নতুন ২ প্রকল্প অনুমোদন, মিলবে ২৬৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ

কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে ঝুঁকছে সরকার

আপলোড সময় : ২০-০৯-২০২৬ ১১:১৬:৩৫ পূর্বাহ্ন , আপডেট সময় : ২০-০৯-২০২৬ ১১:১৬:৩৫ পূর্বাহ্ন
গ্যাস সরবরাহে অনিশ্চয়তা এবং উচ্চমূল্যের এলএনজি আমদানির চাপের মধ্যে আবারও কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে ঝুঁকছে সরকার। কক্সবাজারের মাতারবাড়ী ও পটুয়াখালীর পায়রায় এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট করে মোট দুই হাজার ৬৪০ মেগাওয়াট সক্ষমতার দুটি নতুন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এর মধ্যে প্রকল্প দুটির নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। দুটি কেন্দ্র নির্মাণে ব্যয় হতে পারে তিন বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি।

এর মধ্যে মাতারবাড়ীতে এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াটের কেন্দ্র নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১.৫৬ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কম্পানি লিমিটেড (বিসিপিসিএল) এরমধ্যে প্রকল্পটির উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) তৈরি করেছে।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজাউল করিম বলেন, মাতারবাড়ীতে আগে থেকেই বিদ্যুৎ সঞ্চালনের অবকাঠামো থাকায় স্থানটি বেছে নেওয়া হয়েছে। বিদেশি অর্থায়ন না পাওয়া গেলে সরকারি অর্থায়নেও প্রকল্পটি বাস্তবায়নের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।

পায়রায়ও এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াটের দ্বিতীয় পর্যায়ের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্পটির অর্থায়নে চীনের এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যাংকের সহায়তা নেওয়ার চেষ্টা করছে সরকার।

বিদ্যুৎ বিভাগ ও বিপিডিবির কর্মকর্তারা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এলএনজি সরবরাহে বিঘ্ন এবং বিশ্ববাজারে দাম বৃদ্ধির কারণে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে চাপ তৈরি হয়েছে। এ অবস্থায় জ্বালানি সরবরাহের তুলনামূলক স্থিতিশীল উৎস হিসেবে কয়লাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

বিপিডিবির তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর স্থাপিত সক্ষমতা প্রায় ছয় হাজার ৬৯০ মেগাওয়াট। নতুন দুটি কেন্দ্র চালু হলে তা বেড়ে প্রায় ৯ হাজার ৩৩০ মেগাওয়াট হবে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কয়লাভিত্তিক উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি পরিবেশগত ঝুঁকি এবং ভবিষ্যতে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা তৈরির বিষয়টিও বিবেচনায় নিতে হবে।

বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন 

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :

মোঃ কামাল হোসেন

অফিস :

অফিস : ৬/২২, ইস্টার্ণ প্লাাজা (৬ তলা), কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স, হাতিরপুল, ঢাকা।

ইমেইল :