দেশ ও কর্মীদের কর্মসংস্থানের স্বার্থে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিজের (বায়রা) সদস্যরা।
তাঁরা বলেছেন, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে দেশে-বিদেশে নানামুখী ষড়যন্ত্র হচ্ছে। সময়মতো বাংলাদেশি কর্মী পাঠাতে না পারলে মালয়েশিয়া অন্যান্য উৎস দেশ থেকে কর্মী নিয়ে তাদের চাহিদা পূরণ করবে। এতে সম্ভাবনাময় এই শ্রমবাজারের সুযোগ থেকে বাংলাদেশ বঞ্চিত হতে পারে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত উন্মুক্ত, সঠিক তথ্য উপস্থাপন এবং পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে এসব কথা বলেন বায়রার সদস্যরা।
সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সাবেক সংসদ সদস্য ও বায়রার সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুল গফুর ভূঁইয়া।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, বিভিন্ন সময়ে শ্রমিক পাঠানোর উদ্যোগের ফলে মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশের প্রাপ্ত রেমিট্যান্স ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। মালয়েশিয়ায় শ্রমিক অভিবাসন প্রক্রিয়া নিয়ে কর্মীদের কোনো অভিযোগ নেই। এরপরও মালয়েশিয়া সরকার কর্তৃক তালিকাভুক্ত নয়—এমন কিছু রিক্রুটিং এজেন্সি সভা, সমাবেশ, সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধনের মাধ্যমে অভিবাসন প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করেছে।
বক্তারা অভিযোগ করেন, দুই দেশের সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক ও বিধিবিধান অনুসরণ করে শ্রমিক পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়ার পরও প্রতিদ্বন্দ্বী কিছু রিক্রুটিং এজেন্সি মানবপাচার ও অর্থপাচারের মতো মামলা করে শ্রমবাজার উন্মুক্তের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে।
তাদের দাবি, ২০২২ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর অনুমোদন না থাকা কিছু এজেন্সি ডামি চাহিদাপত্রের মাধ্যমে তালিকাভুক্ত এজেন্সির নামে ব্যবসা করেছে। মধ্যস্বত্বভোগীদের সঙ্গে মিলে তারা অভিবাসন ব্যয় বাড়িয়েছে। এতে পুরো অভিবাসন প্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি দেশের জনশক্তি রপ্তানি খাতের সুনামও ক্ষুণ্ন হয়েছে।
লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, মালয়েশিয়া সরকার বাংলাদেশ থেকে অধিকসংখ্যক কর্মী নিয়োগের পাশাপাশি কর্মীদের ন্যূনতম মূল বেতন ১ হাজার ৭০০ রিঙ্গিত নির্ধারণ করেছে। মূল বেতন, ভাতা ও অতিরিক্ত কাজের পারিশ্রমিকসহ একজন কর্মী মাসে ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা আয় করতে পারেন। এ কারণে বাংলাদেশের কর্মীদের মধ্যে মালয়েশিয়া যাওয়ার আগ্রহ বেশি।
বক্তারা বলেন, মালয়েশিয়া সরকারের নির্ধারিত ২৫ লাখ বিদেশি কর্মীর সীমা অতিক্রম করায় ২০২৪ সালের ১ জুন থেকে বাংলাদেশসহ সব উৎস দেশের কর্মী নিয়োগ বন্ধ করে দেশটি। পরে ২০২৫ সালের আগস্টে মালয়েশিয়া সরকার পুনরায় বিভিন্ন উৎস দেশ থেকে বিদেশি কর্মী নিয়োগের অনুমোদন দেয়। এর সুযোগ নিয়ে নেপাল ও মিয়ানমারসহ বিভিন্ন দেশ উল্লেখযোগ্যসংখ্যক কর্মী পাঠাতে শুরু করলেও বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্তহীনতা ও রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর দ্বন্দ্বের কারণে সে সুযোগ কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি।
তাদের দাবি, একই সময়ে বাংলাদেশ কর্মী পাঠানো শুরু করতে পারলে এরই মধ্যে অন্তত এক লাখ কর্মীর মালয়েশিয়ায় যাওয়া সম্ভব হতো।
বক্তারা জানান, গত বছরের ২৭ অক্টোবর মালয়েশিয়া সরকার বাংলাদেশ সরকারের কাছে নির্দিষ্ট শর্ত পূরণকারী বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা চায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সরকার ৪২৩টি রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা পাঠায়। পরে দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের আলোচনার ধারাবাহিকতায় মালয়েশিয়া সরকার বোয়েসেলসহ ২৬টি মূল এজেন্সি এবং সহযোগী হিসেবে ৩১২টি রিক্রুটিং এজেন্সিকে কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়ায় যুক্ত করে।
ইতোমধ্যে এসব এজেন্সির মধ্যে কর্মী নিয়োগের জন্য কোটা বরাদ্দ শুরু হয়েছে বলেও সাংবাদিক সম্মেলনে জানানো হয়। বরাদ্দকৃত কোটার কর্মীদের জন্য অনলাইনে ই-এম্বাসি সফটওয়্যার মডিউলে কুয়ালালামপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের সত্যায়নসহ পরবর্তী কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
বায়রার সদস্যরা বলেন, দুই দেশের সরকারের মধ্যে সমঝোতা এবং ফলপ্রসূ আলোচনার পর যখন কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, ঠিক তখনই বায়রার কিছু সদস্য, এজেন্সি ও মধ্যস্বত্বভোগী গণমাধ্যম ও সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে ভুল তথ্য উপস্থাপন করে শ্রমবাজারটি আবারও বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে। সভা-সমাবেশ, মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে তারা এ প্রক্রিয়ায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে।
তারা বলেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক যুদ্ধসহ বিভিন্ন কারণে ওই অঞ্চলের অনেক দেশে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য বৈদেশিক কর্মসংস্থানের সুযোগ বন্ধ বা সংকুচিত হয়েছে। তাই মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারের সুযোগ নিতে রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোকে নিজস্ব ব্যবসায়িক স্বার্থের পাশাপাশি দেশ ও কর্মীদের কর্মসংস্থানের বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হবে।
তাদের সতর্ক করে বলা হয়, বাংলাদেশ দ্রুত কর্মী পাঠাতে না পারলে মালয়েশিয়া অন্যান্য উৎসদেশ থেকে কর্মী নিয়ে তাদের চাহিদা পূরণ করবে। ফলে সম্ভাবনাময় এই শ্রমবাজারে বাংলাদেশ দীর্ঘমেয়াদে পিছিয়ে পড়তে পারে।
সাংবাদিক সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন আল আকাবা অ্যাসোসিয়েটের স্বত্বাধিকারী আতিকুর রহমান বিশ্বাস। এ সময় বায়রার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা ও রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকরা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
তাঁরা বলেছেন, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে দেশে-বিদেশে নানামুখী ষড়যন্ত্র হচ্ছে। সময়মতো বাংলাদেশি কর্মী পাঠাতে না পারলে মালয়েশিয়া অন্যান্য উৎস দেশ থেকে কর্মী নিয়ে তাদের চাহিদা পূরণ করবে। এতে সম্ভাবনাময় এই শ্রমবাজারের সুযোগ থেকে বাংলাদেশ বঞ্চিত হতে পারে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত উন্মুক্ত, সঠিক তথ্য উপস্থাপন এবং পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে এসব কথা বলেন বায়রার সদস্যরা।
সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সাবেক সংসদ সদস্য ও বায়রার সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুল গফুর ভূঁইয়া।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, বিভিন্ন সময়ে শ্রমিক পাঠানোর উদ্যোগের ফলে মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশের প্রাপ্ত রেমিট্যান্স ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। মালয়েশিয়ায় শ্রমিক অভিবাসন প্রক্রিয়া নিয়ে কর্মীদের কোনো অভিযোগ নেই। এরপরও মালয়েশিয়া সরকার কর্তৃক তালিকাভুক্ত নয়—এমন কিছু রিক্রুটিং এজেন্সি সভা, সমাবেশ, সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধনের মাধ্যমে অভিবাসন প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করেছে।
বক্তারা অভিযোগ করেন, দুই দেশের সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক ও বিধিবিধান অনুসরণ করে শ্রমিক পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়ার পরও প্রতিদ্বন্দ্বী কিছু রিক্রুটিং এজেন্সি মানবপাচার ও অর্থপাচারের মতো মামলা করে শ্রমবাজার উন্মুক্তের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে।
তাদের দাবি, ২০২২ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর অনুমোদন না থাকা কিছু এজেন্সি ডামি চাহিদাপত্রের মাধ্যমে তালিকাভুক্ত এজেন্সির নামে ব্যবসা করেছে। মধ্যস্বত্বভোগীদের সঙ্গে মিলে তারা অভিবাসন ব্যয় বাড়িয়েছে। এতে পুরো অভিবাসন প্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি দেশের জনশক্তি রপ্তানি খাতের সুনামও ক্ষুণ্ন হয়েছে।
লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, মালয়েশিয়া সরকার বাংলাদেশ থেকে অধিকসংখ্যক কর্মী নিয়োগের পাশাপাশি কর্মীদের ন্যূনতম মূল বেতন ১ হাজার ৭০০ রিঙ্গিত নির্ধারণ করেছে। মূল বেতন, ভাতা ও অতিরিক্ত কাজের পারিশ্রমিকসহ একজন কর্মী মাসে ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা আয় করতে পারেন। এ কারণে বাংলাদেশের কর্মীদের মধ্যে মালয়েশিয়া যাওয়ার আগ্রহ বেশি।
বক্তারা বলেন, মালয়েশিয়া সরকারের নির্ধারিত ২৫ লাখ বিদেশি কর্মীর সীমা অতিক্রম করায় ২০২৪ সালের ১ জুন থেকে বাংলাদেশসহ সব উৎস দেশের কর্মী নিয়োগ বন্ধ করে দেশটি। পরে ২০২৫ সালের আগস্টে মালয়েশিয়া সরকার পুনরায় বিভিন্ন উৎস দেশ থেকে বিদেশি কর্মী নিয়োগের অনুমোদন দেয়। এর সুযোগ নিয়ে নেপাল ও মিয়ানমারসহ বিভিন্ন দেশ উল্লেখযোগ্যসংখ্যক কর্মী পাঠাতে শুরু করলেও বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্তহীনতা ও রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর দ্বন্দ্বের কারণে সে সুযোগ কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি।
তাদের দাবি, একই সময়ে বাংলাদেশ কর্মী পাঠানো শুরু করতে পারলে এরই মধ্যে অন্তত এক লাখ কর্মীর মালয়েশিয়ায় যাওয়া সম্ভব হতো।
বক্তারা জানান, গত বছরের ২৭ অক্টোবর মালয়েশিয়া সরকার বাংলাদেশ সরকারের কাছে নির্দিষ্ট শর্ত পূরণকারী বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা চায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সরকার ৪২৩টি রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা পাঠায়। পরে দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের আলোচনার ধারাবাহিকতায় মালয়েশিয়া সরকার বোয়েসেলসহ ২৬টি মূল এজেন্সি এবং সহযোগী হিসেবে ৩১২টি রিক্রুটিং এজেন্সিকে কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়ায় যুক্ত করে।
ইতোমধ্যে এসব এজেন্সির মধ্যে কর্মী নিয়োগের জন্য কোটা বরাদ্দ শুরু হয়েছে বলেও সাংবাদিক সম্মেলনে জানানো হয়। বরাদ্দকৃত কোটার কর্মীদের জন্য অনলাইনে ই-এম্বাসি সফটওয়্যার মডিউলে কুয়ালালামপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের সত্যায়নসহ পরবর্তী কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
বায়রার সদস্যরা বলেন, দুই দেশের সরকারের মধ্যে সমঝোতা এবং ফলপ্রসূ আলোচনার পর যখন কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, ঠিক তখনই বায়রার কিছু সদস্য, এজেন্সি ও মধ্যস্বত্বভোগী গণমাধ্যম ও সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে ভুল তথ্য উপস্থাপন করে শ্রমবাজারটি আবারও বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে। সভা-সমাবেশ, মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে তারা এ প্রক্রিয়ায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে।
তারা বলেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক যুদ্ধসহ বিভিন্ন কারণে ওই অঞ্চলের অনেক দেশে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য বৈদেশিক কর্মসংস্থানের সুযোগ বন্ধ বা সংকুচিত হয়েছে। তাই মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারের সুযোগ নিতে রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোকে নিজস্ব ব্যবসায়িক স্বার্থের পাশাপাশি দেশ ও কর্মীদের কর্মসংস্থানের বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হবে।
তাদের সতর্ক করে বলা হয়, বাংলাদেশ দ্রুত কর্মী পাঠাতে না পারলে মালয়েশিয়া অন্যান্য উৎসদেশ থেকে কর্মী নিয়ে তাদের চাহিদা পূরণ করবে। ফলে সম্ভাবনাময় এই শ্রমবাজারে বাংলাদেশ দীর্ঘমেয়াদে পিছিয়ে পড়তে পারে।
সাংবাদিক সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন আল আকাবা অ্যাসোসিয়েটের স্বত্বাধিকারী আতিকুর রহমান বিশ্বাস। এ সময় বায়রার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা ও রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকরা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে