সাতক্ষীরার এমপি জিএম নজরুল ইসলামের সঙ্গে মেয়ের সম্পর্কের পেছনে তার শ্যালক ওবায়দুর রহমানকে মূল হোতা হিসেবে দাবি করেছে এমপির দ্বিতীয় ‘স্ত্রী’ মরিয়ম খাতুনের বাবা মাসুম বিল্লাহ।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ অভিযোগ করেন।
মাসুম বিল্লাহর অভিযোগ, ওবায়দুরের মাধ্যমেই নজরুলের সঙ্গে মরিয়মের যোগাযোগ ও সম্পর্কের সূত্রপাত হয়। মেয়ের মৃত্যুর পর সেই সম্পর্কের নেপথ্যের ঘটনাগুলো নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
এরই মধ্যে নিহত মরিয়ম খাতুনের মরদেহ নেয়ার জন্য হাসপাতালে অপেক্ষা করছেন তার স্বজনেরা। এ সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মরিয়মের বাবা মাসুম বিল্লাহ ও তার দাদি।
মরিয়মের বাবা বলেন, আজকে এই পরিস্থিতির জন্য আমার শ্যালক ওবায়দুর দায়ী। এই রাস্তায় সেই নিয়ে আসছে। টাকার লোভে তাকে সম্পর্কে জড়ানো হয়েছে এবং আত্মহত্যায় প্ররোচিত করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
এ ছাড়া মেয়ের সঙ্গে তার ভালো সম্পর্ক ছিল বলেও দাবি করেন মরিয়মের বাবা। তিনি বলেন, মেয়ে কখনও কোনো কিছু নিয়ে অভিযোগ করেনি।
প্রসঙ্গত, দুই স্ত্রীকে নিয়ে ন্যাম ভবনে বসবাস করছিলেন সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ভবনটির ৫ নম্বর বিল্ডিংয়ের ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে মরিয়ম খাতুনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
ঘটনার সময় ফ্ল্যাটে ছিলেন গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগম। ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে পুলিশ ও সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট।
এদিকে মরিয়ম খাতুনের হাতে লেখা বেশ কয়েকটি চিঠিও উদ্ধার করেছে পুলিশ।
উল্লেখ্য, গাজী নজরুল জামায়াতে ইসলামীর মনোনয়নে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা-৪ আসন থেকে এমপি নির্বাচিত হন।
গত জুলাইয়ে তার ব্যক্তিগত মুহূর্তের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে এক তরুণীর সঙ্গে তাকে দেখা যায়। পরে গাজী নজরুল ইসলাম জানান, ওই তরুণী তাঁর দ্বিতীয় ‘স্ত্রী’ মরিয়ম।
এরপর গত ২২ জুলাই জামায়াতে ইসলামী গাজী নজরুলকে দল থেকে বহিষ্কার করে। দলটির পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য স্পিকার, নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে চিঠি দেয়া হয়।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ অভিযোগ করেন।
মাসুম বিল্লাহর অভিযোগ, ওবায়দুরের মাধ্যমেই নজরুলের সঙ্গে মরিয়মের যোগাযোগ ও সম্পর্কের সূত্রপাত হয়। মেয়ের মৃত্যুর পর সেই সম্পর্কের নেপথ্যের ঘটনাগুলো নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
এরই মধ্যে নিহত মরিয়ম খাতুনের মরদেহ নেয়ার জন্য হাসপাতালে অপেক্ষা করছেন তার স্বজনেরা। এ সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মরিয়মের বাবা মাসুম বিল্লাহ ও তার দাদি।
মরিয়মের বাবা বলেন, আজকে এই পরিস্থিতির জন্য আমার শ্যালক ওবায়দুর দায়ী। এই রাস্তায় সেই নিয়ে আসছে। টাকার লোভে তাকে সম্পর্কে জড়ানো হয়েছে এবং আত্মহত্যায় প্ররোচিত করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
এ ছাড়া মেয়ের সঙ্গে তার ভালো সম্পর্ক ছিল বলেও দাবি করেন মরিয়মের বাবা। তিনি বলেন, মেয়ে কখনও কোনো কিছু নিয়ে অভিযোগ করেনি।
প্রসঙ্গত, দুই স্ত্রীকে নিয়ে ন্যাম ভবনে বসবাস করছিলেন সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ভবনটির ৫ নম্বর বিল্ডিংয়ের ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে মরিয়ম খাতুনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
ঘটনার সময় ফ্ল্যাটে ছিলেন গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগম। ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে পুলিশ ও সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট।
এদিকে মরিয়ম খাতুনের হাতে লেখা বেশ কয়েকটি চিঠিও উদ্ধার করেছে পুলিশ।
উল্লেখ্য, গাজী নজরুল জামায়াতে ইসলামীর মনোনয়নে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা-৪ আসন থেকে এমপি নির্বাচিত হন।
গত জুলাইয়ে তার ব্যক্তিগত মুহূর্তের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে এক তরুণীর সঙ্গে তাকে দেখা যায়। পরে গাজী নজরুল ইসলাম জানান, ওই তরুণী তাঁর দ্বিতীয় ‘স্ত্রী’ মরিয়ম।
এরপর গত ২২ জুলাই জামায়াতে ইসলামী গাজী নজরুলকে দল থেকে বহিষ্কার করে। দলটির পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য স্পিকার, নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে চিঠি দেয়া হয়।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে