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা করে বালুমহাল থেকে খাস আদায়ের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
তবে জেলা প্রশাসনের চিঠি দেওয়ার পরও এখনো জরিপ শুরু হয়নি। বিআইডব্লিউটিএর হাইড্রোগ্রাফিক বিভাগ জানিয়েছে, জরিপ পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ এখনো জমা দেয়নি জেলা প্রশাসন। এরই মধ্যে জরিপের সম্ভাব্য ব্যয় নির্ধারণ করে প্রাক্কলন তৈরি করা হয়েছে এবং সেই অর্থ জমা দেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসনের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
বিআইডব্লিউটিএর হাইড্রোগ্রাফিক বিভাগের পরিচালক বেগম শামসুন নাহারের ভাষ্য, যাদুকাটা নদীতে হাইড্রোগ্রাফিক জরিপের জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে। এর পরিপ্রেক্ষিতে জরিপের ব্যয় নির্ধারণ করে প্রাক্কলন তৈরি করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় অর্থ জমা দেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসনকে চিঠিও দেওয়া হয়েছে। তবে এখনো অর্থ জমা না হওয়ায় জরিপ শুরু করা সম্ভব হয়নি।
সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) তাপস শীল বলেছেন, ‘যাদুকাটা নদীতে হাইড্রোগ্রাফিক জরিপ পরিচালনার জন্য বিআইডব্লিউটিএকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। জরিপের প্রয়োজনীয় অর্থ সোমবার জমা দেওয়া হবে। জরিপের তথ্য পাওয়ার পর জেলা বালু ও মাটি ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা করে বালুমহাল থেকে খাস আদায়ের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন